অনন্তকালব্যাপী পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের লক্ষ্যে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুপম আদর্শ মুবারক আলোচনা ও অনুসরণ:
জ্বালানি তেলের দাম কমলেও কমছে না গণপরিবহনের ভাড়া।
বিপিসি’র কমানো মুনাফার ৪ হাজার ১০০ কোটি টাকা যাবে বিত্তবানদের পকেটে।
সাধারণ মানুষের স্বার্থে সরকার নিষ্ক্রিয়।
*******************************************************************************
সব ছানা-ছিফত খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; এমন ছানা-ছিফত যাতে তিনি সন্তুষ্ট হন। অপরিসীম, অকৃত্রিম, অগণিত পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি; এমন পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক, যা তিনি পছন্দ করেন।
জ্বালানি তেলের দাম কমলেও এখন পর্যন্ত গণপরিবহনের ভাড়া কমানো হয়নি। গত রোববার মধ্যরাত থেকে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমানো হয়। কিন্তু বাস ভাড়ায় এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি। আগের যে ভাড়া ছিলো সেই ভাড়াতেই চলছে রাজধানীর গণপরিবহন। এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল বা বাস মালিকদের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্তও আসেনি।
উল্লেখ্য, সরকার ডিজেলের দাম লিটারে ৩ টাকা কমিয়েছে। সে হিসাবে বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৩ পয়সা কমার কথা; কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়ায় উল্টো পরিবহনে ভাড়া বাড়াতে চাপ দিচ্ছে মালিকরা। কাগজ-কলমে রাজধানীর গণপরিবহন গ্যাসচালিত; তাই তেলের দাম যতই কমানো হোক, রাজধানীতে বাস ভাড়া কমার সম্ভাবনা তেমন নেই। প্রতিবার তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির তোড়জোড় শুরু হয়। তেলের দাম এক টাকা বাড়লে পরিবহন মালিকরা সঙ্গে সঙ্গে ভাড়া বাড়ায়। কিন্তু দাম কমলে ভাড়া কমানো হয় না। তখন তারা পরিচালনা ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাত তোলে। যন্ত্রাংশের দাম বৃদ্ধির কথা বলে। সে সময় সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি টাকা আদায় করা হয়।
গত দুই দশকে ১৪বার বাড়ানো হয়েছে বাসের ভাড়া। ১৯৯৫ সালে ডিজেলচালিত বাসের ভাড়া ছিল প্রতি কিলোমিটারে ৩৬ পয়সা। ১৪বারের মধ্যে ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ভাড়া বেড়েছে আটবার। গ্যাসের দাম বাড়ায় গত ৮ বছরে পাঁচবার বেড়েছে নগর গণপরিবহনের ভাড়া।
ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে দূরপাল্লার বাসের ভাড়া বাড়ানো হয়। বর্তমানে ৫১ আসনের বাসের কিলোমিটার হিসাবে ভাড়া ১ টাকা ৪৫ পয়সা। গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেলে ২০১৫ সালের অক্টোবরে বাড়ানো হয় ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী পাঁচ জেলা এবং চট্টগ্রাম মহানগরে চলাচলকারী সিএনজিচালিত বাসের ভাড়া। বর্তমানে নগর পরিবহনে বাসের ভাড়া কিলোমিটারে ১ টাকা ৭০ পয়সা এবং মিনিবাসে ১ টাকা ৬০ পয়সা।
উল্লেখ্য, সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেছিলো, জ্বালানি তেলের দাম কমলে পরিবহন ভাড়ার সাথে সমন্বয় করা হবে। তাই জ্বালানি তেলের দাম কমানোয় সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিলো ভাড়া কমবে। কিন্তু বাস ভাড়া কমাতে নারাজ বাস মালিকরা।
বাস মালিকদের কণ্ঠে কণ্ঠ মিলাচ্ছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। রাজধানীর অর্ধেকেরও বেশি বাস ডিজেলচালিত হলেও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সভার কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে- ডিজেলের দাম লিটারে মাত্র ৩ টাকা কমায় গণপরিবহনের ভাড়া কমছে না।
দেখা যাচ্ছে, জ্বালানি তেলের দাম কমানোর সুফল পুরোটাই যাবে উচ্চবিত্ত ও উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেণী, বিশেষ করে পরিবহন মালিক ও সেচ পাম্প মালিকদের পকেটে। জ্বালানি তেলের দাম কমানোর সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর বিষয়ে সরকারের কঠোর অবস্থান না থাকা এবং যথাযথ নীতি ও কাঠামোর অভাবে এমন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অথচ জ্বালানি তেলের দাম কমানোয় সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) বছরে মুনাফা কম হবে ৪ হাজার ১০০ কোটি টাকা। এই পুরো টাকাটাই লাভের গুড় হিসেবে যাবে বিত্তবানদের পকেটে। সাধারণ মানুষের স্বার্থে জ্বালানি তেলের দাম কমানো হয়েছে বলে সরকার দাবি করলেও কার্যতঃ সাধারণ মানুষ আদৌ এর সুফল পাবে না।
উল্লেখ্য, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ডিজেলের দাম কমায় বাস ভাড়া কমানো হয়েছিল। তাহলে এবারো যখন তেলের দাম কমানো হলো তখন স্বাভাবিকভাবেই বাস ভাড়া কমানো উচিত। তাছাড়া জ্বালানি তেলের দাম কমলে পরিবহন ভাড়ার সাথে সমন্বয় করার সিদ্ধান্তও রয়েছে। তাই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সাথে সাথে যে হারে ভাড়া বেড়েছে একই হারে তা কমানো উচিত। পাশাপাশি জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোর সুফল যাতে সাধারণ মানুষ পায় এজন্য বিশেষ নজর দিতে হবে।
মূলত, এসব অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অনন্তকালব্যাপী পালন করার ইলম ও জজবা থেকে। আর তার জন্য চাই নেক ছোহবত তথা মুবারক ফয়েয-তাওয়াজ্জুহ।
যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারকেই কেবলমাত্র সে মহান ও অমূল্য নিয়ামত হাছিল সম্ভব। আর ইতিহাসে তিনিই সর্বপ্রথম দিচ্ছেন অনন্তকালব্যাপী পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার মহামহিম নিয়ামত মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।