হিন্দু

সিলেটের সমস্ত ঈমানদার মুসলমানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিষেশ করে ফুলতলি সিলসিলার সমস্ত নেতৃত্বাধীন ভাইদের।সম্প্রতি বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টে হিন্দু প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বে আপীল বিভাগ ঘোষণাদিয়েছে সিলেটের জালালাবাদ এলাকায় অবস্থিত ৬ তলা বিশাল রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ পাশ্ববর্তী মসজিদ ভেঙ্গে ফেলতে হবে এবং সে সব সম্পদ হিন্দুদের বুঝিয়ে দিতে হবে। শুধু তাই নয় সেখানে ১ মাসের মধ্যে স্থাপন করতে হবে দেবীমূর্তি ! সম্প্রতি বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্ট এক রায়ে এমনই বিতর্কিত সিন্ধান্ত নিয়েছে। উল্লেখ্য কথিত দেবত্তোর সম্পত্তির অজুহাতে বাংলাদেশের মুসলমানদের জমিজমা দখল এখন হিন্দুদের নতুন চক্রান্তে শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিহাস বলে বাংলা জমি জমার অধিকাংশের মালিক ছিলোমুসলমানরা। কিন্তু চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে মুসলমানদের জায়গা জমির উপর দখল প্রতিষ্ঠা সময়কার মুসলমানদের অধিনে চাকুরী করা পিয়ন-দারোয়ান হিন্দুরাই। সম্প্রতি বাংলাদেশেও হিন্দুুদের একই কার্যক্রম পরিলক্ষিত হচ্ছে। তারা বিভিন্ন লবিং করে হিন্দু ঘেষা প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে ফের মুসলমানদের জমিজমা দখলের পায়তারা করছে।’৪৭ দেশভাগের শর্ত অনুযায়ী বাংলাদেশের ছোট্ট ভূমি শুধুইমুসলমানদের ছিলো, হিন্দুদের দেয়া হয়েছিলো বিশাল ভারত। অথচ এখন নতুন করে হিন্দুরা দেশভাগের পুরাতন জমি- জমা দাবি করে চলছে। অথচ ভারতেওমুসলমানরা অনেক জমিজমা ফেলে এসেছে। সেগুলো কিন্তু মুসলমানদের ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে না, অথচবাংলাদেশে হিন্দুরা মুসলমানদের স্থাপনা ভেঙ্গেই চলেছে।উল্লেখ্য রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের হাসপাতালের মাধ্যমে একদিকে যেমন ঢাকার বাইরেওশিক্ষার্থীরা ডাক্তারি পড়ার সুবিধা পাচ্ছে, অন্যদিকে এ হাসাপাতালে অনেক গরীর রোগি স্বল্পমূলে চিকিৎসানিচ্ছে। কিন্তু সে সব মানবিক কার্যগুলো বাদ দিয়ে কেন সুপ্রীম কোর্টের কাছে দেবতার মূর্তি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলো তা বুঝে আসছে না। আরো উল্লেখ্য, ভারতেও বিভিন্ন মন্দিরের অজুহাত দিয়ে মুসলমানদের বিভিন্ন স্থাপনা দখল চলে আসছে। বাবরী মসজিদ তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। সম্প্রতি তাজমহলকেও হিন্দুরা মন্দিরবলে দাবি করেছে, এবং ভেঙ্গে ফেলতে চাইছে। আরো উল্লেখ্য, ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের তিরুপাতিতে আল হেরা ইসলামীক ইউনিভার্সিটি নামক একটি বহুতল বিশ্ববিদ্যালয় ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে ভারতের হাইকোর্ট । বাংলাদেশের মুসলমানরা এতদিন হিন্দুদের দয়ার আদরে রেখেছিলো, ভেবেছিলো- হিন্দুরা নিরীহ, তারা কি করবে ?। কিন্তু ঐ আশ্রয়প্রার্থী হিন্দুই কিন্তু ওত পেতে আছে মুসলমানদের গলায় ছুরি চালানোর জন্য। মুসলমানরা হয়ত বিষয়টি বুঝতে পারছে না। তবে হয়ত এক সময় বুঝবে, কিন্তু কথায় বলে- “সময়ের এক ফোড়, অসময়ের দশ ফোড়।” যখন বুঝবে তখন হয়ত হাজার বুঝেও কাজ হবে না।প্রয়োজনীয় লিঙ্ক:১)http://goo.gl/y9cW4O২)http://goo.gl/WDcwMc৩)http://goo.gl/tv1u1l
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।