সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

ধর্মব্যবসায়ীদের মুখোশ

কোয়ান্টামের কথিত ‘গুরুজী’ ও আমার কিছু কথা

কোয়ান্টামের কথিত ‘গুরুজী’ ও আমার কিছু কথা
Captureকোয়ান্টাম কি? কেন? উদ্দেশ্য কি? তারা মুসলমানদের যাকাত/দান/ফিতরা নিয়ে কি করে? তাদের হাকীক্বত কি? আসনু একটু বিশ্লেষন করি- মুসলমানাদের সঠিক পথ থেকে দূরে সরিয়ে দিতে প্রতি যুগেই এমন কিছু মিথ্যাবাদী দাজ্জাল বের হয় যারা সাধু সুরতে মুসলমানদের ইলিম-তালিম দিয়ে কিছু আমল করিয়ে সূক্ষভাবে ঈমান নষ্ট করে দেয়, ফলে মুসলমান নামধারণ করেও আদতে হয়ে যায় কাফির। ওয়াহাবীজম, সালাফীজম, সূফীইজম ইত্যাদি ইসলামের নামে যত ইজম (মতবাদ) আছে সব ইহুদী-নাছারা-খ্রিস্টান-মুশরিক(হিন্দু-বৌদ্ধ)দের দ্বারা প্রবর্তিত ও পরিচালিত। এ জন্য তারা ব্যবহার করে মুসলমানদের মধ্যে থেকে অর্থ/নারী/মদ-এসবের প্রতি দুর্বল এমন কিছু দুনিয়ালোভী আলেম/বোদ্ধা/পণ্ডিত গোছের কিছু লোক। -যাদের ভেতর মানুষকে কনভিন্স করার মতো অলৌকিক ক্ষমতা আছে, -যাকে দিয়ে দীর্ঘ মেয়াদী মিশন সফল হতে পারে, -যাকে দিয়ে আস্তে আস্তে মানুষকে বিভ্রান্ত করে দেয়া যাবে, -যাকে দিয়ে গোয়েন্দাবৃত্তির কাজ সফলভাবে সম্পাদন করা যাবে ইত্যাদি গুণসম্পন্ন লোকদের দ্বারাই নতুন কিছু প্রবর্তন করা হয়। এমন কিছু চক্রান্তের উদাহরণ- 1. শফিক রেহমানকে (পেশায়- সাংবাদিক,লেখক) দিয়ে বাংলাদেশে বিশ্ব অশ্লীল দিবস (ভেলেন্টাইন ডে) প্রবর্তন করানো হয়েছে। 2. ব্লগার আসিফ মুহিউদ্দীন গং-এদেরকে দিয়ে দেশে নাস্তিকতা বিস্তারের এজেন্ডা চলমান আছে। 3. জাতীয় সুদখোর ড. ইউনুসকে দিয়ে বাংলার ঘরে ঘরে সুদ ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে, যার সফলতার জন্য তাকে নবেল প্রাইজ দেয়া হয়েছে। 4. মহিউর রহমান (সাংবাদিক)। গণমাধ্যম (প্রথম আলো) দিয়ে দেশের ভেতর তথ্য সন্ত্রাস, অপসংস্কৃতির আগ্রাসন আর বাঙালির মগজ ধোলাইয়ের কাজ করানো হচ্ছে। 5. জামাতে ইসলাম, হেফাজতকে দিয়ে সন্ত্রাসবাদ (জঙ্গি) তৎপরতা ত্বরান্বিত করছে পশ্চিমারা। 6. ডেসটিনি ২০০০ লি./এনজিও দিয়ে দেশের আপামর জনসাধারণ(নারী-পুরুষ)দের বেপর্দা-বেহায়াপনার মধ্যে এবং হারামের মধ্যে মশগুল করে দিচ্ছে। 7. ব্র্যাক প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান; যে ব্র্যাক (এনজিওর) মাধ্যমে গ্রামে-গঞ্জের সাধারণ মহিলাদেরও আত্নউন্নয়নের নামে প্রশিক্ষণ দিয়ে বেপর্দা করে, সুদী কার্যক্রমে নিয়োজিত করে দিয়েছে। ইত্যাদি- এসবের উদাহরণ অনেক। তবে এদের মধ্যে কিছু কমন (মিল) আছে। যেমন- এদের পড়াশোনার ব্যাগ্রাউন্ড যাই হোকনা কেন, এরা হয় লেখক/সাংবাদিক/নাস্তিক/বিদেশে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত/মানুষকে খুব সহজ ভাষায় বোঝাতে পারে/এদের প্রত্যেকেরই মুখপত্র(পত্রিকা/বুলেটিন/চ্যানেল)আছে/সমাজের উচু পর্যায়ের লোকদের হাত করে তাদের সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে। কোয়ান্টামের গুরুজী নামক এই লোকটাও মুসলমাননামধারী এক এজেন্ট যে কিনা বাংলাদেশে বৌদ্ধদের হয়ে গোপনে কাজ করে যাচ্ছে। তার শেখানো ধ্যান (মেডিটেশন) পদ্ধতি পুরাটাই বৌদ্ধদের ধ্যান পদ্ধতি যা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম। এছাড়া, মাটির ব্যাংক, যাকাত-ফিৎরার টাকাগুলো সব বৌদ্ধদের কাছেই যায় এবং তাদের কাজেই ব্যায় হয়। তার একটি উদাহরণ দেখুন- তাদেরই ওয়েবসাইটে যাকাত পেইজে এক হিন্দু মহিলার ছবি, যাকে তারা যাকাতের টাকা দিয়ে ঘর করে দিয়েছে। অথচ পবিত্র যাকাত দেয়ার পূর্বশর্ত হলো ঈমানদ্বার (মুসলমান) হওয়া। আর সে কিভাবে মানুষের মগজ ধোলাই করে তার একটা নমুনা পাবেন এই ভুক্তভোগীর লেখা থেকে। লিংক সূতরাং এই সর্বনাশা প্রতারক কোয়ান্টাম থেকে নিজে বাঁচুন, আপনার পরিচিতদেরকেও বাঁচান, এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন।

1 টি মন্তব্য

  • JABAL-E-NOOR

    কোয়ান্টাম এর পরিচালক পেশায় একজন হস্তরেখাবিদ টাউট :search: মহাজাতক নাম পরিচিত

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।