Difference between HAQUE and NAHAQUE.

বর্তমানে প্রচলিত ইলিয়াস
মেওয়াতির স্বপ্নে পাওয়া তাবলীগ
হচ্ছে, হাদীস শরীফে বর্নিত
খারীজি ফির্কা তার...
বর্তমানে সকলের পরিচিত
এবং তথাকথিত বড় দল হচ্ছে ইলিয়াস
মেওয়াতির স্বপ্নে পাওয়া তাবলীগ।
এ দলের লোকেরা সাধারণ মানুষদের
বিভিন্ন মনোমুগ্ধকর কথামালার
বেড়াজালে আবদ্ধ করে নিজেদের
দল ভারী করার চেস্টা করে।
এবং সাধারণ মানুষও এদের
কথা শুনে এবং ফায়দা ফযিলতের
কথা শুনে আকৃষ্ট হয়। কিন্তু বেশিরভাগ
সাধারণ মানুষ এই তাবলিগ জামাতের
কুফরী আক্বীদা সম্পর্কে অবগত নয়।
সাধারন লোকজন এদের
আক্বীদা সম্পর্কে না জেনে শুধু এদের
দাওয়াতী কাজে যোগ
দিয়ে নবীওয়ালা কাম
করছে বলে গর্ববোধ করে।
কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এই
চিল্লাওয়ালা স্বপ্নেপ্রাপ্ত
তাবলিগ হচ্ছে হাদীস শরীফে বর্নিত
খারেজী ফির্কা।
আসুন আমরা উক্ত
খারেজী ফির্কা সম্পর্কে বর্নিত
আলামত সমৃদ্ধ হাদীস শরীফ
খানা দেখি--
" সাহাবী আবু সাঈদ খুদরী ও হযরত
আলী রদ্বিয়াল্লাহু
আনহুমা উনারা বলেন যে, হুজুর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বলেছেন, আমার বিদায়ের পর পূর্ব
দেশগুলির মধ্যে হতে কোন একটি দেশ
হতে আমার উম্মতের ভিতর
হতে একটি দল বের হবে। এই দলের
সদস্যগন হবে অশিক্ষিত এবং মূর্খ। এদের
মধ্যে কোন শিক্ষিত লোক
গেলে সেও হয়ে যাবে মূর্খের মত।
তাদের বক্তৃতা হবে বহুগুনের
ফযীলতের। তাদের মত
বক্তৃতা বা বয়ান কারো হবে না।
তাদের সকল আমলগুলা হবে খুবই নিখুত ও
সুন্দর । তাদের নামাজের তুলনায়
তোমাদের নামাজকে তুচ্ছ
মনে করবে,তাদের
রোজা দেখে তোমরা তোমাদের
রোজাকে তুচ্ছ ও নগন্য মনে করবে ।
তাদের আমল দেখে তোমাদের
আমলকে হেয় মনে করবে। তারা কুরআন
শরীফ পড়বে কিন্তু তা তাদের গলার
নিচে যাবে না। তারা কুরআনের উপর
আমল বা কুরআন প্রতিষ্ঠার কোন
চেষ্টাও করবে না। এদের আমল
তোমাদের যতই আকৃষ্ট করুক
না কেন,কখনোই এদের দলে যাবে না।
কারন প্রকৃতপক্ষে এরা ইসলাম
থেকে খারীজ, দ্বীন হতে বহির্ভূত ।
তীর যেমন ধনুক হতে বের
হয়ে যায়,সে আর কখনো ধনুকের নিকট
ফিরে আসে না।
তেমনি এরা দ্বীন
থেকে বেরিয়ে যাবে,আর
কখনো দ্বীনের পথে ,কুরআন সুন্নাহর
পথে ফিরে আসবে না।""
দলীল-
√ ফতহুল বারী ১২ তম খন্ড ৩৫০ পৃষ্ঠা ।
√ মিরকাত শরীফ ৭ম খন্ড ১০৭ পৃষ্ঠা ।
এবং মজার বিষয় উল্লেখ্য হাদীস
শরীফ খানা বাংলাদেশের
দেওবন্দী দের অন্যতম শায়খুল হদস মৃত
আজিজুল হক তার মাসিক পত্রিকা "
রহমানী পয়গাম" এপ্রিল/২০০৩ সংখ্যার
১২৪৭
নং জিজ্ঞাসা-জবাবে সহীহ
বলে উল্লেখ করছে।
এখন জানার বিষয় হচ্ছে উল্লিখিত
হাদীস শরীফে বর্নিত আলামত
বা লক্ষন সমূহ তাবলিগীদের
মধ্যে আছে কিনা ?
