একাত্তরে জামাত :
পাকিস্তানিদের চোখে ॥
আর্মির ডেথ স্কোয়াড হিসেবে কাজ করতো ছাত্রসংঘ ক্যাডাররা
আল ইহসান ডেস্ক:
****************************************************************
[মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাজাকার, আল-বাদর বাহিনীর সদস্যদের অপকর্মের বিবরণ পাওয়া যায় পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা ও রাজনীতিকদের লেখা ও বক্তব্যেও।]
পাকি সেনা কর্মকর্তা সিদ্দিক সালিক তার ‘উইটনেস টু সারেন্ডার’ বইয়ে লিখেছেন, ‘এদের সবাইকে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পরাজিত করে আওয়ামী লীগ। বাঙালিদের উপর এদের প্রভাবও ছিল সামান্যই। সাধারণ মানুষের অনুভূতি ছিল- এরা সবাই অচল মুদ্রা।’
‘উইটনেস টু সারেন্ডার’ বইয়ে আরো বলা হয়েছে, ‘বাঙালিরা আগে থেকেই আমাদের পছন্দ করত না। অপারেশনের সময় কিছু সৈনিকের লুট, হত্যা ও সম্ভ্রমহরণের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই আমাদের বাঙালি জনগণ থেকে আরো দূরে সরিয়ে দেয়। সেই সব ব্যক্তিই আমাদের হাতে হাত মেলাল- যারা ইসলাম ও পাকিস্তানের নামে তাদের সব কিছুরই ঝুঁকি নিতে তৈরি ছিল। এ ব্যক্তিদের দুটি গ্রুপে সংগঠিত করা হয়। বয়স্ক ও নামী ব্যক্তিদের নিয়ে গঠন করা হলো শান্তিকমিটি, আর যারা তরুণ ও সুঠাম দেহের অধিকারী, তাদের রিক্রুট করা হলো রাজাকার বাহিনীতে।’
সিদ্দিক সালিক আরো লিখেছেন, ‘এদের কেউ কেউ অবশ্য আওয়ামী লীগপন্থীদের সঙ্গে নিজেদের পুরনো বিরোধের প্রতিশোধ নিতে সেনাবাহিনীর সঙ্গে নিজেদের যোগাযোগকে ব্যবহার করত।’ মুক্তিযুদ্ধের সময় এ দালালরা কিভাবে উদ্দেশ্যমূলক বানোয়াট তথ্য সরবরাহ করে পাক সেনা বাহিনীকে দিয়ে দেশের বিভিন্ন জনপদ ছারখার করিয়েছে, সে বিবরণও আছে বইটিতে।
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।