
হাদিস শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,অর্থ:যদি তোমরা তোমাদের নবী যিনি নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার সুন্নত উনাকে তথা সুন্নত উনার মাধ্যমে(যিকিরকে)তরক কর তবে তোমরা কুফরী করলে।(বুখারী শরীফ)নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার যিকির মুবারককে আল্লাহপাক এমনভাবে সমুন্নত করেছেন যে, এমন কোন ইবাদত বা আমল নেই যাতে হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার যিকির ও সুন্নত দ্বারা সৌন্দর্যমন্ডিত করা হয়নি।যত প্রকার ইবাদত বা আমল রয়েছে সকলের আগে পরে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার যিকির সুন্নত মুবারক রয়েছে।বান্দার দোয়া কোন অবস্তাতেই কবুল হয়না যতক্ষন পর্যন্ত হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার প্রতি দরুদ শরীফ পাঠের মাধ্যমে উনার যিকির না করা হয়।হাদিস শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ হয়েছে,অর্থ:"যতক্ষন পর্যন্ত বান্দা দোয়ার মধ্যে হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার প্রতি দরুদ শরীফ পাঠ না করে ততক্ষন পর্যন্ত তার দোয়া আসমান যমীনের মাঝে ঝুলন্ত থাকে।"সুতরাং এটাই প্রমানিত হলো যে নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনিই যিকরুল্লাহ বা আল্লাহ পাক উনার যিকির।সুবহানাল্লাহ
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।