সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

বিভাগবিহীন

কোন শব্দ পেলেই তা বিনা তাহ্ক্বীক্বে কোন মুসলমানের নামের পিছনে ব্যবহার করা যাবেনা।

নাছারা শব্দের অর্থ সাহায্যকারী হওয়ার পরও ইসলামী নাছারা শব্দ যেমন- মুসলমানদের কাছে কবুল বা পছন্দনীয় নয়। ‘শিয়া’ শব্দের অর্থ দল বা সম্প্রদায় হওয়ার পরও তার সাথে ইসলামী শব্দ যুক্ত করে ইসলামী শিয়া যেমন- আহ্লে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের কাছে কবুল বা পছন্দনীয় নয়। তেমনি মৌলবাদ শব্দের অর্থ মূল হতে আগত মতবাদ হওয়ার পরও তার সাথে ইসলামী শব্দের যোগ সাধনে ইসলামী মৌলবাদ ধারণা বা শব্দ ইসলামে কবুল বা পছন্দনীয় নয়। মূলতঃ কোন শব্দ পেলেই তা বিনা তাহ্ক্বীক্বে কোন মুসলমানের নামের পিছনে ব্যবহার করা যাবেনা। যা আল্লাহ্ পাক কোরআন শরীফে বলেন, ولا تلمزوا انفسكم ولا تنابزوا با لا لقاب- بئس الاسم الفسوق بعد الا يمان- ومن لم يتب فاولئك هم الظا لمون. অর্থঃ- “তোমরা পরস্পর পরস্পরকে দোষারোপ করোনা এবং পরস্পর পরস্পরকে অশোভনীয় লক্বব (বা উপাধি) দ্বারা সম্বোধন করোনা। (কেননা) ঈমান আনার পর অশ্লীল নাম দ্বারা ডাকা গুণাহ্ এবং যারা এটা হতে তওবা করলো না, তারা জালেমের অন্তর্ভূক্ত।” (সুরা হুজুরাত/১১) উপরোক্ত আয়াত শরীফের মধ্যে আল্লাহ্ পাক আমাদের নিজেদেরকে দোষারোপ করতে এবং পরস্পর পরস্পরকে অশ্লীল, বিশ্রী, অশোভনীয়, খারাপ ও শরীয়তবিরোধী লক্বব বা উপাধি দ্বারা সম্বোধন করতে নিষেধ করেছেন। আর আল্লাহ্ পাক এটাও বলেছেন, ঈমান গ্রহণ করার পর কাউকেও কুফরী, ফাসেকী লক্বব (উপাধি) দ্বারা সম্বোধন করা গুণাহ্ এবং নিকৃষ্টতম কাজ।

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।