সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

বিভাগবিহীন

কিয়ামের প্রমাণকিয়াম অর্থাৎ দন্ডায়মান হওয়া ছয় প্রকার

- জায়েয, ফরয,সুন্নাত, মুস্তাহাব, মাকরূহ ও হারাম। প্রত্যেক প্রকারেরকিয়ামকে সনাক্ত করার নিয়ম আমি বাতলে দিচ্ছি, যারফলে সহজেই বোঝা যাবে এ কিয়াম কি ধরণের।(১) পার্থিব প্রয়োজনে দাঁড়ানো জায়েয। এরহাজার হাজার উদাহরণ রয়েছে। যেমন :- দাঁড়িয়ে দালানতৈরী করা এবং অন্যান্য দুনিয়াবী কাজকর্ম ইত্যাদি করা।কুরআন মাজীদে উল্লেখিত আছে-ﻓَﺎِﺫَﺍ ﻗَﺼِﻴﺖِ ﺍﻟﺼَّﻠﻮﺓُ ﻓَﺎﻧْﺘَﺸِﺮُﻭْﺍ ﻓِﻰ ﺍﻟْﺎَﺭْﺽِ(যখন জুমআর নামায হয়ে যাবে, তখন তোমরাজমিনে ছড়িয়ে পড়) না দাঁড়িয়ে ছড়িয়ে পড়া কখনওসম্ভব নয়।(২) পাঁচ ওয়াক্তিয়া ও ওয়াজিব নামাযে দাঁড়ানো ফরয।যেমন- ﻭَﻗُﻮْﻣﻮْﺍ ﻟِﻠﻪِ ﻗﻨِﺘِﻴْﻦَ আল্লাহর সামনে আনুগত্যপ্রকাশ করত: দন্ডয়মান হও। অর্থাৎ যদি কোনলোক সামর্থ থাকা সত্তেও বসে আদায় করে,তাহলে নামায হবে না।(৩) নফল নামাযে দন্ডায়মান হওয়া মুস্তাহাব। অবশ্যবসেও জায়েয। তবে দাঁড়িয়ে পড়াতে ছওয়াববেশী।(৪) কয়েকটি বিশেষ সময় দাঁড়ানো সুন্নাত-প্রথমতঃ ধর্মীয় মর্যাদাশীল জিনিসের সম্মানার্থেদাঁড়ানো। এ জন্য যমযমের পানি ও ওযুর অবশিষ্ট পানিদাঁড়িয়ে পান করা সুন্নাত। হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম উনার রওযা পাকে উপস্থিত হওয়া যদিআল্লাহ পাক নসীব করেন, তখন নামাযের মত হাতবেঁধে দাড়ানো সুন্নাত। ফাতওয়ায়ে আলমগীরীরপ্রথম খন্ডে কিতাবুল হজ্জের শেষে- ﺯﻳﺎﺭﺕ ﻗﺒﺮﺍﻟﻨﺒﻰ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ শীর্ষক অধ্যায়ে উল্লেখআছে-ﻭَﻳَﻘِﻒُ ﻛَﻤَﺎ ﻳَﻘِﻒُ ﻓِﻰ ﺍﻟﺼَّﻠﻮﺓِ ﻭَﻳُﻤَﺜِّﻞُ ﺻُﻮْﺭَﺗَﻪُ ﺍﻟْﻜَﺮِﻳْﻤَﺔَ ﻛَﺎَﻧَّﻪُﻧَﺎﺋِﻢ ﻓِﻰْ ﻟَﺤْﺪِﻩ ﻋَﺎﻟِﻢ ﺑِﻪ ﻳَﺴْﻤَﻊُ ﻛَﻠَﺎﻣَﻪُপবিত্র রওযা শরীফের সামনে এমনভাবে দাড়াবেযেভাবে নামাযে দাঁড়ানো হয় এবং সেই পবিত্র চিত্রমনের মধ্যে এমনভাবে স্থাপন করবে, যাতেমনে হয় হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রওযাপাকে আরাম ফরমাচ্ছেন, উনাকে চিনছেন ও উনারকথা শুনতেছেন।অনুরূপ মুমিনের কবরে ফাতিহা শরীফ পাঠ করার সময়কেবলার দিকে পিঠ এবং কবরের দিকে মুখ করেদাঁড়ানো সুন্নাত। আলমগীরী কিতাবুল কারাহিয়ারﺯﻳﺎﺭﺕ ﺍﻟﻘﺒﻮﺭ অধ্যায়ে আছে-ﻳَﺨْﻠَﻊُ ﻧَﻌْﻠَﻴْﻪِ ﺛُﻢَّ ﻳَﻘِﻒُ ﻣُﺴْﺘﺪﺑِﺮَ ﺍﻟﻘِﺪْﻟَﺔ ﻣَﺴﺘَﻘﺒِﻠًﺎ ﻟِﻮَﺟْﻪﺍﻟْﻤَﻴَّﺖِপ্রথমে জুতা খুলে ফেলুন। অত:পর কাবার দিকেপিঠ করে এবং কবরবাসির দিকে মুখ করে দাঁড়ান।