পৃথিবীতে যত কাফির, মুশরিক ও উলামায়ে ‘সূ’ রয়েছে; তাদের একমাত্র আবাসস্থল হচ্ছে জাহান্নাম

*********************************************
*********
যারা কাফির, মুশরিক ও উলামায়ে ‘সূ’
রয়েছে, তারা বিনা হিসেবে
জাহান্নামে প্রবেশ করবে। কেননা তারা
কুফরী করে, সীমালঙ্ঘন করে, দ্বীন
বিক্রি করে দুনিয়া হাছিল করে। অর্থাৎ
তারা মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং
উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম,
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা পবিত্র
কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ
উনাদের মধ্যে যেসব আদেশ-নিষেধ
মুবারক করেছেন, সেটা অমান্য করে,
অস্বীকার করে।
যেমন: মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং
উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম,
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ছবি
তোলা, গান-বাজনা করা, গান-বাজনা
শুনা, বেপর্দা, ফিতনা-ফাসাদ তথা
গণতন্ত্র, হরতাল, লংমার্চ ইত্যাদি
বিষয়গুলো হারাম করে দিয়েছেন। পর্দা
করা, সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন
করা ফরয করে দিয়েছেন। আর অপরদিকে
যারা কাফির-মুশরিক, বিধর্মী ও
উলামায়ে ‘সূ’ রয়েছে, তারা এগুলোর
বিপরীত করছে। নাঊযুবিল্লাহ! আর
তাদের অনুসারী হয়ে বিভ্রান্ত হয়ে
পৃথিবীর অধিকাংশ মুসলমানরাই এই
সমস্ত হারাম কাজগুলো করছে।
নাঊযুবিল্লাহ!
অথচ মুসলমানদের করণীয় সম্পর্কে মহান
আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ
শরীফ উনার সূরা ইউনূস শরীফ উনার ৫৮নং
পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ
মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
আপনি বান্দা-বান্দী, উম্মত, জিন-ইনসান
সকলকে বলে দিন, তারা যে আপনাকে
ফযল, করম ও রহমত হিসেবে পেয়েছে,
সেজন্য তারা যেন খুশি প্রকাশ করে। আর
এই খুশি প্রকাশ করাটা তাদের সমস্ত
নেক আমল থেকে উত্তম এবং শ্রেষ্ঠ
হবে।” সুবাহানাল্লাহ!
অর্থাৎ মুসলমানরা যে মহান আল্লাহ পাক
উনাকে এবং উনার হাবীব, নূরে
মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
উনাকে পেয়েছে, সেজন্য তাদেরকে খুশি
প্রকাশ করতে হবে তথা পবিত্র
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতে
হবে। কিন্তু এর বিপরীতে কাফির-মুশরিক
ও উলামায়ে ‘সূ’রা বলে থাকে, “মহান
আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে
মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার
পবিত্র বিলাদত শরীফ পালন করা
বিদয়াত। পহেলা বৈশাখ হচ্ছে বড়
নিয়ামত।” নাঊযুবিল্লাহ!!!
আর এই বিধর্মী, কাফির-মুশরিক ও
উলামায়ে ‘সূ’দের অনুসারে বর্তমান যুগের
সবাই এটাই করে থাকে ও বলে থাকে।
অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে
ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি যে
সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে তার
হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।”
আর কাফির, মুশরিক, মুনাফিক ও
উলামায়ে ‘সূ’দের আবাসস্থল হচ্ছে
জাহান্নাম; যেখানে তাদের
লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।
যেটা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি
পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ১১৪নং
পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ
মুবারক করেন, “যারা মহান আল্লাহ পাক
উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম,
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের
নাফরমানী করবে, সীমালঙ্ঘন করবে,
তাদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করানো
হবে; সেখানে তারা অনন্তকাল ধরে
থাকবে। সেখানে রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক
শাস্তি।”
অতএব, এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার
দ্বারা আমরা বুঝতে পারলাম যে,
বিধর্মী তথা কাফির, মুশরিক ও
উলামায়ে ‘সূ’দেরকে জাহান্নামে প্রবেশ
করানো হবে। মহান আল্লাহ পাক উনার ও
উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম,
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের
নাফরমানী, সীমালঙ্ঘন করার কারণে
সেখানে তারা অনন্তকাল ধরে থাকবে।
যেখানে রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।
কাজেই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং
উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম,
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যেন
আমাদেরকে কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ-
অনুকরণ হতে বিরত থেকে নূরে মুজাসসাম
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-
অনুকরণ করার তাওফীক দান করেন।
(আমীন)
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।