সম-অধিকার

বর্তমানে আমাদের সমাজে স্লোগান তুলেছে সম-অধিকারের। প্রকৃত পক্ষে সম-অধিকার কি মানুষ এটাই বুঝে না। প্রত্যেকের নিজস্ব কর্মক্ষেত্রে স্বাধীন বা অবৈধ হস্তক্ষেপ মুক্ত থেকে কাজ করার অধিকারই সম অধিকার। যেমনঃ পুরুষরা অর্থ উপার্জনের জন্যে চাকুরি বা ব্যবসা বাণিজ্য করবে অর্থাৎ ঘরের বাহিরে কাজ গুলো করবে আর মেয়েরা সংসার দেখাশুনা করবে এটাই সম-অধিকার, এর বিপরীত করলে সম-অধিকার ক্ষুণ্ণ হবে।বুঝার জন্য আরও একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি বুঝতে সহজ হবে, তা হচ্ছে হাতির জন্য যতটুকু খাবার প্রয়োজন হাতিকে ততটুকুই দিতে হবে আবার পিঁপড়ার জন্য যতটুকু খাবারের প্রয়োজন পিঁপড়াকে ঠিক ততটুকুই খাবার খেতে দিতে হবে। এটাই তাদের জন্য সম-অধিকার। এখন কেও যদি হাতির খাবার পিপড়াকে খেতে দেয় তবে এই খাবার যেমন পিপড়ার পক্ষে খাওয়া কম্মিন কালেও সম্ভব নয় আবার পিপড়ার খাবার হাতিকে খেতে দিলে ঐ খাবার খেয়ে হাতির পক্ষে বেঁচে থাকাও কোন দিন সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে উভয়কেই তাদের উভয়ের প্রাপ্য খাবার না দেওয়াই সম-অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়ার কারণ।
বর্তমানে মহিলা ও পূরুষদের জমি বন্টনের ক্ষেত্রে কুরআন শরীফে বলা হয়েছে পুরুষরা পাবে সম্পত্তির দুইভাগ আর মেয়েরা পাবে একভাগ। আর কিছু সীমিত জ্ঞানের মানুষরা এ সম-অধিকার কে পরিবর্তন করে নারী ও পুরুষদের উত্তরাধিকার সুত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি পুরুষ ও মাহিলাদের সমান ভাবে বন্টনের জন্য নানা প্রকার কুট কৌশল অবলম্বন করছে। যা কুরআন শরীফ ও হাদীস শরীফের সম্পূর্ণ বিপরীত, মনগড়া ও ইহুদী, নাসারা, মুসরিক দের মনঃপূত সিদ্ধান্ত যা ৯৭ ভাগ মুসলমানের বাংলাদেশে কেও মেনে নিবেনা। মুষ্টিমেয় কিছু লোকের ইচ্ছায় একটি জাতি পরিচালিত হতে পারেনা।
এই সিদ্ধান্ত হতে সরকার ও যারা জড়িত তাদের অবশ্যই সরে আসতে হবে। নয়ত এর কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য সকল প্রকার দায় ভার তাদেরই নিতে হবে। আপনাদের কি মনেহয় বেপর্দা বেহায়া নারীবাদিরা আদৌ ৯৭ ভাগ মুসলীম জনতার প্রতিনিধিত্ব করে? না কখনো নয়। তারা কেউ স্বামী পরিত্যক্তা বা নামে মুসলমান ও বিধর্মী স্বামীর সাথে লিভ টুগেদারে ব্যস্ত। যাদের ঘরের কাজের মেয়ে জুলুমের শিকার হয়।
5 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
উদীয়মান সূর্য
সরলমত
পূরুষ ও গর্ভধারন করতে চায় তাহলে এ অধিকার কিভাবে পাওয়া যাবে?
বাংলা ব্লগ
আর্তনাদ
সম অধিকার চাও?
বলো তো তোমার
উঠেনা কেন দাড়িঁ?
****নাঈম দুর্জয়****