সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

বিভাগবিহীন

ফকির হয়ে গেছে তাবৎ কাফির গোস্ঠী> বিশ্বের ৩০০ শহরে প্রতিবাদের ঢেউ। মারহাবা! মারহাবা!!

  মুজাদ্দিদে আযম উনার রোবের কারণে ফকির হয়ে গেছে তাবৎ কাফির গোস্ঠী বিশ্বের ৩০০ শহরে প্রতিবাদের ঢেউ। মারহাবা! মারহাবা! বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক সঙ্কটের প্রতিবাদের বর্ষপূর্তিতে দুনিয়াজুড়ে প্রতিরোধ। মাদ্রিদ, লন্ডন, ফ্রাঙ্কফুর্ট, ব্রাসেলস, বুদাপেস্ট, লিসবন থেকে বিশ্বের ৫০টির বেশি দেশে ৩০০’র বেশি শহরে রাস্তায় মানুষ। ‘লুটেরা পুঁজিবাদের’ অবসান চেয়ে ওঠে স্লোগান।স্পেনের মাদ্রিদে পুয়ের্তা ডেল সল স্কোয়ারে এখন জনপ্লাবন। রঙবেরঙের প্রতিবাদী পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুনে ছয়লাপ। এই মুহূর্তে স্পেনে পনরো থেকে পঁচিশ বছর বয়েসী যুবকদের মধ্য বেকারীর হার ৫১ শতাংশ। কাজের দাবিতে শহরে তাই লক্ষ মানুষের গণজমায়েত। আন্দোলন শুরু হয়েছিল গত বছরের ঠিক এই সময়। মে’র ১৫তারিখ। সরকারের ব্যয় সংকোচ নীতি ও ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিশ্ববাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান ওঠে মাদ্রিদ থেকে। মিশরের আন্দোলনে উদ্দীপ্ত হয়ে প্রায় ২৫হাজার বিক্ষোভকারী অবরোধ করে রাখেন মাদ্রিদের প্রাণকেন্দ্র। তাঁবু টানিয়ে ঘাঁটি গেড়ে তারা বিক্ষোভ দেখান। ‘ফিফটিন-এম’ নামে দ্রুত এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে ইউরোপ ছাড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সেই আন্দোলনেরই বর্ষপূর্তি। সরকারের ব্যয়সঙ্কোচ, ‘কৃচ্ছ্রসাধনের’ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে গোটা ইউরোপ। এদিন স্পেনের ৮০টি শহরে রাস্তায় নামেন মানুষ। তবে এবারে পুয়ের্তা ডেল সল স্কোয়ারে রাতভর অবস্থান করে বিক্ষোভ করতে দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি শোনায় নিরাপত্তাবাহিনী। পরিস্থিতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে দু’হাজারের মতো পুলিশ মোতায়েন করেছে সরকার। যদিও সরকারি ফরমান উড়িয়ে দিয়ে রাস্তায় নামেন মানুষ। সোফিয়া রুজ নামের এক প্রতিবাদী সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘জনগণের স্থান পুনরুদ্ধার করাই আজকের উদ্দেশ্য।’ তিনি বলেন, ‘এটা প্রতিবাদ উদ্যাপনের একটি পদ্ধতি মাত্র, আমরা এক বছর ধরে টিকে আছি এবং ব্যবস্থার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত আমরা আছি, আমরা থাকব।’ পুলিস বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এলোপাতাড়ি লাঠি চালায়। এতে অনেকে জখম হন। এমনকি পুলিৎজার বিজয়ী সাংবাদিক জেভিয়ার বাউলুজও আহত হন। পুলিসের হিসাবে জমায়েতে মানুষের সংখ্যা ৩০ হাজার। আর মূল সোতের সাংবাদিকদের হিসাবেও লক্ষাধিক। স্পেনের আরেকটি বড় শহর বার্সেলোনায় লাখো মানুষ বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন বলে সংগঠকরা দাবি করেছে। পুলিসের দাবি, বিক্ষোভে শামিল হওয়া মানুষের সংখ্যা ৪৫ হাজার। কে না জানে পুলিস এক্ষেত্রে কমিয়ে বলতেই বেশি পছন্দ করে। বার্সেলোনার বিক্ষোভে অংশ নেয়া হোসে হেলমান্দেজ বলেন, তিনি একজন জেনেটিক ও অনুজীব বিজ্ঞানী হওয়ার পরেও কোনো চাকরি পাচ্ছেন না। ‘দেশের অনেক মানুষ যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কোনো চাকরি পাচ্ছে না। আমি ফ্রান্সে ছিলাম। প্রায় দু’বছর আগে দেশে ফিরে স্বল্পমেয়াদী কয়েকটি চাকরি পেয়েছি।’ একই ধরনের প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়েছে ব্রিটেনে, পর্তুগাল ও জার্মানি, হাঙ্গেরি, নেদারল্যান্ডে। শামিল হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। যেমন লন্ডনের সেন্ট পলস ক্যাথেড্রালের সামনে কয়েকহাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হন। ব্রিটেনের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। সেখান থেকে তারা ব্যাঙ্ক অফ ইংল্যান্ডের অভিমুখে এগোন। এই সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের কয়েক দফা ধস্তাধস্তি হয়। অন্তত ১২ বিক্ষোভকারীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে। জীবনযাপনের ব্যয় বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে রাজধানী তেলআবিবে বিক্ষোভে শামিল হন কয়েক হাজার মানুষ।

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।