সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

বিভাগবিহীন

সম্পাদকীয়।

অনন্তকালব্যাপী পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের লক্ষ্যে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুপম আদর্শ মুবারক আলোচনা ও অনুসরণ : বিদেশী মদদপুষ্ট এনজিও’দের পৃষ্ঠপোষকতায় হিজড়ারা ভয়াবহ চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, শিশু অপহরণ, ছিনতাই, পতিতা বাণিজ্যসহ দেশে এইডস জীবাণু ছড়াতে লিপ্ত। এদের দমনে আলাদা পুলিশ ইউনিটসহ সত্বর সক্রিয় ব্যবস্থা নেয়া জরুরী।
সব ছানা-ছিফত খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। এমন ছানা-ছিফত যাতে তিনি সন্তুষ্ট হন। অপরিসীম, অকৃত্রিম, অগণিত পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। এমন দুরূদ ও সালাম মুবারক যা তিনি পছন্দ করেন। ভয়াবহভাবে বাড়ছে হিজরাদের সন্ত্রাস। চাঁদাবাজিতে তারা এখন কথিত মাস্তানদেরও ছাড়িয়ে গেছে। শীর্ষ সন্ত্রাসীরা সাধারণত ধন্যাঢ্য ব্যক্তিদের টার্গেট করে। কিন্তু হিজড়ারা শুধু ধনী নয়; মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত- এমনকি ক্ষুদে দোকানদার থেকে পথচারীদেরও জিম্মি করে চাঁদাবাজি করছে। হিজড়াদের সন্ত্রাসীপানা তথা চাঁদাবাজির কারণে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। বিদেশী মদদপুষ্ট এক শ্রেণীর এনজিওদের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশব্যাপী এদের অপতৎপরতা বিস্তার লাভ করেছে। সম্প্রতি বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেন এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে হিজড়াদের ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। হিজড়ারা চাঁদাবাজি করলেও নীরব দর্শকের ভূমিকায় থাকে পুলিশ। হিজড়ারা বাস-ট্রেন যাত্রীদের কাছে প্রথমে সাহায্যের হাত বাড়ায়। কেউ টাকা দিতে অপারগতা জানালে তাদের দিকে বিভিন্ন ধরনের অঙ্গভঙ্গি করতে থাকে। মেয়ে হিজড়ারা ছেলেদের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়ার চেষ্টা করলে সম্মান বাঁচাতে অনেকেই চাহিদা অনুযায়ী একশত থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত পরিশোধ করেন। ছেলে হিজড়ারা একইভাবে মেয়েদের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আগে থেকেই তারা বিভিন্ন অঙ্কের টাকা হিজড়াদের হাতে তুলে দেয়। এভাবে তারা ট্রেনের প্রতিটা বগিতেই অবাধে টাকা তুলতে থাকে। হিজরাদের চাঁদাবাজির একটি অংশ জিআরপি থানা পুলিশকে দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তারা হিজরাদের অত্যাচার দেখেও না দেখার ভান করে। হিজড়ারা শুধু চাঁদাবাজিই নয়, মাদক ব্যবসা, শিশু অপহরণ, সম্ভ্রমহরণ, ছিনতাই, অস্ত্র ব্যবসা, পতিতা বাণিজ্য খুন-খারাবিসহ রাতের আঁধারে বিভিন্ন পার্কে অপরাধমূলক কর্মকা- চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি হিজড়া সর্দাররা নিরীহ লোকজনদেরও জোড়পূর্বক লিঙ্গ পরিবর্তন করে হিজড়া পেশায় বাধ্য করছে। হিজড়া বানানোর ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেটের খপ্পরে পড়ে এমন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে অনেকের জীবন। রাজধানী এবং এর আশপাশে বিভিন্ন ক্লিনিকে পুরুষের গোপনাঙ্গ কেটে বানানো হচ্ছে হিজড়া। এর মাধ্যমে হিজড়া সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। হিজড়া বানাতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দালালের মাধ্যমে পুরুষদের ক্লিনিকে আনা হয়। অনেক সময় তাদের চাকরি দেয়ার কথা বলা হয়। ধামরাই, উত্তরা, খুলনার ফুলতলায় এই ধরনের ক্লিনিক রয়েছে। আবার অনেকক্ষেত্রে ভারতে নিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে হিজড়ায় রূপান্তরিত করা হয়। উল্লেখ্য, হিজড়াদের এসব অনৈতিক কাজে পৃষ্ঠপোষকতা করছে বেশ কিছু এনজিও। দেশের বিভিন্ন জেলার হিজড়া এবং সমকামীদের সামাজিক স্বীকৃতি ও অধিকার আদায়ের বুলি আওড়িয়ে অবৈধ কামাচারের পরিবেশ তৈরি করে একে বাণিজ্যিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে একধরনের ভয়ঙ্কর মিশন নিয়ে নেমেছে বেশ কয়েকটি এনজিও। এসব এনজিওদের চাপে সরকার সম্প্রতি হিজড়াদের তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। এসব এনজিওগুলো হিজড়া এবং সমকামীদের যৌন চাহিদাকে উৎসাহিত করে তাদের মাঝে অবৈধ যৌনকর্ম সহায়ক উপকরণ সামগ্রী বিনামূল্যে সরবরাহ করে থাকে। এতে বিকৃত রুচির হিজরারা আরোও বেশি অপরাধ প্রবণ হচ্ছে। ‘বন্ধু ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ খওএঐঞ ঐঙটঝঊ, ওঈউউজ-ই, ঝটঈঐ, খওঋঊ, ইঙণঝ, ঙউচটচ নামের এনজিওগুলো হিজড়া ও সমকামীদের মাধ্যমে বিকৃতরুচির যৌনকর্ম সমাজে ছড়ানোর জন্য ভিতরে ভিতরে ব্যাপক কাজ করছে। পাশাপাশি হিজরাদের মাধ্যমে তারা এইডস ছড়ানোর কাজে লিপ্ত রয়েছে। প্রসঙ্গত, হিজড়ারা এক ধরনের প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাদের প্রতি আমাদের দুর্বলতা বা করুণা রয়েছে। কিন্তু সে করুণাকে পুঁজি করে তারা আমাদেরকে জিম্মি করে নানা অনৈতিক এমনকি অমানবিক তৎপরতা চালাচ্ছে। যা এখন ভয়াবহ ও প্রকট হয়েছে। অবস্থা এমন যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচিত- গার্মেন্টস পুলিশের মতো এখন হিজড়াদের দমনেও আলাদা পুলিশ বাহিনী করা। পাশাপাশি যেসব এনজিও নেপথ্যে হিজড়াদের লালন করছে তাদের অবিলম্বে নিষিদ্ধ করে শক্ত শাস্তির আওতায় আনা। এক্ষেত্রে সরকারের সমাজ কল্যাণে সক্রিয়তা কাম্য। তাদের উদাসীনতা কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়। সর্বোপরি সরকারের নির্বাহী ব্যক্তিত্বের উচিত হিজড়াদের বিষয়ে সতর্ক ও সক্রিয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সত্বর নির্দেশ দেয়া। এ ভয়ঙ্কর দিকটির প্রতি সরকারের নিষ্ক্রিয়তা ও গাফলতি গোটা দেশের জন্য ভয়াবহ নৈরাজ্য ডেকে আনবে। এক্ষেত্রে এক মুহূর্ত বিলম্বও বরদাস্তযোগ্য নয়। মূলত, এসব অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র ঈমান ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের অনুভূতি ও প্রজ্ঞা থেকে। আর তার জন্য চাই নেক ছোহবত তথা মুবারক ফয়েজ, তাওয়াজ্জুহ। যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারকেই কেবলমাত্র সে মহান ও অমূল্য নিয়ামত হাছিল সম্ভব। আর ইতিহাসে তিনিই সর্বপ্রথম দিচ্ছেন অনন্তকালব্যাপী পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মহামহিম নিয়ামত মুবারক। সুবহানাল্লাহ! খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।