প্রকাশ্যেই হচ্ছে ইসলামবিদ্বেষী কাজ- প্রতিবাদ না করার পরিণতি কখনোই ভালো নয়

প্রকাশ্যেই হচ্ছে ইসলামবিদ্বেষী কাজ-
প্রতিবাদ না করার পরিণতি কখনোই
ভালো নয়
কিতাবে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে।
একবার এ ব্যক্তি কোনো একটি মজলিসে
বসা ছিলো। তার উপস্থিতিতেই কিছু
লোক সেখানে উম্মুল মু’মিনীন
আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নিয়ে
কটূক্তিকর কিছু কথা বললো। লোকটি
শুনেও না শুনার ভান করে থাকলো।
অত:পর সে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়ার
পর স্বপ্নে দেখতে লাগলো- স্বয়ং নূর
নবীজি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম তিনি লোকটিকে লক্ষ্য
করে বলছেন- হে ব্যক্তি উঠো বসো এবং
শুনো, তোমার সামনে উম্মুল মু’মিনীন
উনাদের শানে কটূক্তি করা হলো, অথচ
তুমি কেনো কোনো প্রতিবাদ করোনি
কেন? লোকটি এ কথা শুনে- নিজের পক্ষে
মিথ্যা সাফাই করে বললো- তার নাকি
প্রতিবাদ করার সামর্থ্য ছিলো না। তার
এ কথা শুনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম তিনি লোকটিকে বললেন- হে
ব্যক্তি, তুমি মিথ্যা কথা বলছো, তোমার
প্রতিবাদ করার সামর্থ্য ছিলো,
ইচ্ছাকৃতই তুমি প্রতিবাদ করোনি।
তোমার এই অপরাধের কারণে তুমি অন্ধ
হয়ে যাবে। ঠিকই লোকটি ঘুম থেকে
জেগে দেখলো- সে অন্ধ হয়ে গেছে।
নাউযুবিল্লাহ!
ঠিক একইভাবে এখন বিশ্বজুড়েতো বটেই,
এ দেশেও প্রকাশ্যে দ্বীন ইসলাম উনার
বিপক্ষে নূওে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর
পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
উনার ও উনার সম্মানিত উম্মুল মু’মিনীন
উনাদের সম্পর্কে অবমাননকর কথা বলা
হচ্ছে, লেখালেখি হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ
মিন যালিক! অথচ মুসলমানগণ দেখেও না
দেখার ভান করে নিজের আখের
গোছানোর তালে আছে। নাউযুবিল্লাহ!
তাদের এ ধরনের নির্লিপ্ততা, অথর্বতার
কারণেই আজ বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের উপর
বিধর্মী-অমুসলিমদের নির্যাতনের খড়গ
নেমে এসেছে। নাউযুবিল্লাহ! শুধু এইই নয়,
বোবা শয়তানের মতো নিশ্চুপ থাকার
কারণে তারা প্রকাশ্য অন্ধ না হলেও
তাদের অন্তরগুলো অন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যে
কারণে তারাও অমুসলিমদের সাথে মিশে
একাকার হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
মূলত প্রকৃত ঈমানদার, মুসলমান হলে কখনো
তার পক্ষে এ ধরণের দ্বীন ইসলাম উনার
অবমাননকার বিষয়ে চুপ থাকা সম্ভব নয়।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে
আরো বেশি ঈমানী কুওওয়াত ও জজবা
দান করুন- যেন আমরা সকল প্রকার দ্বীন
ইসলাম উনার বিদ্বেষীদের শক্ত জবাব
দিতে পারি। আমীন!
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।