হয়ত ভাবতে পারেন, এসব সাম্প্রদায়িক চিন্তা করে লাভ কি ? হিন্দুদের হাতে ক্ষমতা থাকলেই কি গনহারে হিন্দু নিয়োগ হবে ?
যারা এ ধরনের নিউট্রাল চিন্তা করেন তাদের জন্য একটি কথা বলতে হয়-
ইতিহাসে একসাথে সহকারী জজ হিসেবে সবচেয়ে বেশি হিন্দু নিয়োগ পেয়েছিলো ২০১৪ সালে। সে সময় ৬৭ জনের মধ্যে ২৩ জন অর্থাৎ ৩৪% ছিলো হিন্দু সম্প্রদায়ের। জনসংখ্যার মাত্র ২-৩% হিন্দু হয়ে বিচারবিভাগে কিভাবে এত গণহারে হিন্দু নিয়োগ পেলো, সেটাই আশ্চর্য করেছিলো সবাইকে। পরে খবর নিয়ে জানা গেলো সে সময় নিয়োগকারী সংস্থা বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলো বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা’র (বর্তমান প্রধান বিচারপতি) হাতে। এছাড়া কমিশনের আরেক সদস্য ছিলো বিশ্বজিৎ চান্দা।
আসলে এসব সাম্প্রদায়িক চিন্তা করতেই হবে। হিন্দুদের অতি সাম্প্রদায়িক কার্যক্রমই আপনাকে এসব চিন্তা করতে বাধ্য করবে। কারণ এটা চিরন্তন সত্য, একটা হিন্দু কোন পোস্টে ঢুকলে তার চর্তুপাশ্বে আরো বহু হিন্দুকে প্রবেশ করিয়ে দেয় সে, তৈরী করে হিন্দু কমিউনিটি। আমার এ কথাগুলো যদি আপনারা সাম্প্রদায়িকতা ভাবেন তবে ভুল করবেন। আপনার কাছে হয়ত ভিক্ষাবৃত্তিকে লজ্জাজনক মনে হতে পারে, কিন্তু যে ভিক্ষা করে তার কাছে সেটা মোটেও লজ্জাজনক নয়। আপনার কাছে সাম্প্রদায়িকীকরণ খারাপ জিনিস, কিন্তু হিন্দুরা সাম্প্রদায়িকীকরণে অভ্যস্থ, তার কাছে এটাই স্বাভাবিক।
তাই আজকে যারা হিন্দু তোষণ করছেন, মহানুভব হয়ে হিন্দুদের সুযোগ করে দিচ্ছেন, তারা এখনই সাবধান হওন। আপনার ছত্রছায়ায় হিন্দুরা পরগাছার মত শক্তি বৃদ্ধি করছে, নিশ্চিত থাকুন খুব শিঘ্রই আপনাকে ক্ষমতা থেকে পিটিয়ে নামাবে তারা।
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।