ছবি থেকে নিজে বাঁচুন, অন্যকেও বাঁচতে বলুন....

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদেরকে যা আদেশ করেন তা আঁকড়িয়ে ধরো। আর যা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন তার থেকে বিরত থাকো। এই ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তি দানকারী।” (পবিত্র সূরা হাশর শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৭)
কাজেই মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা বলেছেন তা অবশ্যই একজন মুসলমানকে বিনা চু-চেরায় মানার মতো মানতে হবে। তাই উনি যেহেতু ছবির ব্যাপারে উম্মতদের সতর্ক করেছেন তথা জাহান্নামী হওয়ার কারণ বলে ঘোষণা মুবারক দিয়েছেন সেটা সকলকে মানতে হবে এবং এই হারাম ছবি থেকে নিজেকে বাঁচতে হবে অন্যজনকেও বেঁচে থাকতে বলতে হবে।
কেননা ছবি তোলা, আঁকা, রাখা প্রত্যেক কিছুই জাহান্নামী হওয়ার অন্যতম কারণ। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “প্রত্যেক ছবি তুলনেওয়ালা জাহান্নামী।” (মুসলিম শরীফ)
আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যেখানে ছবি থাকে সেখানে রহমতের ফেরেস্তা আলাইহিমুস সালামগণ উনারা প্রবেশ করেন না।” (বুখারী শরীফ)
কাজেই এই লা’নতগ্রস্ত হওয়ার মাধ্যম নাজায়িয ছবি থেকে বেঁচে থাকা সকলের জন্য পবিত্র ঈমানী কর্তব্য এবং কেউ ছবি তুললে, রাখলে, ছবি যুক্ত কিছু ব্যবহার করলে তাকে সতর্ক করে দিতে হবে।
কেননা পবিত্র ঈমান উনার দাবি হলো কোথাও অন্যায় দেখলে তথা শরীয়ত বিপরীত কাজ হতে দেখলে হাত দিয়ে বাধা দেয়া, তা সম্ভব না হলে যবানে বাধা দেয়া, তা সম্ভব না হলে সেখান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়া।
কাজেই হারাম, নাজায়িয ছবি থেকে নিজে বাঁচুন অন্যজনকেও বাঁচতে বলুন।
1 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
কুমিল্লাবাসী