এর জবাবে বলতে হয়- উল্লিখিত
হাদীস শরীফে খারেজী ফির্কার
যতগুলা লক্ষন বর্নিত আছে তার সবগুলাই
তাবলীগ জামাতের
মধ্যে বিরাজমান। আসুন
আমরা বিশ্লেষণ করে দেখি-
প্রথমত বলা হয়েছে, " পূর্ব দেশ গুলির
মধ্য হতে কোন একটি দেশ
থেকে আমার উম্মতের ভিতর
থেকে একটি দল বের হবে। "
→ দেখুন, প্রচলিত এই ছয়
উছুলী চিল্লাওয়ালা স্বপ্নেপ্রাপ্ত
তাবলিগ এর উৎপত্তি পূর্ব দেশ থেকে ।
অর্থাৎ ১৩৪৫ হিজরী সনে পূর্ব দেশ
ভারতের মৌলবী ইলিয়াস
মেওয়াতী 'তাবলীগ জামাত' নামক
এই ছয় উছুলী তাবলিগ প্রবর্তন করে।
বর্তমানেও ভারতের নিজামুদ্দিন
বস্তিতে তাদের মূল মারকায
বা ঘাটি রয়েছে ।
সূতরাং দিবালোকের মত প্রমান
হলো যে, প্রচলিত ছয়
উছুলী চিল্লাওয়ালা তাবলিগ
জামাত নামক দলটি পূর্ব দেশ থেকেই
বের হয়েছে ।
দ্বিতীয়ত বলা হয়েছে, " এই দলের সদস্য
গন হবে অশিক্ষিত ও মূর্খ। এদের
মধ্যে কোন শিক্ষিত লোক
গেলে সেও হয়ে যাবে মূর্খের মত।"
→ দেখুন, এ কথা সর্বজন স্বীকৃত যে, এই
প্রচলিত
চিল্লাওয়ালা তাবলিগীদের
অধিকাংশ সদস্যই হচ্ছে মূর্খ। এদের
প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস
মেওয়াতী তার মলফুজাতে মূর্খ
শ্রেণীর লোক দ্বারা দল ভারী করার
কথা বলে গিয়েছে। আর মজার
ব্যাপার এদের দলে কোন শিক্ষিত
লোক গেলে সেও
ধীরে ধীরে মূর্খে পরিনত হয়।
এরা ফাজায়েলে আমল ব্যতীত অন্য
কোন কিতাব দেখতেও চায়
না,পড়তেও চায় না। এবং ছয় উছুলের
বাইরে অন্যকিছু তারা আলোচনাও
করে না। তাই কোন শিক্ষিত লোক
সেখানে গেলে পূর্ন ইলিম চর্চার
অভাবে মূর্খে পরিনত হয়। আর
সবচেয়ে মজার বিষয় এই
চিল্লাওয়ালা তাবলিগিরা আলিমদের
চাইতে মূর্খদের বেশি প্রাধান্য
দিয়ে থাকে।
যা তাদের মুরুব্বী দের বক্তব্য
দ্বারা প্রমানিত।
যেমন- তাবলীগিদের বিশিষ্ট
মুরুব্বী ইসমাঈল হোসেন
দেওবন্দী তার কিতাবে লিখেছে--
"অনেক স্থলে নবীগন পর্যন্ত
হিদায়েতে বিরাট সংকটে ও
বিপদে পড়িয়াছিলেন,তাই
অনেক স্থানে বিরাটলআলেমও ফেল
পড়িতেছে। কিন্তু মূর্খগন তথায় দ্বীন
জয় করিতেছে।"
দলীল-
√তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু
দায়িত্ব ১১৬ পৃষ্ঠা ।
সবাই একটু লক্ষ্য করুন তাবলীগ
মৌলবী নিজেই স্বীকার
করলো তাবলীগি দের অধিকাংশ
মূর্খ। কারন তার কিতাবে মূর্খগন
দ্বারা তাবলীগিদের বুঝিয়েছে।
শুধু তাই নয়, তাবলীগি দের
কিতাবে আরো আছে--
" মূর্খ লোক আমীর হওয়ার জন্য তিন
চিল্লা যথেষ্ট । আর আলেম
দের জন্য প্রয়োজন সাত চিল্লা।"
দলীল-
√ তের দফা ৭ পৃষ্ঠা ।
তারা আরো বলে থাকে-
"দ্বীন প্রচার শুধু আলেম দের
মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে দ্বীন ধ্বংস
হয়ে যেত এবং যাবে। অর্থাৎ জাহেল
লোক তাবলিগ করার কারনে দ্বন
টিকে ছিলো এবং ভবিষ্যতেও
টিকে থাকবে। "
দলীল-
√ তাবলীগ জামাতের সমালোচনা ও
উহার সদুত্তর ৯৫ পৃষ্ঠা ।
মূল : শা : আ: জাকারিয়া। অনুবাদ-
মুহিববুর রহমান আহমদ।
এবার আপনারাই বিচার করুন
হাদীস শরীফে বর্নিত দ্বিতীয় লক্ষল
মিলে গেলো কিনা??