রওযাপাক, যমযম ও ওযুর পানি, মুমিনের কবর সবইপবিত্র জিনিস। কিয়ামের দ্বারা এগুলোর তাযীমকরানো হয়েছে।দ্বিতীয়তঃ যখন কোন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আসেন,তাঁর সম্মানে দাঁড়িয়ে যাওয়া সুন্নাত। অনরূপ কোনধর্মীয় ব্যক্তিত্ব সামনে দাঁড়ালে তার জন্য দাড়িয়েথাকা সুন্নাত। কিন্তু বসে থাকা বেআদবী।মিশকাত শরীফের প্রথম খন্ডে কিতাবুল জিহাদে -ﺍﻟﻘﻴﺎﻡ ও ﺣﻜﻢ ﺍﻻﺳﺮ ﺍﺀ শীর্ষক অধ্যায়েউল্লেখিত আছে যে- যখন হযরত সাআদ ইবনেমুআয রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু মসজিদে নববীতেউপস্থিত হন, তখন হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদেরকে হুকুম দিলেন- ﻗُﻮْﻣُﻮْﺍ ﺍِﻟﻰﺳَﻴِّﺪِﻛﻢ আপনাদের উনার জন্য দাঁড়িয়ে যান। এদাড়ানো ছিল সম্মানবোধক। উনাদেরকে বাধ্যকরে দাঁড় করানো হয়নি। অধিকন্তু ঘোড়া থেকেনামানোর জন্য ২/১ জন্যই যথেষ্ট ছিল। কিন্তুসবাইকে কেন বললেন যে দাঁড়িয়ে যান। আরঘোড়া থেকে নামানোর জন্য মজলিসেআগতদের মধ্যে থেকে কাউকে ডাকা যেত।কিন্তু নির্দিষ্ট করে আনসারদেরকে কেন হুকুমকরলেন? স্বীকার করতেই হবে যে, এ কিয়ামটাছিল সম্মান বোধক।হযরত সাদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুআনসারদের নেতৃত্ব ছিলেন। তাই উনাদের দ্বারাতাযীম করানো হয়েছে। যাঁরা উপরোক্ত বাক্যব্যবহৃত ﺍﻟﻰ শব্দ দ্বারা ধোঁকা দিয়ে বলে যে এদাঁড়ানোটা ছিল রোগীর সাহায্যার্থে, তারা তাহলে এআয়াতে কি বলবে - ﺍِﺫَﺍﻗُﻤْﺘُﻢْ ﺍِﻟﻰ ﺍﻟﺼَّﻠﻮﺓِ (যখনআপনারা নামাযের জন্য দাঁড়াবেন।)নামাযও কি তাহলে রোগী যে এর সাহায্যার্থেদাঁড়াতে হয়?আশআতুল লুমআত গ্রন্থে উপরোক্ত হাদীছপ্রসংগে বর্ণিত আছে-এখানে হযরত সাআদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারপ্রতি তাযীম করানোর রহস্য হচ্ছে যে তাঁকে বনিকুরায়জার উপর শাসন করার জন্য ডাকা হয়েছিল। তাই এজায়গায় তার শান-মান প্রকাশের সঠিক সময় ওপ্রয়োজন ছিল। মিশকাত শরীফের ﺍﻟﻘﻴﺎﻡ অধ্যায়েহযরত আবু হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকেবর্ণিত আছে-ﻓَﺎِﺫَﺍﻗﺎﻡَ ﻗُﻤﻨَﺎ ﻗِﻴَﺎﻣًﺎ ﺣَﺘّﻰ ﻧَﺮَﺍﻩ ﻗﺪْ ﺩَﺧَﻞَ ﺑَﻌْﺾَ ﺑُﻴُﻮْﺕِﺍَﺯْﻭَﺍﺟِﻪযখন হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বৈঠকথেকে উঠতেন, তখন আমরা দাড়িয়ে যেতাম এবংএতটুকু পর্যন্ত দেখতাম যে তিনি উনার কোন পবিত্রউম্মাহাতুল মুমিনীন আলাইহাস সালাম উনার হুজরাশরীফে প্রবেশ করছেন। আশআতুল লুমআতকিতাবুল আদাবের কিয়াম শীর্ষক অধ্যায়ে- ﻗﻮْﻣُﻮْﺍ ﺍِﻟﻰﺳَﻴِّﺪِ ﻛُﻢْ এর ব্যাখ্যা প্রসংগে উল্লেখিত আছে-এ হাদীছের পরিপ্রেক্ষিতে অধিকাংশ উলামায়েকিরাম পুণ্যাত্মা উলামায়ে কিরামের তাযীম করারব্যাপারে ঐক্যমত পোষন করেন। ইমাম নববীবলেন যে বুযুর্গানে কিরামের তাশরীফআনয়নের সময় দাঁড়ানো মুস্তাহাব। এর সমর্থনেঅনেক হাদীছ রয়েছে কিন্তু এর নিষেধাজ্ঞারব্যাপারে সুষ্পষ্ট কোন হাদীছ নেই। ‘কীনা’গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে যে আগমনকারীকারো সম্মানার্থে বসে থাকা লোকের দাঁড়িয়েযাওয়া মাকরূহ নয়। ফতওয়ায়ে আলমগীরী কিতাবুলকারাহিয়ার ﻣﻼﻗﺎﺕ ﺍﻟﻤﻠﻮﻙ শীর্ষক অধ্যায়ে বর্ণিতআছে-ﺗُﺠُﻮْﺯُ ﺍﻟْﺨِﺪْﻣَﺔُ ﺑِﻐَﻴْﺮِ ﺍﻟﻠﻪِ ﺗَﻌَﺎﻟﻰ ﺑِﺎﻟْﻘِﻴَﺎﻡِ ﻭَﺍَﺧَﺬِ ﺍﻟْﻴَﺪَﻳْﻦِﻭَﺍﻟْﺎِﻧْﺤِﻨَﺎﺀِখোদা ভিন্ন অন্য কাউকে দাড়িয়ে, করমর্দন করেবা নত হয়ে সম্মান করা জায়েয।এখানে নত হওয়া বলতে রুকু থেকে কম নতহওয়াকে বুঝানো হয়েছে। কেননা রুকু পর্যন্তনত হওয়াতো নাজায়েয। এ প্রসংগে আমি ভূমিকায়আলোকপাত করেছি। দুররূল মুখতার গ্রন্থেরপ্রঞ্চম খন্ড কিতাবুল কারাহিয়ার ﺍﻻﺳﺘﺒﺮﺍﺀ অধ্যায়েরশেষে বর্ণিত আছ-ﻳَﺠُﻮْﺯَ ﺑَﻞْ ﻳُﻨْﺪَﺏُ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻡُ ﺗَﻌْﻈِﻴْﻤًﺎﻟِﻞْﻗَﺎﺩِﻡِ ﻳَﺠُﻮْﺯُ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻡُﻭَﻟَﻮْﻟِﻠْﻘَﺎﺭِﻯْ ﺑَﻴْﻦَ ﻳَﺪَﻯِ ﺍﻟْﻌَﺎﻟِﻢِআগমনকারী কারো সম্মানার্থে দাড়াঁনো জায়েযবরং মুস্তাহাব যেমন আলিমের সামনে দাঁড়িয়ে যাওয়াকুরআন তিলওয়াতকারীর জন্য জায়েয।এ থেকে বোঝা গেল যে, কারো কুরআনতিলাওয়াতরত অবস্থায় কোন ধর্মীয় আলিম আসলেতাঁর সম্মানার্থে দাঁড়িয়ে যাওয়া মুস্তাহাব। এ প্রসংগেফতওয়ায়ে শামীতে বলা হয়েছে-ﻭَﻗِﻴَﺎﻡُ ﻗَﺎﺭِﻯُ ﺍﻟْﻘُﺮْﺍﻥِ ﻟِﻤَﻦْ ﻳَﺠْﻰ ﺗَﻌْﻈِﻴْﻤًﺎ ﻟَﺎ ﻳَﻜْﺮَﻩُ ﺍِﺫْ ﻛَﺎﻥَﻣِﻤَّﻦْ ﻳَﺴْﺘَﺤِﻖَّ ﺍﻟﺘﻌْﻈِﻴْﻢَকুরআন তিলাওয়াত অবস্থায় আগমকারী কারোসম্মানার্থে দাঁড়িয়ে যাওয়া মকরূহ নয়, যদি তিনি সম্মানপাওয়ার উপযোগী হন।