
একা একা প্রকৃত মুসলমান হওয়া যায় না,ওলীআল্লাহগণ উনাদের সংস্পর্শে আসতে হয়-!!!অনেকেই মনে করেন এবং বলে থাকেন- আমি নিজে নিজে পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পড়েই সবকিছু শিখে নিবো। কিন্তু তাদের এ কথা আদৌ সঠিক নয়। সাধারণ দুনিয়াতেই একজন ছেলে-মেয়েকে মাদরাসা বা স্কুলের সব বই কিনে ঘরে বসিয়ে দিলে তার পক্ষে একা একা বইগুলো আয়ত্ত করা সম্ভব নয়। তাহলে মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের কি করে একা একা শিক্ষা করা সম্ভবপর হবে?মহান আল্লাহ পাকরাব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফেই ওলীআল্লাহ তথা হক্কানী রব্বানী আলেমগণ উনাদের নিকট যেতে আদেশ করেছেন।পবিত্র সূরা তাওবা শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ-১১৯উনার মাঝে ইরশাদ মুবারকহয়েছে- “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আর ছদিক্বীন তথা সত্যবাদীগণ উনাদের সঙ্গী হয়ে যাও।পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ছদিক্বীনগণের ছোহবত মুবারক অর্জন করতে বলার কারণ হলো- ছদিক্বীনগণহলেন সর্বোচ্চ স্তরের আল্লাহওয়ালা। অর্থাৎ যিনিছদিক্ব, তিনি সর্বগুণে গুণান্বিত, তিনিই হাক্বীক্বী আলেম, ফক্বীহ।আমরা প্রতিদিনই পাঁচ ওয়াক্ত নামাযে বা অন্যান্য সময় আমরা পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করে বলে থাকি- “আয় আল্লাহ পাক, আমাদেরকে সরল পথ দেখান। উনাদেরপথ দেখান, যাঁদেরকে আপনি নিয়ামত দান করেছেন।”অর্থাৎ আমরা সর্বদা উনাদের পথই চাই, যাঁদেরকে নিয়ামত দান করা হয়েছে। এখন নিয়ামত কাদেরকে দেয়া হয়েছে সেটাও মহান আল্লাহ পাক তিনি জানিয়ে দিয়েছেন।মহান আল্লাহ পাক তিনি এ সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক নবী, ছিদ্দীক্ব, শহীদ, ছালেহ্গণ উনাদেরকে নিয়ামতমুবারক দান করেছেন।” সুবহানাল্লাহ!এখানে নবী আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের দরজা আলাদা; আর ছাদিক্ব, ছালেহ্, শহীদগণ উম্মতগণের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরের নিয়ামতপ্রাপ্ত।তাই মহানআল্লাহ পাক তিনি আদেশ মুবারক করেছেন, “তোমরাছদেক্বীনগণের ছোহবত মুবারক অর্জন করো।”সুতরাং হক্ব মত-পথ পেতে হলে, তথা সর্বদা পবিত্র ঈমানের উপর দায়িম-ক্বায়িম থাকতে হলে অবশ্যইছাদিক্বীন তথা আল্লাহওয়ালাগণেরসংস্পর্শ মুবারক তথা ছোহবত মুবারক অর্জন
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।