সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

বিভাগবিহীন

শিক্ষা

বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তককে কি শিখানো হচ্ছে ? ধর্ম কি কুসংস্কার ও ভণ্ডামী ?বিষাক্ত ধর্মবিদ্বেষ আমাদের পাঠ্যবইয়ে ঢুকে বসে আছে, দেখুন..,বাংলা জাতীয় ভাষা।(ডিগ্রী পাস কোর্স, ২য় বর্ষ)অধ্যায়ের নামঃ সংস্কৃতির কথা-মোতাহের হোসেন চৌধুরী।,'ধর্ম' কোটেশনে কি লিখেছে দেখুন, ধর্ম বলতে আমরা বিভিন্ন আধ্যাত্মিক মতবাদকে বুঝে থাকি। এ সকলমতবাদ সাধারণ মানুষের অন্ধের মতো বিশ্বাস করে। প্রাবন্ধিক মনে করেন ধর্ম মানে জীবনের নিয়ন্ত্রণ। ধর্ম ইন্দ্রিয় সাধনার পরিপন্থী। ধর্মের মধ্যে বৈরাগ্যের বীজ উপ্ত রয়েছে। ধর্ম চায়মানুষকে পাপ থেকে পতন থেকে রক্ষা করতে- মানুষকে বিকশিত করতে নয় । জীবনের গোলাপ ফোটানোর দিকেতার নজর নেই, বৃক্ষটিকে নিষ্কন্টক রাখাই তার উদ্দেশ্য ।,ধর্মের কাজঃ ধর্ম মানুষের জীবনকে নিয়ন্ত্রীত করে। ধর্ম মানুষকে স্বর্গের লোভ দেখিয়ে বশীভূত করে। ধার্মিক মানুষ আল্লাহকে স্বরণ করে ইহলোকে মজাসে জীবনযাপন করার জন্য আর পরকালে দোজখের আজাব থেকে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে। মানুষ ধর্ম পালন করে স্বর্গের একটা প্রথম শ্রেণিরন সিট রিজার্ভ করার আগ্রহে, অন্য কোন মহৎ উদ্দেশ্যে নয়। ধর্মের প্রভাবে মানুষের মনে ইহকাল ও পরকাল সম্পর্কে একটা ইতর লোভ ক্রিয়াশীল থাকে। ধর্মের কাজ মানুষকে পাপ থেকে, পতন থেকে রক্ষা করা; মানুষকে বিকশিত করা ধর্মের কাজ নয়।,সংস্কৃতি ও ধর্মের পার্থক্যঃ সংস্কৃতি ও ধর্মের পার্থক্য অত্যন্ত সুস্পষ্ট। ধর্ম সাধারণ লোকের সংস্কৃতি আর সংস্কৃতি বিবেকবান মানুষের ধর্ম। সংস্কৃতি মানে উন্নততর জীবন সম্বন্ধে চেতনা- সৌন্দর্য, আনন্দ ও প্রেম সম্বন্ধে অবহিতি; ধর্ম মানে জীবনের নিয়ন্ত্রণ। সংস্কৃতি মানুষকে উদার করে, ধর্ম মানুষকে পঙ্গু করে। সংস্কৃতি মানুষকে সুন্দরভাবে বাঁচতে শেখায়, আর ধর্ম মানুষকে আপ্ন অনুশ্বাসন দ্বারা গৃহকোণে রুদ্ধ করে রাখে। সংস্কৃতিবান মানুষ তার কৃতকর্মের ফল পায় হাতে হাতে, আর ধার্মিক ব্যক্তি তার কৃতকর্মের ফলের জন্য মৃত্যুর পর অপেক্ষাকরে। সংস্কৃতিবান ব্যক্তি তার নিজের স্বর্গ নিজেই মর্ত্যের মাটিতে তৈরি করে, আর ধার্মিক ব্যক্তির স্বর্গ তৈরি করে ধর্ম প্রবর্তকেরা। ধর্ম ইন্দ্রিয় সাধনার পরিপন্থী, আর ইন্দ্রিয়ের পঞ্চপ্রদীপ জ্বেলে জীবন সাধনারই অপর নাম সংস্কৃতি।,শিক্ষার নামে এসব কি ঢোকানো হচ্ছে মানুষের মগজে? উপরে ধর্মের পানি ঢেলে শিক্ষায় নাস্তিকতা ঢুকিয়ে ধর্মের গোড়া কাটা হচ্ছে।আশ্চর্য!কোন গরু-গাধারা যে এইসব বই সম্পাদনা করে আল্লাহ মালুম।মাঝে মাঝে শিক্ষাব্যবস্থারএই করুণ অবস্থা বেশ ভাবিয়ে তুলে।,বিঃ দ্রঃ লেখকের লেখার যে মান,তার থেকে গড়পড়তা ফেসবুকারের স্ট

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।