ফতওয়ায়ে শামী প্রথম খন্ড ﺍ ﻻﻣﺎﻣﺖ শীর্ষকঅধ্যায়ে বর্ণিত আছে যে, যদি কেউ মসজিদেরপ্রথম কাতারে জামাতের অপেক্ষায় বসে আছেন।ইত্যবসরে কোন আলিম আসলে তাকে জায়গাছেড়ে দিয়ে নিজে পিছনে চলে যাওয়া মুস্তাহাব।বরং এর জন্য প্রথম কাতারে নামায পড়া থেকে এটাআফযল। এটাতো উলামায়ে উম্মতের তাযীমেরজন্য, কিন্তু হযরত সিদ্দীক আকবর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালাআনহু তো নামায পড়ানো অবস্থায় হুযুর পাকছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাশরীফ আনতেদেখে নিজে মুক্তাদী হয়ে গেলেন এবংনামাযের মাঝামাঝি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইমাম হলেন। (মিশকাত শরীফের ﻣﺮﺽﺍﻟﻨﺒﻰ অধ্যায় দ্রষ্টব্য) উপরোক্ত বিবরণ থেকেবোঝা যায় যে ইবাদতরত অবস্থায়ও বুযুর্গানেদ্বীনের তাযীম করা যায়েয, মুসলিম শরীফেরদ্বিতীয় খন্ডে ﺣﺪﻳﺚ ﺗﻮﺑﻪ ﺍﺑﻦ ﻣﺎﻟﻚ অধ্যায়েউল্লেখিত আছে-ﻓَﻘَﺎﻡَ ﻃَﻠْﺤَﺔُ ﺍِﺑْﻦِ ﻋُﺒَﻴْﺪِﺍﻟﻠﻪِ ﺑُﻬَﺮْﻭﻝُ ﺣَﺘّﻰ ﺻَﺎﻓَﺤَﻨِﻰْ ﻭَﻫَﻨَّﺎﻧِﻰْঅতঃপর তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালাআনহু দাঁড়িয়ে গেলেন এবং দৌড়ে এসে আমারসাথে মুসাফাহা করলেন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপনকরলেন।এর প্রেক্ষাপটে নববীতে উল্লেখিত আছে-ﻓِﻴْﻪِ ﺍِﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏُ ﻣَﺼَﺎﻓَﺤَﺔِ ﺍﻟْﻘَﺎﺩِﻡِ ﻭَﺍﻟْﻘِﻴْﺎﻡِ ﻟَﻪُ ﺍِﻛْﺮَﺍﻣًﺎ ﻭَﺍﻟْﻬَﺮْﻭَﻟَﺔِ ﺍِﻟَﻰ ﻟِﻘَﺎﺀِএর দ্বারা প্রমাণিত হলো যে আগমনকারীর সাথেসুসাফাহা করা, এর সম্মানে দাঁড়িয়ে যাওয়া এবং দৌড়েএর কাছে আসা মুস্তাহাব।তৃতীয়তঃ যখন নিজের কোন প্রিয়জন আসে,তখন এর আগমনের আনন্দে দাঁড়িয়ে যাওয়া, হাত পাইত্যাদি চুমু দেয়া সুন্নাত। মিশকাত শরীফের কিতাবুলআদব ﺍﻟﻤﺼﺎﻓﺤﺔ শীর্ষক অধ্যায়ে বর্ণিত আছেযে হযরত যায়েদ ইবনে হারেছা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালাআনহু হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পবিত্রদরজার সামনে আসলেন এবং দরজার কড়া নাড়লেন।ﻓَﻘَﺎﻡَ ﺍِﻟَﻴْﻪِ ﺭَﺳُﻮْﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﺮْﻳَﺎﻧًﺎﻓَﺎَﻋْﺘَﻨَﻘَﻪُ ﻭَﻗَﺒَّﻠﻪُহুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চাদর বিহীনঅবস্থায় উনার প্রতি দাঁড়িয়ে গেলেন। অত:পরকোলাকুলি করলেন এবং চুমু খেলেন।