শশার শরবত[/caption]
শশার শরবত:
উপাদান:
**১ টি ছোট শসা
**ধনে পাতা - দুটি শাখা পরিমান
**১ আপেল, বিচি ও ছাল ফেলা অবস্থায়
**কিছু আদা বাটা
**১/২ লেবুর রস
**মধু / ম্যাপেল সিরাপ
**১ কাপ পানি
**কাঁচা মৌমাছি পরাগ(ফুলের রেনু) ঐচ্ছিক
নির্দেশনা
আংশিক শশা (ছুলা প্রায় 60% অপসারণ) ছুলা.
প্রি় (মৌমাছি পরাগ ছাড়া রেনু) মিশ্রণকারী সব উপাদানগুলো
পছন্দসই সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মিশান.
স্বাদ গ্রহণ এবং প্রয়োজনে আরো মধু/ ম্যাপেল সিরাপ যোগ করুন.
শেষে, উপরে মৌমাছি পরাগ ছিটিয়ে এবং পরিবেশন করুন.
শশা এর গুন!
[caption id="" align="aligncenter" width="250"]
শাশা গাছ ফুল ও ফল[/caption]
শশা
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae
বিভাগ: Magnoliophyta
শ্রেণী: Magnoliopsida
বর্গ: Cucurbitales
পরিবার: Cucurbitaceae
গণ: Cucumis
প্রজাতি: C. sativus
দ্বিপদী নাম: Cucumis sativus
পরিচিতি: শসা এক প্রকারের ফল। লতানো উদ্ভিদে জন্মানো ফলটি লম্বাটে আকৃতির এবং প্রায় ১০-১২ ইঞ্চি লম্বা হয়ে থাকে। এর বাইরের রঙ সবুজ। তবে পাকলে হলুদ হয়। ভেতরে সাদাটে সবুজ রঙের হয়, এবং মধ্যভাগে বিচি থাকে। এটি কাঁচা খাওয়া হয় বা সালাদ তৈরীতে ব্যবহার করা হয়। বেশ কয়েক জাতের শসা রয়েছে। শশা এক রকমের ফল । এটা দেখতে সবুজ রঙের লম্বা আকারের হয়ে থাকে । এই ফলে ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকে এবং পানিয় অংশের পরিমাণ বেশী থাকে । খোসা সহ একটি কাচা শশা'র প্রতি ১০০ গ্রামে ক্যালরীর পরিমাণ ২০ কিলো ক্যালরী।
প্রাপ্তি স্থান: শশা এর উৎপত্তি ভারতবর্ষে হলেও বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব জায়গাতেই জন্মে। এটি সাধারণতঃ গরমের সময় বেশি পাওয়া যায়। বাংলাদেশে শশা প্রধাণত সালাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
শশার উপকারিতা:
>>>শশা আমাদের দেহের পানির অভাব পূরণ করে থাকে। কারণ, শশার খাদ্য উপাদানের মধ্যে ৯০ ভাগই হচ্ছে পানি। আমরা যদি দৈনিক চাহিদার সমপরিমাণ পানি পান করতে না পারি তাহলে শশা খেয়ে পানির সেই অভাব পূরণ করা সম্ভব।
>>>শশা আমাদের শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। বাইরে রোদে ঘুরা-ফেরা করার কারণে সূর্যের তাপে শরীরের চামড়ায় যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে তা থেকে শশা আমাদেরকে অনেকটাই স্বস্তি দিতে পারে। এজন্য শশা চাক চাক করে কেটে শরীরের রোদে পোড়া অংশে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।
>>>শশার ভিতরের জলীয় অংশ শরীরের অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য শরীর থেকে বের করে দিতে সক্ষম। নিয়মিত শশা খেলে কিডনীতে পাথর হওয়া থেকে মুক্ত থাকা যায়।
>>>সুস্থ থাকার জন্য আমাদের শরীরে প্রতিদিন যে পরিমাণ ভিটামিন দরকার হয় তার অধিকাংশের অভাব পূরণ করে থাকে শশা। ভিটামিন এ, বি ও সি--যেগুলো শরীরে শক্তি উৎপাদন ও শরীরের স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখে, তার অধিকাংশই পূরণ করে থাকে শশা।
