সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার্থে আসা বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের স্বপ্ণ অঙ্কুরেই ভন্ডুল

সম্প্রিত  একজন ব্লগার 'Sromobazar.com :: বাংলাদেশী জব এবং বিদেশে Study সম্পর্কে একিট েপাস্ট ইদেয়িছেলন যার মন্তব্য কেরিছলাম ‌'স্টাডি করতে বিদেশে যাওয়াটা বর্তমান পরিস্থিতিতে ভয়ংকর। কেননা বিদেশে স্টাডির জন্য সাধারণত যে দেশগুলোতে যাওয়া হয় বিশেষ করে ইউকে, অস্ট্রেলিয়া’র মতো দেশগুলা কঠিন গযবে নিপতিত। এছাড়া উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য বাংলাদেশই যথেষ্ট।' পাঠক! এমনই একিট খবর প্রকাইশত হেয়েছ আজেকর ইউএক ইবিড ইনউএজ। খবরিট ইনেচ েদয়া হল: বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের টার্গেট এখন লন্ডন নয়ং বরং ফ্রান্স। ব্রিটেনের চেয়ে বিভিন্ন দিক দিয়ে সুযোগ-সুবিধা বেশি থাকায় লন্ডনে পড়তে আসা শিক্ষার্থীরা পাড়ি জমাচ্ছেন ফ্রান্সে। সম্প্রতি ব্রিটেনের ক্ষমতাসীনা কনজারভেটিভ সরকারের কঠোর ইমিগ্রেশন নিয়মের বেড়াজালের কারণে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে স্বপ্নভঙ্গের স্থান হয়ে দাঁড়িয়েছে। উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি অর্থ উপার্জনের যে স্বপ্ন নিয়ে এই বিলেতে পদাপর্ণ হয়েছিল, সে স্বপ্ন যেন অঙ্কুরেই ভন্ডুল হয়ে যাচ্ছে। পড়াশোনা তো দূরে থাক, টিকে থাকাই দায় হয়ে দাড়িয়েছে অনেকের। ইউরোপের অর্থনৈতিক মন্দার ভেতরে ফ্রান্সে এসাইলামসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বেশি থাকায় লন্ডনে আসা শিক্ষার্থীরা ফ্রান্সের দিকে ঝুঁকছেন।... তবুও অনেক সমস্যা এসাইলামের মূল ভিত্তি হল মানবাধিকার। যেসব দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভালো না এবং যুদ্ধ বিগ্রহ চলছে সেসব দেশের মানুষদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়াই এর প্রধান লক্ষ। ইইউ-২৭ এর আওতায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সম্প্রতি এসাইলাম প্রত্যাশীদের সংখ্যা হুহু করে বাড়ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় দেশ হিসেবে প্রথমেই আছে ফ্রান্স। এখানে আফগানিস্তানের এসাইলাম প্রত্যাশীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। তাদের এসাইলাম পাওয়ার সুযোগও বেশি। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সেখানে ভীড় জমালেও এ ব্যাপারে সফলতা পেতে অনেক কাঠ খড় পোড়াতে হচ্ছে। প্রথমত দেশ ত্যাগের যথোপযুক্ত কারণ দেখানো মুশকিল। তার উপর উপার্জনের যে আশা তাতেও অনেকটা গুড়ে বালি দিয়ে দেয় ভাষা। ইংরেজী বলতে পারলেও ফরাসি ভাষা জানা না থাকলে কাজ পাওয়া কষ্টকর। লন্ডনের মতো বাঙালি প্রতিষ্ঠনের সংখ্যাও ততটা বেশি নয়। এসব কারণে উন্নত জীবনের সন্ধানে প্রথমে লন্ডন পরে আবার ফ্রান্স এমন করেও অনেকে ভাগ্যের চাকা ঘুড়াতে সক্ষম হচ্ছেন না। এর ফলে বিফল মনোরথে দেশে ফিরে যাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কম নয়। অবৈধ ট্রানজিট বৈধতা পাওয়ার আশা নিয়ে বৃটেন থেকে ফ্রান্সে যাওয়ার জন্য যে ট্রানজিটটি সবচে‘ বেশি ব্যবহৃত হয় তা হলো ডোবার এর কেলাইস বর্ডার। এই বর্ডার পাড়ি দিতে হয় অবৈধভাবে। জানা যায়, পূর্ব লন্ডনের বেশ কয়েকটি সিন্ডিকেট জড়িত রয়েছে আদম পাচারের এই ব্যবসার সাথে। হোয়াইট চ্যাপেলের নির্দিষ্ট কোন জায়গা থেকে টেক্সি ক্যাবে করে নিয়ে যাওয়া হয় নিদির্ষ্ট একটি জায়গায়, সেখান থেকেই কার্গো কিংবা লরিতে করেই পাড়ি দিতে হচ্ছে কেলাইস বোর্ডার।  আর এই বর্ডার পাড়ি দিতে সময় লেগে যায় ৫-৬ ঘন্টা।  এই সময়কালে পুরো সকল ধরণের যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়ে এদের। এর পরেই ফ্রান্স বর্ডার থেকে অন্য একটি ট্যাক্সি ক্যাবে করে পৌছে যায় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে। তবে প্রায়শই এই ধরণের অবৈধ ট্রানজিটের সময় ইউকে বোর্ডার এর অভিযানে লরিতে থাকা যাত্রীদের গ্রেপ্তার করার ঘটনাও ঘটছে। মূল সংবাদ: ইউএক ইবিড ইনউজ

2 টি মন্তব্য

  • ভোরের আলো

    একদম :coffee: ঠিক বলেছেন ।
  • সরলমত

    আসলে এটা উচ্চ শিক্ষার নামে মুসলমানদের থেকে টাকা লুটপাটের একটা সিস্টেম।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।