সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

বিভাগবিহীন

কমপক্ষে একমুষ্ঠি পরিমাণ লম্বা দাড়ী রাখা ফরজ/ওয়াজিবের অন্তর্ভূক্ত।

কমপক্ষে একমুষ্ঠি পরিমাণ লম্বা দাড়ী রাখা ফরজ/ওয়াজিবের অন্তর্ভূক্ত। আর এক মুষ্ঠির কমে দাড়ী চাছা ও কাটা হারাম। শরীয়তের ফায়সালা হলো- যারা সর্বদা ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্ তরক করে অথবা সর্বদা হারাম কাজে লিপ্ত, শরীয়তের দৃষ্টিতে তারা ফাসেকের অন্তর্ভূক্ত। আর সর্বসম্মতিক্রমে ফাসেকের পিছনে নামাজ পড়া মাকরূহ্ তাহ্রীমী। অতএব, যারা দাড়ী এক মুষ্ঠি হওয়ার পূর্বে কাটে বা ছাটে, তারা ফরজ তরক করা বা হারাম কাজে লিপ্ত থাকার কারণে ফাসেকের অন্তর্ভূক্ত। এরূপ ব্যক্তির পিছনে নামাজ পড়া মাকরূহ্ তাহ্রীমী। ফাসেকের পরিচয় ও তার আহ্কাম — এ প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ আছে যে, ﻭﺍﻟﻔﺎﺳﻘﻤﻨﻔﻌﻠﻜﺒﻴﺮﺓﺍﻭﺍﺻﺮﻋﻠﻯﺼﻐﻴﺮﺓ - ‏( ﺷﺎﻣﻯﺞ ৪ ﺻﻔﻪ ৫৩১) অর্থঃ- ফাসেক ঐ ব্যক্তি, যে কবীরা গুণাহ্ করে অথবা ছগীরা গুণাহ্ বারবার করে। (ফতওয়ায়ে শামী ৪র্থ জিঃ পৃষ্ঠা-৫৩১) আর হাদীস শরীফে এরশাদ হয়েছে যে, ﻗﺎﻟﺮﺳﻮﻻﻟﻠﻬﺼﻠﻯﺎﻟﻠﻬﻌﻠﻴﻬﻮﺳﻠﻢ- ﻻﻳﺆﻣﻔﺎﺟﺮﻣﻮﻋﻤﻨﺎ . ‏(ﺍﺑﻨﻤﺎﺟﻪ ) অর্থঃ- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুজুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “ফাসেক ব্যক্তি মু’মিন ব্যক্তিদের ইমামতী করবে না।” (ইবনে মাযাহ্) আর তাই ফিক্বাহের কিতাবসমূহে উল্লেখ আছে যে, অর্থঃ- ফাসেক ব্যক্তি ইমামতী করার উপযুক্ত নয়। ফাসেকের পিছনে নামাজ পড়া মাকরূহ্ তাহ্রীমী। তাই এরূপ (ফাসেক) ইমামকে অনতিবিলম্বে ইমামতী পদ থেকে সরিয়ে দেয়া আবশ্যক। (ফতওয়ায়ে রহীমিয়াহ্ ১ম জিঃ পৃষ্ঠা-১৬৫) উপরোক্ত আলোচনা দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, যে ব্যক্তি কবীরা গুণায় লিপ্ত অথবা সর্বদা ছগীরা গুণাহ্ করে থাকে, অর্থাৎ যে ব্যক্তি ফরজ, ওয়াজিব অথবা সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ বিনা শরয়ী ওজরে তরক করে, শরীয়তের দৃষ্টিতে সে ব্যক্তি ফাসেক। আর হাদীস শরীফ ও ফিক্বাহের কিতাবের বর্ণনা দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, ফাসেকের পিছনে নামাজ পড়া মাকরূহ্ তাহ্রীমী

1 টি মন্তব্য

  • নাবিক

    দাড়ি একমুষ্টিই রাখতে হবে, সরাসরি কোরান হাদিস থেকে দলিল দেন?

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।