>>>শশায় রয়েছে স্টেরল নামের একধরণের উপাদান যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে। স্টেরল মুটিয়ে যাওয়া রোধ করতেও সাহায্য করে।
>>>শশায় রয়েছে উচ্চ মাত্রায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও সলিকন। তাই শরীরে এসবের অভাবজনিত সমস্যার মূল সমাধান হলো শশা।
>>>শশায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি এবং অত্যন্ত কম পরিমাণে ক্যালরি। তাই আমার যারা শরীরের ওজন কমানোর ব্যাপারে সচেতন তাদের জন্য শশা একটি প্রধান উপাদান।
>>>শশা গোল বা চাকা করে কেটে চোখের উপর দিয়ে চোখের সৌন্দর্য বৃদ্ধির প্রয়াস চালাতে আমরা অনেককেই দেখি। কিন্তু এটা সত্যি যে অনিদ্রা, দুশ্চিন্তা বা অন্য কোন কারণে চোখের নিচে কালো দাগ পড়লে শশা তা দূর করতে পারে।
>>>শশা কয়েক ধরনের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করে থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ওভারিওর ক্যান্সার, ব্রেষ্ট ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার ও ইউটারিন ক্যান্সার।
>>>শশার রস ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, শশায় থাকা স্টেরল নামক উপাদান রক্তের কলেস্টরালের আধিক্য কমাতে ভূমিকা রাখে। তাছাড়া শশায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এই উপাদানগুলো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম। এ কারণে শশা উচ্চ রক্তচাপ এবং নিম্ন রক্তচাপ--দুটোকেই নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। ভিটামিন সি, সিলিকা, পটাশিয়াম, ম্যাগনোশিয়াম ও ফাইবার হাই ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে শশা।
>>>শশা মুখের ভিতরের জীবাণুকে ধ্বংস করে মুখকে সজীব রাখতে সাহায্য করে। এক টুকরো শশা মুখের ভিতর পুড়ে জিহবা দিয়ে মুখের ভিতরের অংশে ঘষলে দাঁত ও অন্যান্য স্থানে লেগে থাকা জীবাণুরা মরে যায়। ফলে নিঃশ্বাস সজীব ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠতে বাধ্য।
>>>শশায় আছে সালফার ও সিলিকা নামের দুটি উপাদান, যা আমাদের মাথার চুল ও নখকে উজ্জল ও শক্ত করে তোলে। এগুলো চুলের বৃদ্ধিকেও তরান্বিত করে।
>>>তাছাড়া শশায় থাকা সিলিকা আমাদের শরীরের টিস্যুগুলোকে শক্তিশালী ও মজবুত করতে সক্ষম। গাজর ও শশার রস একসাথে মিশিয়ে পান করলে শরীরের ইউরিক এ্যাসিডের ব্যাথা দূর হয়। হজম ও কনস্টিপেশনের সমস্যার সমাধানে ডায়েটে শশা রাখতে পারেন। কারণ শশাতে আছে এরেপসিন নামের আনজাইম। আলসার গ্যাস্ট্রাইটিস, অ্যাসিডিটির ক্ষেত্রেও তাজা শশার রস উপকারী। শরীরের পিএইচ সমতা বজায় রাখে শশা।
>>>অনেকের সকালে ঘুম থেকে উঠার পর মাথা ব্যাথার অভ্যাস আছে। এটা দূর করার জন্য রাতে ঘুমোতে যাবার আগে এক টুকরো শশা খেলে উপকার পাওয়া যায়। শশায় রয়েছে ভিটামিন বি ও চিনি, যেগুলো এ ধরনের মাথাব্যথা দূর করতে ভূমিকা রাখে।
>>>শরীরের ইউরিক এ্যাসিডের ব্যাথা প্রশমিত করার মাধ্যমে শশা আমাদের কিডনীর সঠিক আকৃতি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
