[বিঃ দ্রঃ ইসলামের সাথে বিজ্ঞান সম্পর্কিত বিষয়গুলো বিজ্ঞান দ্বারা ইসলাম কে প্রমান করার জন্য নয়, বিজ্ঞান যে ইসলাম এর অধীন সেটা প্রমান এর জন্য দেয়া হয় হচ্ছে হবে] সিজদা দিন
আমাদের দেহের আকর্ষন শক্তি বিভিন্ন ভাবে শুষতে থাকে ইলেক্ট্রোম্যাগ্নেটিক রশ্মি। যেমন, সেল ফোন, কম্পিউটার, আইপড এধরনের ইলেক্ট্রনিক জিনিস-পত্র আমাদের অনেক কাছাকাছি থাকে যে সব বর্জন করা আমাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। কিন্তু আমরা এসব যন্ত্র থেকে নির্গত ইলেক্ট্রোম্যাগ্নেটিক রশ্মি দ্বারা রীতিমত চার্জ হতে থাকি। অতিরিক্ত রশ্মি শরীরে ক্ষতি করতে থাকে, এজন্য মাথা, চোখ, কান ব্যাথা করে, শরীরে অসাড়তা কাজ করে, দেহ দ্রুত অবসন্ন হয়ে পরে। কিন্তু এটার চিকিতসা কি?
বিশ্ময়কর ও চমতকার পদ্ধতি বের করেছে ইউরপিয়ান একজন বিজ্ঞানী। সে তার গবেষনায় উল্লেখ করে,- মাথা হেট করে মাটিতে ছুইয়ে দিলে মাটি শরীর থেকে ইলেক্ট্রোম্যাগ্নেটিক রশ্মিগুলো শুষে নিতে থাকে, এটি একবারের চেয়ে দুইবার বেশী উপকারী। তবে আরো ভাল ফল পাওয়া যাবে যদি পৃথিবীর মধ্যবর্তী স্থানে করা যায়।
সুতরাং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত পৃথিবির মধ্যবর্তী স্থান কাবা শরীফে শুকরিয়া স্বরুপ দুটি সিজদা দিন কারন আল্লাহ তায়ালা ইসলামেই সব ভাল জিনিস গুলো রেখেছেন।
[বিঃ দ্রঃ ইসলামের সাথে বিজ্ঞান সম্পর্কিত বিষয়গুলো বিজ্ঞান দ্বারা ইসলাম কে প্রমান করার জন্য নয়, বিজ্ঞান যে ইসলাম এর অধীন সেটা প্রমান এর জন্য দেয়া হয় হচ্ছে হবে]
[বিঃ দ্রঃ ইসলামের সাথে বিজ্ঞান সম্পর্কিত বিষয়গুলো বিজ্ঞান দ্বারা ইসলাম কে প্রমান করার জন্য নয়, বিজ্ঞান যে ইসলাম এর অধীন সেটা প্রমান এর জন্য দেয়া হয় হচ্ছে হবে] 11 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
আজব
কনভার্টার
তবে বিজ্ঝান যাই করুক আল্লাহ পাক উনার কুদরত অবশ্যই সত্য।
কনভার্টার
বিষ ফোড়ন
আজব
বিষ ফোড়ন
74H1D
74H1D
বিষ ফোড়ন
আপনাকে ধন্যবাদের সাগরে ডুবাইতে ইচ্ছা করতেছে
বিষ ফোড়ন
tai.nakiii