সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

ইতিহাস

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক (১৫৭)

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর মহিমান্বিত দিনটিই সর্বশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে মহান ও সবচেয়ে বড় ঈদের দিন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ورفعنا لك ذكرك. অর্থ: “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ করেছি।” (সূরা ইনশিরাহ : আয়াত শরীফ- ৪) এ আয়াত শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা বুলন্দির কোনো সীমা নির্ধারণ করেননি। কাজেই কোন মাখলূকাতের জন্যই সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা-মর্তবার সীমা নির্ধারণ করা তো জায়িয নেই। বরং মর্যাদা-মর্তবার সীমা নির্ধারণের চিন্তা করাটা চরম বেয়াদবীর অন্তর্ভুক্ত। মূলতঃ মহান আল্লাহ পাক উনার পরেই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক ¯’ান ও শান-মান। এক কথায় তিনি শুধু আল্লাহ পাক নন, এছাড়া সমস্ত মর্যাদা-মর্তবার অধিকারী হ”েছন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি হাবীব হুযূর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমগ্র কায়িনাত সৃষ্টির পূর্বে, উনার মহান রুবুবিয়াত প্রকাশের জন্য সৃষ্টি করে উনার মহান কুদরত-এর মধ্যে রাখেন। অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার সৃষ্টি করার পর উনার কপাল মুবারক-এ দীর্ঘ সময়ব্যাপী জান্নাতের মধ্যে রাখেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ই”ছা করলে আবাদুল আবাদ পর্যন্ত উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিজের কাছে রেখে দিতে পারতেন অথবা জান্নাতের মধ্যেও রেখে দিতে পারতেন। আরহামুর রাহিমীন মহান রব্বুল আলামীন অত্যন্ত দয়া করে, ইহসান করে উনার প্রিয়তম হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মানবজাতির মধ্যে পাঠিয়ে মানবজাতিকে কায়িনাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে ও মানবজাতির মধ্যে বিলাদত শরীফ দান করেছেন আর যেই দিন মুবারক-এ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আগমন করেছেন সেই মহিমান্বিত দিনটি সারা কায়িনাতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে মহান ও সবচেয়ে বড় ঈদের দিন তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মিলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিসেবে সমস্ত মাখলুকাতের কাছে মাশহুর বা প্রসিদ্ধ। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ঈদ বা খুুশি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যা মাখলূকাতের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত। (ইনশাআল্লাহ চলবে)

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক (১৫৬)

http://shobujbanglablog.net/50275.html

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।