সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

বিভাগবিহীন

হিন্দু

ঠাকুর ঘরে কে রে, আমি কলা খাই না।হিন্দুদের কাজকর্ম দেখলে ঠিক এই প্রবাদটির কথাই স্মরণ হয়। এরা একেকবার মুসলিম বিরোধী বক্তব্য, কর্মসূচি ঘোষণা করে। যদি দেখে যে মুসলমানরা প্রতিবাদ করছে না, তখন বিষয়টি বাস্তবায়ন করে। আর যদিপ্রতিবাদ করে, তখনই নেংটি ইঁদুরের মতো লেজ গুটিয়ে কুঁইকুঁই করে সমস্ত দায়দায়িত্ব অস্বীকার করে।বাংলাদেশে তো আর সাহস হবে না, তাই নিউইয়র্কের হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদকে দিয়ে হিন্দুরা গরু জবাই নিষিদ্ধ করার দাবি জানালো। সাথে সাথে মুসলমানরা অনলাইনে প্রতিবাদ জানালো। অবস্থা বেগতিক দেখে এখন হিন্দুরা দাবি করছে যে, গরু জবাই নিষিদ্ধ করা ব্যক্তিটির (শ্যামল চক্রবর্তী) সাথে নাকি তাদের কোন সম্পর্কই নেই! অবশ্য পত্রিকার পাতায় তাকে আমেরিকান হিন্দু ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট বলা হয়েছে।অবশ্য এরকম ঘটনা নতুন নয়। কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা একটি মিটিং করেসিদ্ধান্ত দিলো যে, বোরখা পরা মহিলারা এটিএম বুথে প্রবেশ করতে পারবে না। অনলাইনে প্রতিবাদ হলো, সাথে সাথে শুভঙ্কর সাহা গোটা বিষয়টির দায়দায়িত্ব অস্বীকার করলো।আসলে সত্যি বলতে কী, মুসলমানরা যদি একটু প্রতিবাদ করতো, তাহলে আজকে এই কাপুরুষ হিন্দুগুলো একটা কথা বলারও সাহস করতো না। কিন্তু মুসলমানরা তাদের গলার জোর আর এনার্জি সব খরচ করছে ক্রিকেট খেলারপেছনে।হিন্দুদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে একটিভ একটি পেজ রয়েছে, যার নাম আপনারা সবাই জানেন। ঐ পেজের প্রতি পোস্টের লাইক সংখ্যা গড়ে ২০০০ এরও বেশি, অথচ তাতে কয়েকদিন ধরেই পোস্টে লাইক ১০০০ যেতেও বেগ পেতেহচ্ছে। কারণ মুসলমানরা এখন ব্যস্ত রয়েছে টিভি সেটের সামনে। সরকারও এটা বোঝে যে, এদেশের মুসলমানদের ক্রিকেটের আফিম খাইয়ে রাখলেই এদেশকে বিনা বাধায় হিন্দুকরণ করা সম্ভব। এখন অথর্ব মুসলমানরা কবে জাগবে?

1 টি মন্তব্য

  • Volcanic Eruption

    দস্তার রাজদরবার মানে কি ?

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।