লা-মাযহাবীরা বলে থাকে যে, তারা ছিহাহ সিত্তাহ হাদীছ শরীফ উনার ইমাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে মানে।
প্রকৃতপক্ষে তাদের এটা একটা ধোকা বা প্রতারণা। এরা অনেক সময় বুখারী শরীফ, বুখারী শরীফ বলে মুখে ফেনা তোলে, কিন্তু হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকেও তারা অনেক ক্ষেত্রে মানে না।
যেমন হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে ধান, পাট, কলাই ইত্যাদি ব্যবসায়ী দ্রব্য হলে উহার যাকাত ফরয হবে।
কিন্তু লা-মাযহাবীরা ফতওয়া দেয়, ধান, পাট ইত্যাদি ব্যবসায়ী দ্রব্য হলেও তার যাকাত ফরয হবে না। নাঊযুবিল্লাহ!
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে প্রকৃত পানির অভাবে কুকুরের ঝুটা পানি দ্বারা উযূ করা জায়িয হবে।
কিন্তু লা-মাযহাবীরা বলে, উক্ত পানি দ্বারা উযূ জায়িয হবে না।
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে, বাদ্যযন্ত্র হারাম।
কিন্তু লা-মাযহাবীরা বলে থাকে, বাদ্যযন্ত্র জায়িয। নাঊযুবিল্লাহ!
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে, ব্যাঙ, কচ্ছপ ইত্যাদি ভক্ষণ করা হালাল- শাফিয়ী মাযহাবের অনুসারী হিসেবে।
কিন্তু লা-মাযহাবীরা বলে ব্যাঙ, কচ্ছপ ইত্যাদি ভক্ষণ জায়িয নেই।
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে, পুরুষের জন্য একইসাথে সর্বোচ্চ চারজন স্ত্রী গ্রহণ করা জায়িয। এর অতিরিক্ত হারাম।
কিন্তু লা-মাযহাবীরা বলে, নয়জন স্ত্রী লোক একইসাথে বিবাহ করা হালাল। নাঊযুবিল্লাহ!
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে, একসাথে তিন তালাক দিলে তিন তালাকই কার্যকর হবে। স্ত্রী স্বামীর জন্য হারাম হয়ে যাবে।
কিন্তু লা-মাযহাবীরা বলে, একসাথে তিন তালাক দিলে এক তালাক হবে। স্ত্রী স্বামীর জন্য হালাল থাকবে। নাঊযুবিল্লাহ!
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে, ছুবহি ছাদিক-এর পর দিনের বেলায়ও যদি কেউ রোযার নিয়ত করে তবে রোযা শুদ্ধ হবে।
কিন্তু লা-মাযহাবীরা বলে, রোযা হবে না। ছুবহি ছাদিক এর আগে নিয়ত না করলে রোযাই হবে না।
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে, উযূর সময় সমস্ত মাথা মাসেহ না করলে উযূ হবে না।
কিন্তু লা-মাযহাবীরা বলে, মাথার কিছু অংশ মাসেহ করলেই উযূ হয়ে যাবে।
বোঝা গেল, লা-মাযহাবীরা মুখে মুখে যদিও বলে থাকে যে, তারা হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে মেনে থাকে, তাদের এ কথাটি সম্পূর্ণ ধোকা।
পূর্বের অংশ পরবর্তী অংশ
গোলামে মাদানী আক্বা
dr.faisal
কী বোর্ড থেকে
মুহম্মদ মুসাদ্দিক হুসাইন সাজু
লেখক
লেখক
লেখক