আজ এক ক্বওমী মাদরাসার ছাত্রের অবস্থা দেখে টাস্কি খেয়ে গেলাম

আজ এক ক্বওমী মাদরাসার ছাত্রের অবস্থা দেখে টাস্কি খেয়ে গেলাম। আনুমানিক তখন বিকাল ৩টা হবে। আমি ফাল্গুন গাড়িতে চড়ে নিলক্ষেত বই কিনতে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে সেই খারিজী মাদরাসার ছাত্র টা বাসে উঠে এক মহিলার পাশে নিদ্বিধায় বসে পড়লো। আমার ঠিক ২ সিট আগের সিটে। অথচ পিছনে অনেক সিট খালি আছে। সেই খারিজী ছাত্রটা খালি সিটগুলোতে না বসে, মহিলার পাশেই বসলো।
কিন্তু মজার বিষয় হলো তার এই মুর্খামী কান্ডে অনেকে তার দিকে তাকাচ্ছিলো। তার বসাটা যে বাহ্যিক দৃষ্টিতেও বেমানান ছিলো তা অপর যাত্রিদের চাহনীতেই ফুটে উঠছিল। আশেপাশের সবাই বুঝলেও খারিজীরা বুঝতে পারে না।
আসলে একটা বিষয় কি? ক্বওমী খারিজী মাদরাসাগুলোতে আদব-শরাফত তো দুরের বিষয় নরমাল ইসলামিক বিষয়গুলো বিষয়েও ইলম শিক্ষা দেয় না। যতটুকু পড়ে তার সবটাই তোতাপাখির মত মুখস্থ করা। যার জন্য ইসলামিক গভীর চিন্তা-চেতনা তাদের মধ্যে দেখা যায় না।
সত্যি বিষয় হলো এরা মনে করে ওস্তাদের দেখানো কিছু ইলম শিক্ষা করতে পারলেই তো আমি আলিম হয়ে যাব। আর আলিম হলেই পাল্লা পার। যার জন্য তারা বিভিন্ন বিষয়ে ইলম রাখে না। তাদের মুরুব্বীরা তাদেরকে চরম মুর্খামীর মধ্যে রেখেই কথিত আলিম বানিয়ে দিচ্ছে। আর এরাই দেশের বিভিন্ন মসজিদ-মাদরাসায় আস্তানা গেড়ে বানোয়াটি বিষয়গুলো জারি করে।
আর সব থেকে অবাকের বিষয় হলো এরা যেটা করেনা বা জানেনা সেটাকেই ঢালাওভাবে বিদয়াত-শিরক ফতওয়া দেয়। কুরআন শরীফে ও হাদিছ শরীফে বিষয়গুলো থাক, আর না থাক।
এরা যখন দাড়িয়ে দাড়িয়ে খায় তখন ফতওয়া লাগেনা। কিন্তু হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দাড়িয়ে কোন মুসলমান সালাম দিতে চাইলে, তারা বিদয়াত বলে মুনাফিক্বী বুলি আওড়ায়ে থাকে। অথচ তারা দলীল দিয়ে বিদয়াত প্রমান করতে পারেনা।
সুতরাং মুসলমানগনের উচিত এই জাহিল ক্বওমীগুলোরে ত্যাগ করা। তাদেরকে সর্বপ্রকার সহযোগিতা বন্ধ করা। যারা হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মান বুঝেনা, আদব কায়দা বুঝেনা তাদেরকে ঘৃনাভরে এখনই পরিত্যাগ করতে হবে। কেননা এই জাহিলগুলোর জন্যই ইসলাম উনার শান-মান বুঝতে সাধারন মানুষ ব্যর্থ হয়।
1 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
dr.mubashshir12