কুখ্যাত সন্ত্রাসী

১) বুশ: এ কুখ্যাত সন্ত্রাসী আমেরিকার সাবেক
প্রেসিডেন্ট, ইরাক-আফগানিস্তানে কোটি
কোটি মুসলমানকে শহীদ করার মূল হোতা।
২) নরেন্দ্র মোদি: এ কুখ্যাত সন্ত্রাসী বর্তমান
ভারতের প্রধানমন্ত্রী, গুজরাট দাঙ্গার মূল
হোতা, অসংখ্য মুসলমানদের তার নির্দেশেই হত্যা
করা হয়। বর্তমান হিন্দুত্ববাদী ভারতে তার
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মূল কারণই হচ্ছে সফলতার
সাথে মুসলিম নির্যাতন করা। উল্লেখ্য, সার্চ
ইঞ্জিন গুগলেও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের
তালিকায় রয়েছে এ সন্ত্রাসী।
৩) নেতানিয়াহু: এ কুখ্যাত সন্ত্রাসী বর্তমান
পরগাছা রাষ্ট্র ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী।
ফিলিস্তিনের মুসলিম নির্যাতন বর্তমান
দিক-নির্দেশক সে। এ সন্ত্রাসীর দিক-
নির্দেশনায় বর্তমানে ফিলিস্তিনের অসংখ্য
মুসলমানকে হত্যা করা হচ্ছে।
৪) থেইন সেইন : এ কুখ্যাত সন্ত্রাসী হচ্ছে
মায়ানমারের প্রেসিডেন্ট। সন্ত্রাসী থেইন
সেইনের দিক-নির্দেশনায় মায়ানমারে
প্রতিনিয়ত রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর চলছে
জাতিগত নিধন।
৫) ওবামা: বুশের সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমকে
দুটার্মে এসে সে বর্ধিত করে। ইরাক-
আফগানিস্তানে হামলা ছাড়াও পাকিস্তান,
সিরিয়া, ইয়েমেনে ড্রোন হামলা চালনার
নির্দেশ দেয় এ দুধর্ষ সন্ত্রাসী।
৬) নিকোলাস সারকোজি: ফ্রান্সের মুসলিম
জনগণের উপর নিপীড়ন চালানোর জন্য কুখ্যাত।
দেশটির মুসলিম নারীদের বোরকার উপর
নিষেধাজ্ঞা, মসজিদের অনুমোদন না দেয়া,
হালাল খাদ্যের উপর নিষেধাজ্ঞা এই
সন্ত্রাসী চালু করে।
৭) শি জিংপিং: চীনের প্রেসিডেন্ট। চীনের
উইঘুর মুসলিমদের উপর দমন নিপীড়ন এ কুখ্যাত
সন্ত্রাসীর নির্দেশেই।
৮) টনি ব্লেয়ার: ব্রিটেনের সাবেক
প্রধানমন্ত্রী। ইরাক-আফগানিস্তান যুদ্ধে
কুখ্যাত সন্ত্রাসী বুশের প্রধান সহযোগী হচ্ছে
এই টনি ব্লেয়ার।
৯) এন্টি বালাকা: একটি উগ্রখ্রিস্টবাদী
সন্ত্রাসী সংগঠন। মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে
গণহারে মুসলিম নিধন ও বিতাড়নের সময় এ
খ্রিস্টান সন্ত্রাসী সংগঠনটি কাজ করে। এরা
মুসলমানদের হত্যা করে আগুনে পুড়িয়ে তাদের
গোশত ভক্ষণ করে।
১০) জন হাওয়ার্ড: অস্ট্রেলিয়ার সাবেক
প্রধানমন্ত্রী। এ সন্ত্রাসী ইরাক-
আফগানিস্তান উভয় স্থানে মার্কিন নেতৃত্বে
মুসলিম নিধনে তার দেশের সৈন্য প্রেরণ
করেছিলো। শুধু তাই নয়, এ সন্ত্রাসী
প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় বলেছিলো- “যে
সকল মুসলমান শরীয়া আইন মেনে থাকতে চায়,
তারা অস্ট্রেলিয়া থেকে গেইট আউট”।
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।