সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসমারোহে পালন করা উচিত

কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে ইজমা হয়েছে-
‘যে মহল্লায়, এলাকায় বা অঞ্চলে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে মীলাদ শরীফ পাঠ করা হয়, খাদ্যের আয়োজন করা হয় সে এলাকায় মহামারি, খাদ্যাভাব, অগ্নিকা-, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প, খোদায়ী আযাব-গযব ও বালা-মুছীবত থেকে রক্ষা পায়, বিশেষ রহমত, বরকত, সাকীনা নাযিল হয়।’
কাজেই দেশ ও দেশের জনগণকে উক্ত বালা-মুছীবত তথা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে নিরাপদে রাখতে
বাংলাদেশসহ বিশ্বের সমগ্র মুসলিম দেশে সরকারিভাবে মাসব্যাপী ছুটি ঘোষণা করে
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসমারোহে পালন করা উচিত।
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।