About zihad

অনলাইনে জিহাদের ফোরামে ঢুকছেন তো-FBI, CIA’র ফাঁদে পা দিছেন নাফিসের মত! ভাই এবং বোনেরা আমার লেখাটা একটু বড় তাই একটু সময় নিয়ে পরেন অনেক গুরুত্বপুর্ন Information জানতে পারবেন আমেরিকা সরকার কর্তৃক নাফিস কে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে ফাসানোর এই ঘটনা টা নিয়ে সারা বাংলাদেশ এখন উত্তাল। আপনি Google এ জিহাদ/Zihad লিখে Search দিলেই অনেক ফেইক ওয়েবসাইট পাবেন যেইখানে আপনাকে জিহাদ করতে উত্সাহিত করা হবে এমনকি তারা আপনার সাথে যোগাযোগ করে জিহাদের সরঞ্জাম পৌছানোরও ব্যবস্থা করে দিবে। কিন্তু ভাই এই ওয়েবসাইট গুলি FBI, CIA রা চালায়। ভুলেও আপনি কখনো এই জাতীয় তথাকথিত জিহাদী ওয়েবসাইটে নাম নিবন্ধন করছেন তো আপনার খবর আছে। শুধু নাফিস না এই পর্যন্ত চার জন বাংলাদেশী যুবক এইভাবে জিহাদী ওয়েবসাইটে নাম নিবন্ধন করতে যাইয়া এখন আমেরিকায় জেলে পঁচতাছে। অনেক আগেই আমার কিছু শুভাকাঙ্গী আমাকে নেটে এই জাতীয় ফেইক জিহাদী ওয়েবসাইটের কথা বলেছিল। ফিলিস্তিন কাশ্মীর বার্মা চেচনিয়া এরকম অনেক দেশেই মুসলমানরা দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ভোগ করছে। তাই স্বাভাবিক ভাবেই মুসলমান যুবকদের মাঝে কিছু ক্ষোভ থাকতেই পারে। আর এই ক্ষোভটাকেই টোপ হিসাবে কাজে লাগাতে চাচ্ছে হোয়াইট হাউস।এখন আমাদের কে বুঝতে হবে জিহাদ বা ক্বিতাল পৃথিবীর কোন কোন দেশে হতে পারে। ইসলামী শরীয়তে রাষ্ট্র ৩ ভাগে বিভক্ত। দারুল ইসলাম, দারুল কুফর, দারুল হারব। দারুল ইসলাম মানে খিলাফত রাষ্ট্র যেটা বর্তমান পৃথিবীর কোন দেশেই নাই। দারুল কুফর মানে দেশের জনগন মুসলমান কিন্তু দেশটি চলে কুফরী আক্বীদা দ্বারা যেমন গনতন্ত্র সমাজতন্ত্র রাজতন্ত্র ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা। আর দারুল হারব বা যুদ্ধের দেশ বলতে বুঝায় যেইখানে শত্রু সৈন্যের উপস্থিতি আছে বা মুসলমানরারা স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছে যেমন আফগানিস্তান কাশ্মীর ফিলিস্তিন চেচনিয়া। হ্যা ঐসব দেশে জিহাদ বা ক্বিতাল করা বৈধ কিন্তু ঐসব দেশ ছাড়া আর কোন দেশেই সেটা আমেরিকাই হোক বা ইংল্যান্ড বা ফ্রান্স হোক সেইসব দেশে জিহাদের নামে কখনোই ঐসব দেশের নিরীহ বেসামরিক লোকদের কে হত্যা করা ইসলামী শরীয়তে পুরাপুরী হারাম। আল ক্বায়েদা মূলত ইমাম ইবনে তাইয়িমার একটা ফতোয়া ব্যবহার করে যেই ফতোয়াটা ইমাম ইবনে তাইয়িমা তাতার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুসলমানদের জিহাদের সময় দিয়েছিলেন। কিন্তু ইমাম ইবনে তাইয়িমার এই ফতোয়াটা দারুল হারব ছাড়া আর অন্য কোন দেশে প্রযোজ্য হবে না। আপনারা হয়ত অনেকেই জানেন না যে আল ক্বায়েদা শুধু আরবদের সংগঠন। অনারবদের আল ক্বায়েদায় কোন প্রবেশাধিকার নাই। আর এখন আরব বসন্ত শুরু হইছে আরব বিশ্বে। আল ক্বায়েদার উচিত এখন আফগানিস্তান ছেড়ে আফগান লোকদেরকে মুক্তি দিয়ে আরব বিশ্বে চলে যাওয়া। এই শুধু আল ক্বায়েদার জন্য আফগানিস্তান দেশটা শেষ হয়ে গেল। আর আমাদের মুসলমানদের উচিত আগে খিলাফত ব্যবস্থার দিকে ধাবিত হওয়া। মুসলিম বিশ্বে একজন কেন্দ্রীয় খলিফা থাকা সব সময় ফরজ কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশে মাওসেতুং এর নামে স্লোগান দিলে কিছু হয় না কিন্তু রাজপথে খিলাফতের কথা বললেই সাথে সাথে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা খেয়ে ১ বছরের জন্য জেলে যেতে হয়। – Farabi Shafiur Rahman
2 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
কুমিল্লাবাসী
সাল সা বিল