র্পযটকদরে জন্য সুখবর! কমলগঞ্জরে গহীন অরণ্যে হামহাম জলপ্রপাতরে সন্ধান লাভ

র্পযটকদরে জন্য সুখবর!
কমলগঞ্জরে গহীন অরণ্যে হামহাম জলপ্রপাতরে সন্ধান লাভ
মৌলভীবাজাররে কমলগঞ্জ উপজলোর কুরমার গহীন অরন্যে লুকয়িে থাকা রোমাঞ্চকর নয়নাভরামি একটি জলপ্রপাতরে সন্ধ্যান পাওয়া গছ।েে সন্ধ্যানকৃত জলপ্রপাতটি নাম হচছে হামহাম। গহীন অরণ্যঘর্রো দুগম পাহাড়ী এলাকায় স্রষ্টার অপূব সৃষ্টি এই জলপ্রপাত ভ্রমন প্রয়র্ িপযটকদরে হাতছানী দয়িে কাছে ডাকছ।ে যোগাযোগ ব্যব¯'ার অভাব আর প্রচারনার কমতি থাকায় বাংলাদশরেে অন্যতম এই জলপ্রপাতটি এখনও রয়ে গছেে লোকচক্ষুর অš-রাল।ে সরকারী উদ্যোগে হামহাম জলপ্রপাতটি পরণতি হয়ে উঠতে পারে আরকে মাধবকুন্ড।ে
মৌলভীবাজর জলো হচছর্ েপযটন সম্ভাবনাময় এলাকা। এখানে রয়ছর্েে পযটকদরে কাছে টানার সব কছু।ি কš'ি এর চয়েে কাছে টানার আকষনীয় ¯'ান রয়ছর্েে দুগম পাহাড়রে ভতর।িে নজি চোখে না দখলেে তা বশ্বাসি হবে না। লোক চক্ষুর আড়ালে ছলর্ িদীঘ দন।ি সইে নয়নাভরামি রোমাঞ্চতি জলপ্রপাত কুরমা হামহাম জলপ্রপাত। ১৩০ ফুট উচচতার এই জলপ্রপাতটতিে কউে জাননেি প্রকৃতি এত সুন্দর করে সাজয়িে রখছনে।েএে যনে আরকে মাধবকুন্ড। এই পাহাড়ী অধবাসিীরা পানি পতনরে স্রোতধ্বনীকে হামহাম বলে তাই এটি হামহাম নামে পরচত।িি কমলগঞ্জ উপজলো সদর থকেে প্রায় ৩০কঃমঃির্ িপূব-দক্ষণিে রাজকান্দি রঞ্জরেে ৭ হাজার ৯৭০ একর আয়তনরে কুরমা বনবটি এলাকার পশ্চমদকিিে চাম্পারায় চা বাগানর্। পূব-দক্ষণিে ভারতরে ত্রপুরিা রাজ্যরে সীমাš-। এই বনবটরেি প্রায় ৮ কঃমঃিি অভ্যš-রে দৃষ্টনন্দনি হামহাম জলপ্রপাতরে অব¯'ান। সখোনে সরাসরি যানবাহন নয়িে পৌঁছার ব্যব¯'া নই।ে কমলগঞ্জ-কুরমা চকপোের্ষ্ট পযš- প্রায় ২৫কঃি পাকা রা¯-ায় ¯'ানীয় বাস, জীপ,মাইক্রোবাস যোগে যতেে পারলওে বাকী ১০ কঃি মঃি পায়ে হঁটেে যতেে হয়। কুরমা চকপোেষ্ট থকেে চাম্পারায় চা বাগার্ন পযš- মাটরি রা¯-া। সখোন থকেে প্রায় ৫ কঃমঃিি দূরে সীমাš- এলাকায় ত্রপুরিা আদবাসিীদরে পল্ল¬ী বন বভাগিরে কুরমা বটরেি অরণ্যঘর্রো দুঘম পাহাড়ী এলাকা তলংবৈাড়ী। অবশ্য সএনজিি যোগে তলংবৈার্ড়ী পযš- পৌঁছা যাব।ে সএনজিি যোগে যতেে হলে নামতে হবে আদমপুর।ে কমলগঞ্জ-আদমপুর বাজার্র পযš- বাস ভাড়া ১০ টাকা। সখোন থকেে ১৫০/২০০টাকা ভাড়ায় সএনজিি যোগে পৌঁছা যায় আদবাসিী ব¯-ি তলংবৈাড়ী কংবাি কলাবন ব¯-ত।িে সখোন থকেে আরও প্রায় ৮ কঃমঃিি পথ পায়ে হঁটেে এগয়িে গলইেে দখো মলবেি প্রত্যাশতি সইে হামহাম জলপ্রপাতর।ে মোটর বাইক নয়িে গলেে প্রায় ৩ কঃমঃিি পায়ে হাঁটা পথ কমে যাব।ে
