সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

ইসলামী খেলাফত

আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করে সমস্ত হারাম –নাজায়েয কাজ থেকে বিরত থাকতে পারলে অবশ্যই আল্লাহ পাক উনার গায়েবি মদদ পাওয়া যাবে!!!

বদরের জিহাদে মহান আল্লাহ পাক তিনি সরাসরি ফেরেশতা পাঠিয়ে সাহায্য করেন। কুরআন শরীফ-এ সূরা আলে ইমরানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “বস্তুত আল্লাহ পাক তিনি বদরের জিহাদে আপনাদের সাহায্য করেছেন, অথচ আপনারা ছিলেন অল্প সংখ্যক। কাজেই আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করতে থাকুন, যাতে আপনারা কৃতজ্ঞ হতে পারেন। আপনি যখন বলতে লাগলেন মু’মিনগণকে, আপনাদের জন্য কি যথেষ্ট নয় যে, আপনাদের সাহায্যার্থে আপনাদের পালনকর্তা আসমান থেকে অবতীর্ণ তিন হাজার ফেরেশতা পাঠাবেন।” (সূরা আলে ইমরান : আয়াত শরীফ ১২৩, ১২৪) বায্যার এবং হাকেমের বর্ণনায় এসেছে, “হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেছেন, যুদ্ধ শুরু করার সময় আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে এবং হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আবু বকর ছিদ্দীক্ব (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) আপনার সঙ্গে রয়েছেন হযরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম। আর হে আলী (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু!) আপনার সঙ্গে রয়েছেন হযরত মিকাঈল আলাইহিস সালাম। আর হযরত ইসরাফীল আলাইহিস সালাম তিনিও তার বাহিনী নিয়ে প্রস্তুত। আর বদরের জিহাদে যেসব ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ শরীক হয়েছিলেন উনাদের মর্যাদা সম্পর্কে আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “আপনারা যা ইচ্ছা করুন।” সুবহানাল্লাহ! উল্লেখ্য, যেসব ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ বদরের জিহাদে অংশগ্রহণ করেছেন এবং শাহাদত গ্রহণ করেছেন উনাদের মর্যাদা সর্বাগ্রে। বদরের জিহাদ হচ্ছে মুসলমানদের প্রথম জিহাদ। যে জিহাদে মুসলমানরা ছিলেন মাত্র ৩১৩ থেকে ৩১৫ জন। আর কাফিরের সংখ্যা ছিল এক হাজারেরও বেশি। ইসলামের চিরশত্রু আবু জাহিলসহ কাফিরদের ১১ জন বড় বড় নেতা এ জিহাদে নিহত হয়ে চির জাহান্নামী হয়। প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য, সমস্ত কায়িনাতবাসীর জন্য তথা বিশ্বের সকল মুসলিম সরকারের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে-কিভাবে মুসলমানের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা যায় তার চিন্তা করা!! বদর জিহাদ থেকে নছীহত হাছিল করা এবং এ দিনে সরকারিভাবে ছুটির ঘোষণা করা। এছাড়া ইসলামী সব বিশেষ বিষয় সম্পর্কে ইলম হাছিল করা এবং এসব মর্যাদাপূর্ণ দিনগুলো বেমেছাল তাযীম-তাকরীম ও গভীর জওক-শওকের সাথে ব্যাপক কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি যথাযথভাবে পালন করা। এ দিনে বিশেষ মীলাদ শরীফ, ক্বিয়াম শরীফ পাঠ ও এ দিনের ফাযায়িল-ফযীলত বর্ণনা করা তথা ওয়াজ মাহফিল ও সামা শরীফ-এর মাহফিলের ব্যবস্থা করা, মানুষকে খাদ্য খাওয়ানো, গরীব-দুঃখীদের আর্থিক সহায়তা করা সহ সব ধরনের নেক কাজ করা।

1 টি মন্তব্য

  • হালাল

    আল্লাহ আমাদেরকে মহান মুরশিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক উছিলায়
    হকের ইস্তিকামত থাকার তৌফিক দান করুন
    এবং নাহক থেকে হেফাজত থাকার তৌফিক দান করুন।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।