
মহান আল্লাহ পাকতিনি বলেন, “যারা জানে আর যারা জানে না তারাকখনও সমান হতে পারে না। যারা জানেন তারাজ্ঞানী, বুদ্ধিমান।” এখন কোন বিষয়েজানলে তাকে বুদ্ধিমান বলা হবে। সে বিষয়টাসকলের জানা আবশ্যক। যে ব্যক্তি আইনশিখলো সে মাত্র একটি বিষয় শিখলো, যেব্যক্তি ডাক্তারী বিদ্যা শিখলো সেও একটিবিষয়েই জানে অন্য বিষয়ে সে অজ্ঞ।এমনিভাবে প্রতিটি বিষয়ে জাননেওয়ালা ব্যক্তিএকটি বিষয়েই অভিজ্ঞ। সে যে বিষয়েপড়েছে, যে বিষয়ে পিএইচডি করেছে,সে বিষয়েই সে জানে, অন্য বিষয়ে সেজানে না। আর প্রকৃতপক্ষে বুদ্ধিমান ওজ্ঞানী হলো ওই ব্যক্তি যিনি আল্লাহ পাক এবংউনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাদের মা’রিফাত মুহব্বত লাভের জ্ঞানঅর্জন করেছেন। উনাদের মা’রিফাত মুহব্বতলাভ করতে হলে যে জ্ঞান অর্জন করাপ্রয়োজন সেটা কুরআন শরীফ, হাদীছশরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসের মাধ্যমে অর্জনকরতে হয়। আর কুরআন শরীফ সম্পর্কেমহান আল্লাহ তিনি বলেন, প্রত্যেক বিষয়েকুরআন শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে। আরহাদীছ শরীফই হলো উহার তাফসীর বাব্যাখ্যা। আর উহা সহজে বুঝার অন্যতম মাধ্যমহলো ইজমা ও ক্বিয়াস।সুতরাং এই চারটি বিষয় তথা কুরআন শরীফ, হাদীছশরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসের হাক্বীক্বীজ্ঞান যার রয়েছে উনিই জ্ঞানী, উনিইবুদ্ধিমান।
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।