>>>বৃক্ক(কিডনি), ইউরিনারি ব্লাডার, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের সমস্যায় ডায়েটে শশা রাখতে পারেন।
রূপচর্চায় শশা:
শশা হচ্ছে সালাদের মধ্যে বহুল ব্যবহৃত একটি সবজি। সহজলভ্য এবং সুলভ এই সবজিটির ব্যবহার শুধু সালাদের মধ্যেই কিন্তু সীমাবদ্ধ নয়। স্বাস্থ্যরক্ষার পাশাপাশি শশা আমাদের ত্বক এবং চুলের জন্যও সমানভাবে উপকারী। লো ক্যালরি এবং ডায়েট্রি ফাইবারে সমৃদ্ধ এই সবজিটি তাই স্থান করে নিয়েছে রূপসচেতন নারীদের ডায়েট চার্টে। এবার আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক শশার বিভিন্ন গুণাগুন এবং ব্যবহার সম্পর্কে।
- তৈলাক্ত ত্বকের জন্য শশা খুব ভালো টোনার হিসেবে কাজ করে। এটি ত্বকের ওপেন পোর কন্ট্রোল করতে বেশ উপকারী। মুখ ধোয়ার পর শুধু শশার রস টোনার হিসেবে মুখে লাগাতে পারেন অথবা একে আরো কার্যকরী করতে শশার রসের সাথে আপেল সাইডার ভিনেগার, টমেটোর রস এবং এলভেরা জেল মিশিয়ে নিতে পারেন।
- শশাতে থাকা ব্লিচিং প্রপার্টিজ ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করে ত্বক উজ্জ্বল এবং স্কিন টোন সমান করে। বাইরে থেকে এসে মুখ ধুয়ে শশার রস লাগান। এটি সান বার্ন দূর করবে।
- একটি শশা ব্লেন্ডারে ভালো মতো ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরী করে ২ চামচ লেবুর রস এবং ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে মুখে এবং ঘাড়ে লাগান। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বকের রুক্ষভাব দূর করে চেহারা উজ্জ্বল করে।
- শশার ৯৫% উপাদানই হচ্ছে পানি। এর ফলে শশা খাওয়ার মাধ্যমে ত্বক হাইড্রেটেড এবং ময়েশ্চারাইজড থাকে। শশার বিচিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই এবং পটাশিয়াম যা ফাইন লাইন্স, রিংকেল সহ বার্ধক্যের বিভিন্ন ছাপ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল এবং যৌবনদ্বীপ্ত রাখে।
- ডার্ক সার্কেল কমাতে শশা বেশ কার্যকর। শশাতে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট এবং সিলিকা চোখের ডার্ক সার্কেল কমিয়ে চোখের চারপাশের স্কিন ভালো রাখে। শশা স্লাইস করে কেটে অথবা তুলার মধ্যে শশার রস লাগিয়ে তুলা চোখের উপর ২০ মিনিট রাখুন। নিয়মিত ব্যবহারে ডার্ক সার্কেল কমবে। এছাড়াও শশাতে থাকা এসকরবিক এসিড এবং ক্যাফেইক এসিড চোখের ফোলাভাব দূর করতেও বেশ কার্যকরী।
- তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে কাঁচা হলুদ, লেবুর রস এবং শশা পেস্ট একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরী করুন। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে গেলে মুখ ভালো মত ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি স্কিনের অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে।
- শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে ১ চা চামচ ওটমিল এবং পরিমাণ মত শশা পেস্ট একসাথে মিশিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে দিন। মুখে এবং ঘাড়ে মিশ্রণটি ভালো মত মেখে ২০ মিনিট রাখুন। চাইলে এর সাথে মধুও যোগ করতে পারেন। মধু ত্বক ময়েশ্চারাইজড রাখবে।
