শহরে ঈশ্বর

নাগরিক জীবনের প্রয়োজনেই শহর
এ শহর তীল তীল করে গড়েছে মানুষ
যেখানে সুন্দর পরিবেশ রাখার বিধান।
এখন সেখানে ছুটছে গতিয়ের অক্টোপাশ-
চৌম্বক থাবায় খামছে ধরে আছে শহরে ঈশ্বর-
হা করা তিমির অবিকল গ্রাসাচ্ছাদন ।
(যাকে তুমি দেখ প্রিয়)
শকুন চোখের তির্জক আগ্রাসী বাজ-দৃষ্টি মেলে দেখে
কলজেটার দাম বাড়ায় এ্যাইট মিলিয়ন....
ঈশ্বর এখন টাকার কুমির…হ্ত্যার হাঙ্গর
নির্যাতনের ছোঁ মারা ঈগল, লুটপাটে দিগম্বর হনুমান।
হায় প্রভূ! শহরে ঈশ্বর সাজে নামীদামী ফেরাহ
কাউকে যাতাকলে পিষে ভর্তা বাটে-
তৈরি করে মারনান্ত্র- তেঁতুল শাশন
কারো হাতে থাকে বিচারের মহা অঘ
কেউ অন্ধকারে সারেন নিষ্কাম…কেউ বাজান সাইরেন।
শহরে ঈশ্বর বড়ই শয়তানী কাজ তার
গুম-হত্যা-নির্যাতন সন্ত্রাস চালনায় সিক্ত হস্ত
পোকা মাকরের নেশা মত্ত সুখের বাতাস নেন
(তোমাকেই অস্বীকার করে)
ইচ্ছেদিন প্রয়োজন মেটাতে সচেষ্ট…বাঁচাতে স্বপ্রাণ
তারা নন্দিত হন… ক্ষমতার নগ্ন দর্প দাগে
পড়ে থাকে কেবল মৃত্যুর কালো ছাপ।
এই সকল ঈশ্বর চারপার্শ্ব নিয়ন্ত্রণ-
(এরা একক নহেন প্রিয়)বহু
দিকে দিকে নাগীনি ছোঁবলে মৃত্যূর হালখাতা।
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।