চর্মনাই বাংলা সব্দকে যদি ভাঙ্গা হয় তাহলে চর্ম + নাই = চামড়া নাই/চামড়া ছাড়া। আরেক টি কথা আছে চোখে চামরা নাই মানে লজ্যা নাই। আসলে এ সব কথা বলার দরকার ছিল না কিন্তু তাদের কাজের মধ্যে এর প্রমান হবহু পাওয়া যায়। যেমনঃ একমাত্র তারা ছাড়া আর কোন তাসাউফ দাবীদার রা মার মার কাট কাট এর মধ্যে নাই। তারা প্রকাশ্য ছবি তুলে, ভোট নির্বাচন করে। মহিলা কমিশনারদের সাথে উঠা বশা করে। অস্ত্রবাজি করে। তারা দাবী করে তারা চিস্তিয়া সাবেরিয়া তরীকার সবক দেয় কিন্তু বাস্তবে চিস্তিয়া সাবেরিয়া তরীকার সবকের সাথে তাদের সবক মিলেনা। তারা খেলাফতের মাধ্যমে পিরে কামিল হয়না তারা পিরে কামিল নির্ধারণ করে নির্বাচনের মাধ্যমে। এছাড়া বড়িশাল এলাকায় তাদের কু্-কিত্তির কাহিনি আর কি বলব। বর্তমানে যে গদিনিশিন সে মদপান করে জুয়াখেলে বালে সবাই জানে। আরো আছে তারা মিলাদ কিয়াম করেনা । তারা কেউ কেউ মাযহাব মানেনা ইত্যাদি ইত্যাদি....
১।বেপর্দা হয়,
২।ছবি তোলে,
৩।গনতন্ত্র করে,
৪। কুরআন শরীফকে মাখলুক বলে,
৫। মাযহাব মানেনা,
৬। মীলাদ ক্বিয়ামের বিরোধীতা করে।
তাদের আক্বীদার ৯৮% ওহাবী আক্বীদা, ১% খারেজী আক্বীদা, ১% অন্যান্য।
ফজলুল করীমের বাবা ও পীর সাহেব ছিল না। সে হযরত নেছার উদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফ যেত। হযরত নেছার উদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি নিয়মিত মীলাদ শরীফের আয়োজন করতেন। ফজলুল করীমের বাবা ওখানে গিয়ে বসে থাকতো।এর পর নিজে পীর সাহেব দাবী করে চর্মনাই পীর সাজছে। ফজলুল করীমের বাবা যখন মারা যায় তখন তাদের আত্মীয় স্বজনরা ফজলুল করীম কে কথিত পীর সাজাইছে। অথচ ফজলুল করীম ছিলো খুব দুষ্ট প্রকৃতির এবং চরম বদ আমলের। সে তার সৎ মায়ের উপর অনেক অত্যাচার করতো। আর তার ছেলে এখন যে গদি তে বসছে তার আমলের কথা বলে তো লাভ নাই। এটা সবাই জানে।
সিংহশাবক
তরীক্বাপন্থীর আদলে ওহাবীর দোসর তারা...
তদুপরি ১৯
চর্ম নাই *(চামড়া ছাড়া) রা নিজেদের মৌলবাদী দাবী করে ও সকল মুসলমানকে মৌলবাদী বলে দাবী করতে বলে। তারা কুফুরী ফতওয়া দেয়, "যে মুসলমান নিজেকে মৌলবাদী বলে দাবী করবে না, সে জারজ সন্তান " (নাউজুবিল্লাহ)।
এই জারজ পীর বাহিনীকে তার জারজ সন্তানতুল্য মুরীদদেরকে দোররা মারা হোক
বাংলা ব্লগ
Sirwatwal Mustaqeem
jhunuapon
ata asholey sotto/
কনভার্টার
২।ছবি তোলে,
৩।গনতন্ত্র করে,
৪। কুরআন শরীফকে মাখলুক বলে,
৫। মাযহাব মানেনা,
৬। মীলাদ ক্বিয়ামের বিরোধীতা করে।
তাদের আক্বীদার ৯৮% ওহাবী আক্বীদা, ১% খারেজী আক্বীদা, ১% অন্যান্য।
ফজলুল করীমের বাবা ও পীর সাহেব ছিল না। সে হযরত নেছার উদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফ যেত। হযরত নেছার উদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি নিয়মিত মীলাদ শরীফের আয়োজন করতেন। ফজলুল করীমের বাবা ওখানে গিয়ে বসে থাকতো।এর পর নিজে পীর সাহেব দাবী করে চর্মনাই পীর সাজছে। ফজলুল করীমের বাবা যখন মারা যায় তখন তাদের আত্মীয় স্বজনরা ফজলুল করীম কে কথিত পীর সাজাইছে। অথচ ফজলুল করীম ছিলো খুব দুষ্ট প্রকৃতির এবং চরম বদ আমলের। সে তার সৎ মায়ের উপর অনেক অত্যাচার করতো। আর তার ছেলে এখন যে গদি তে বসছে তার আমলের কথা বলে তো লাভ নাই। এটা সবাই জানে।
সিংহশাবক
তদুপরি ১৯
এই জারজ পীর বাহিনীকে তার জারজ সন্তানতুল্য মুরীদদেরকে দোররা মারা হোক
Sirwatwal Mustaqeem