বাবুদের তাল-পুকুরে
হাবুদের ডাল-কুকুরে
সে কি বাস করলে তাড়া,
বলি থাম একটু দাড়া।
পুকুরের ঐ কাছে না
লিচুর এক গাছ আছে না
হোথা না আস্তে গিয়ে
য়্যাব্বড় কাস্তে নিয়ে
গাছে গো যেই চড়েছি
ছোট এক ডাল ধরেছি,
ও বাবা মড়াত করে
পড়েছি সরাত জোরে।
পড়বি পড় মালীর ঘাড়েই,
সে ছিল গাছের আড়েই।
ব্যাটা ভাই বড় নচ্ছার,
ধুমাধুম গোটা দুচ্চার
দিলে খুব কিল ও ঘুষি
একদম জোরসে ঠুসি।
আমিও বাগিয়ে থাপড়
দে হাওয়া চাপিয়ে কাপড়
লাফিয়ে ডিঙনু দেয়াল,
দেখি এক ভিটরে শেয়াল!
সেকি ভাই যায় রে ভুলা-
মালীর ঐ পিটুনিগুলা!
কি বলিস ফের হপ্তা!
তৌবা-নাক খপ্তা!
কবি নজরুল ইসলাম
লিচু চোর

7 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
সচেতন
বাংলা ব্লগ
জাগ্রত রজনী
ভোরের আলো
বাবুদের তাল-পুকুরে
হাবুদের ডাল-কুকুরে
সে কি বাস্ করলে তাড়া,
বলি থাম্ একটু দাঁড়া!
পুকুরের ঐ কাছে না
লিচুর এক গাছ আছে না
হোথা না আস্তে গিয়ে
য়্যাব্বড় কাস্তে নিয়ে
গাছে গ্যে’ যেই- চ’ড়েছি,
ছোট এক ডাল ধ’রেছি,
ও বাবা মড়াত্ ক’রে
প’ড়েছি সড়াত্ জোরে৷
পড়বি পড় মালীর ঘাড়েই,
সে ছিল গাছের অ অড়েই,
ব্যাটা ভাই বড় নচ্ছার,
ধুমাধুম গোটা দুচ্চার
দিলে খুব কিল ও ঘুসি
একদম জোর্ সে ঠুসি!
আমিও বাগিয়ে থাপর
দে হাওয়া চাপিয়ে কাপড়
লাফিয়ে ডিঙ্ নু দেয়াল,
দেখি এক ভিট্ রে শেয়াল!
আরে ধ্যাত্ শেয়াল কোথা?
ভুলোটা দাঁড়িয়ে হোথা!
দেখে যেই আঁতকে ওঠা
কুকুরও জুডলে ছোটা!
আমি কই কম্ম কাবার
কুকুরেই কর্ বে সাবাড়!
‘বাবা গো মা গো’ বলে’
পাঁচিলের ফোঁকল গলে
ঢুকি গ্যে’ বোস্ দের ঘরে,
যেন প্রাণ আসলো ধড়ে!
যাব ফের? কান মলি ভাই
চুরিতে আর যদি যাই!
তবে মোর নামই মিছা!
কুকুরের চাম্ ড়া খিঁচা
সে কি ভাই যায়রে ভুলা-
মালীর ঐ পিট্ নী গুলো-
কি বলিস্? ফের হপ্তা?
তৌবা-নাক খপতা!
গুলজারে রাজারবাগ
সোনার ছেলে
চুরিতে আর যদি যাই!
তবে মোর নামই মিছা!
কুকুরের চাম্ ড়া খিঁচা
সে কি ভাই যায়রে ভুলা-
মালীর ঐ পিট্নি গুলা-
কি বলিস্? ফের হপ্তা?
তৌবা-নাক খপতা!
আঁতেল