- বয়সের ছাপ লুকাতে ২ টেবিল চামচ টক দই, আধা চামচ মধু এবং লেবুর রসের সাথে ২ চামচ গ্রেট করা শশা এবং ২ টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল ভালো মতো মেশান। এবার এটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ফাইন লাইন্স, রিংকেল দূর করে ত্বক টানটান এবং সুন্দর করে।
- শশাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সিলিকা যা নখ শক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। তাই নিয়মিত শশা খাওয়ার মাধ্যমে নখ ভাঙ্গা কমে গিয়ে নখ শক্ত হয়।
- ব্রনের সমস্যা দূর করতে ২ চা চামচ শশার রসের সাথে গোলাপ জল এবং মুলতানি মাটি মিশিয়ে প্যাক তৈরী করুন। এটি মুখে ভালো মতো লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ব্রন কমে যাবে।
- চুলের বৃদ্ধিতে শশার ভুমিকা অতুলনীয়। সালফার সোডিয়াম, সিলিকন, ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম এই সবগুলো উপাদানই শশাতে রয়েছে যেগুলো চুলের বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় কিছু নিউট্রিয়েনটস। এছাড়াও এটি চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে। শশা, টমেটো ইত্যাদি ব্লেন্ডারে মিক্স করে জুস বানিয়ে খেতে পারেন।
- একটি শশার খোসা ছাড়িয়ে শুধু খোসা ব্লেন্ডারে পেস্ট করে নিন। এবার একটি ডিমের মধ্যে ৩ চা চামচ অলিভ অয়েল প্রথমে ভালো মত মিশিয়ে এরপর এর সাথে শশার খোসা পেস্ট মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন। এরপর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি চুলের গোড়া মজবুত করে চুল স্বাস্থ্যজ্জল করে তোলে।
[caption id="" align="aligncenter" width="400"]
শশার শরবত[/caption]
শশার শরবত:
উপাদান:
**১ টি ছোট শসা
**ধনে পাতা - দুটি শাখা পরিমান
**১ আপেল, বিচি ও ছাল ফেলা অবস্থায়
**কিছু আদা বাটা
**১/২ লেবুর রস
**মধু / ম্যাপেল সিরাপ
**১ কাপ পানি
**কাঁচা মৌমাছি পরাগ(ফুলের রেনু) ঐচ্ছিক
নির্দেশনা
আংশিক শশা (ছুলা প্রায় 60% অপসারণ) ছুলা.
প্রি় (মৌমাছি পরাগ ছাড়া রেনু) মিশ্রণকারী সব উপাদানগুলো
পছন্দসই সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মিশান.
স্বাদ গ্রহণ এবং প্রয়োজনে আরো মধু/ ম্যাপেল সিরাপ যোগ করুন.
শেষে, উপরে মৌমাছি পরাগ ছিটিয়ে এবং পরিবেশন করুন.
শশার শরবত[/caption]
শশার শরবত:
উপাদান:
**১ টি ছোট শসা
**ধনে পাতা - দুটি শাখা পরিমান
**১ আপেল, বিচি ও ছাল ফেলা অবস্থায়
**কিছু আদা বাটা
**১/২ লেবুর রস
**মধু / ম্যাপেল সিরাপ
**১ কাপ পানি
**কাঁচা মৌমাছি পরাগ(ফুলের রেনু) ঐচ্ছিক
নির্দেশনা
আংশিক শশা (ছুলা প্রায় 60% অপসারণ) ছুলা.
প্রি় (মৌমাছি পরাগ ছাড়া রেনু) মিশ্রণকারী সব উপাদানগুলো
পছন্দসই সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মিশান.
স্বাদ গ্রহণ এবং প্রয়োজনে আরো মধু/ ম্যাপেল সিরাপ যোগ করুন.
শেষে, উপরে মৌমাছি পরাগ ছিটিয়ে এবং পরিবেশন করুন.
1 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
গোলামে মাদানী আক্বা