যভোবইে যান না কনে গহীন অরন্যে প্রবশরর্েে পূবে তলংবৈাড়ী কংবাি কলাবন ব¯-রি আদবাসিীদরে সাহায্য নয়িে প্রায় ৮ কম.র্িি দুঘম পাহাড়রে ভতরি হামহাম জলপ্রপাতে যাওয়া যাব।ে পাহাড়রে আঁকাবাঁকা উঁচু-নচুি পথে ট্রকংিে করা খুবই কঠনি এবং কষ্টর।ে মাঝমধ্যেে সমন্টরিেে ঢালাই করার মতো দখতেে বড় বড় পাথররে খণ্ড খুবই পছল,িে ডান-বোমে তাকালইে ভয় লাগবে মনে মন।ে তাই ট্রকংিে করার সময় সবাইকে একটি করে বাঁশরে লাঠি হাতে নয়িে পাহাড়ী এই পথে খুবই সাবধানে হাঁটতে হব।ে কলাবন পাড়া থকেে হাঁটার সময় কলাগাছগুলো দখলেে মনে হবে কে যনে সুন্দর, সুশৃংখল, সারবদ্ধভিাবে লাগয়িে রখছ।েেে জারুল, চকরািশি কদমরে সারবদ্ধি চারাগুলোর ফাঁকে ফাঁকে হাজারো প্রজাপতি ডানা মলয়েিি উড়ে যাচ্ছে বহুদূর।ে ডুমুর গাছরে শাখা আর বতে বাগানে দখো মলবেি অগুনতি চশমা বানরর।ে চারদকিে গাছগাছাল,ি ও প্রাকৃতকি বাঁশবনে ভরপুর আর ডলু, মুল,ি মরতঙ্গিা,ি কালি ইত্যাদি অদ্ভুত নামরে বভন্নিি প্রজাতরি বাঁশ বাগানরে রাজত্ব আপনাকে দবেে বাড়তি আনন্দ। পাথুরে পাহাড়রে ঝরিি পথে হঁটেে যতেে যতেে সুমধুর পাখরি কলরব আপনার মনকে ভাললাগার অনুভূততিে ভরয়িে দব।েে দূর থকেে শোনা যাবে বপন্নি বনমানুষ, উল্লুক, গবনসিরে ডাক।
কছুদিূর এগয়িে যাওয়ার পর দু’চোখরে সামনে ভষেে উঠবে পাহাড় থকেে ধাঁয়োর মতো ঘন কুয়াশা ভসেে উঠারর্ অপূব দৃশ্য। মনে হবে নয়নাভরামি পাহাড় হাতছানি দয়িে ডাকছ।ে এভাবইে হাঁটতে হাঁটতে একসময় পৌঁছানো যায় হামহাম জলপ্রপাতরে খুব কাছাকাছ।ি দূর থকেে শুনতে পাবনে হামহাম জলপ্রপাতরে শব্দ। কাছে গয়িে দখতেে পাবনে প্রায় ১৩০ ফুট ওপর হতে হামহাম শব্দে জল পড়ার সইের্ অপূব দৃশ্য। আপনার মন ক্ষনকরেি জন্য হয়ে উঠবে প্রাণঞ্চল্য। সখোনে কছুক্ষিন কাটয়িে নতিে হবে ফরোর প্র¯'ুত।ি ঢালু ও পচ্ছলিি পাহাড়ী পথ বয়েে উপরে ওঠা কষ্ট হলওে সহজ, কš'ি নচিে নমেে আসা খুবই বপদজ্জিনক ও কঠন।ি তাই ভ্রমন কারীদরে সবাইকে কাছাকাছি থকেের্ সতকতার সহতি ট্রকংিে শুরু করতে হব।ে প্রায় সাড়ে চারঘন্টা পর ফরাি যাবে কলাবন।ে ভ্রমন পপাসিু মানুষ কমলগঞ্জ অথবা শ্রীমঙ্গল শহর হতে যানবাহন ভাড়া করে ভোর ছয়টার মধ্যইে হামহামরে উদ্দশ্যেে রওয়ানা দতিে হব।ে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য, মনোরম প্রকৃতরির্ নজনি ¯'ান দখতেে চলে আসতে পারনে নয়নাভরামি হামহাম জলপ্রপাতে । ¯'ানীয়রা বলন,ে সরকার এই জলপ্রপাতটর্ িপযটকদরে আগমনরে জন্য সবধরনরে সুযোগ-সুবধাি বৃদ্ধি করলে মাধবকুন্ডকে হার মানাব।(প্রসেনজিৎ পাল)
:mail: :cell: 01714290054
5 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
prasenjit paul
সূফী-দরবেশ
prasenjit paul
কারন কমলগঞ্জরে গহীন অরণ্যে হামহাম জলপ্রপাত মাধবকুন্ডের মত হবে একটি পর্যটক কেন্দ্র ।
মুস্তাফিজ
:search:
আর আদিবাসী না উপজাতি হবে।
real_slasher