একই অধ্যায়ে আরও বর্ণিত আছে যে যখনইহযরত খাতুনে জান্নাত ফাতিমা যুহরা আলাইহাস সালাম হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমীপে হাযিরহতেন-ﻗَﺎﻡ ﺍِﻟَﻴْﻬَﺎ ﻓَﺎَﺧَﺬَ ﺑِﻴَﺪِﻫَﺎ ﻓَﻘَﺒَّﻠَﻬﺎ ﻭَﺍَﺟْﻠَﺴَﻬَﺎ ﻓِﻰْ ﻣَﺠْﻠِﺴِﻪতখন উনার জন্য দাঁড়িয়ে যেতেন, হাত ধরে হাত চুমুখেতেন এবং নিজের জায়গায় হযরত খাতুনে জান্নাতফাতিমা যুহরা আলাইহাস সালাম বসাতেন। অনুরূপ হুযুর পাকছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন হযরত খাতুনেজান্নাত ফাতিমা যুহরা আলাইহাস সালাম উনার কাছেতশরীফ নিয়ে যেতেন, তখন তিনি (হযরত খাতুনেজান্নাত ফাতিমা যুহরা আলাইহাস সালাম) ও দাঁড়িয়েযেতেন, দস্ত মুবারকে চুমু খেতেন এবং স্বীয়জায়গায় হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেবসাতেন। মিরকাত ﺍﻟﻤﺸﺊ ﺑﺎﻟﺠﻨﺎﺯﺓ অধায়ের দ্বিতীয়পরিচ্ছেদে আছে-ﻭَﻓِﻴْﻪِ ﺍِﻳْﻤَﺎﺀٌ ﺍِﻟَﻰ ﻧُﺪُﺏِ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻡِ ﻟِﺘَﻌْﻈِﻴْﻢِ ﺍﻟْﻔُﻀَﻠَﺎﺀِ ﻭَﺍﻟْﻜُﺒَﺮَﺍﺀِজ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিদের সম্মানে দাঁড়ানোজায়েয।চতুর্থত: যখন কোন প্রিয়জনের কথা শুনে বা অন্যকোন শুভ সংবাদ পায়, তখন সে সময় দাঁড়িয়ে যাওয়ামুস্তাহাব এবং সাহাবা ও পূর্ববর্তীগণের সুন্নাত।মিশকাত শরীফের কিতাবুল ঈমানের তৃতীয়পরিচ্ছেদে হযরত উছমান আলাইহিস সালাম থেকেবর্ণিত আছে, আমাকে হযরত সিদ্দিক আকবরআলাইহিস সালাম যখন একটি শুভ সংবাদ শোনালেন-ﻓَﻘﻤْﺖُ ﺍِﻟَﻴْﻪِ ﻭَﻗُﻠْﺖُ ﺑِﺎَﺑِﻰْ ﺍَﻧْﺖَ ﻭَﺍُﻣِّﻰْ ﺍَﻧْﺖَ ﺍَﺣَﻖ ﺑِﻬَﺎতখন আমি দাঁড়িয়ে গেলাম এবং বললাম আপনার প্রতিআমার মা-বাপ কুরবান, আপনিই এর উপযোগী।তাফসীরে রুহুল বয়ানে ২২ পারায় সূরা ফাতহেরআয়াত ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ এর ব্যাখ্যা প্রসঙ্গেউল্লেখিত আছে যে, ইমাম তকিউদ্দিন সুবকীরহমতুল্লাহি আলাইহি এর দরবারে উলামায়ে কিরামের

1 টি মন্তব্য

  • Volcanic Eruption

    ভাইজান,

    আপনার পোস্ট গুলোর একটা শিরোনাম দিবেন, দেখতে দৃষ্টিকটু লাগে, আর মেইল আইডি বাদ দিয়ে একটা নাম দিন।

    না পারলে ব্লগ এডমিনের সাথে যোগাযোগ করুন।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।