তৃতীয়ত বলা হয়েছে, " তাদের
বক্তৃতা হবে বহুগুনের ফযীলতের।
তাদের মত বক্তৃতা বা বয়ান
কারো হবে না।"
→ এ কথা সারা দুনিয়াবাসীর
জানা যে, প্রচলিত এই
চিল্লাওয়ালা তাবলীগিরা তাদের
বয়ানে শুধু ফজিলতের কথাই বলে।
তাদের প্রতিটা সদস্যদের একটাই
বুলি- " দ্বীনের রাস্তায় সময় লাগান,
বহু ফায়দা হবে, তিন চিল্লা মারেন
বহু ফায়দা হবে, গাস্ত করেন বহু
ফায়দা হবে!!!""
এই বহু
ফায়াদা হবে এটা তাবলীগিদের
একটা কমন ডায়ালগ। সেটাই কিন্তু
হাদীস শরীফে বলা হয়েছে- তাদের
বক্তৃতা হবে বহুগুনের ফযীলতের
বা ফায়দার।"
যেমন কিরকম ফযীলতের
কথা এরা বলে একটা উদাহরণ
দিলে বুঝবেন। এরা সাধারণ
মানুষকে মসজিদে ডেকে নিয়ে বুঝায়-
" গাশত
কারীরা যে রাস্তা দিয়ে হেটে যায়
সে রাস্তায় যে ঘাস হয়, সে ঘাস
যে গরু খায়, সে গরুর দুধ বা গোশত
যারা খাবে তারাও
বেহেশতে যাবে, এতো ফায়দা হবে।"
তাদের বক্তব্যে আরো শোনা গেছে-
" কিছু সময় গাশতে বের
হওয়া শবে বরাত ও শবে কদরের
রাতে হাজরে আসওয়াদকে সামনে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার
চাইতেও উত্তম।"
এবার চিন্তা করুন, হাদীস
শরীফে বর্নিত লক্ষম এদের
মধ্যে পাওয়া যায় কিনা।
আর এসকল কথার সত্যতা তাদের
মুরুব্বী দের কিতাবেই পাওয়া যায়।
তাবলীগ জামায়াত এর
প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস
মেওয়াতি তার
মালফুযাতে লিখেছে-
" ফাযায়েলের
মর্যাদা মাসায়েলের
চাইতে বেশি।"
দলীল-
√ মলফুযাত ১২৮ পৃষ্ঠা ২০১ নং মালফুজ।
√ তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব
১০১ পৃষ্ঠা ।
তাদের অন্যতম
মুরুব্বী মাওলানা নোমান আহমদ
লিখেছে-
" সারা বছর প্রতি মাসে তিন দিন
করে লাগালে পুরা বছর আল্লাহর
রাস্তায় কাটানো হয়েছে বলে গন্য
হবে। কারন প্রতি নেক কাজে দশগুন
সাওয়াব হিসেবে একদিনের
কাজে ত্রিশ দিনের সাওয়াব
পাওয়া যাবে।"
দলীল-
√ হযরতজীর কয়েকটি স্মরনীয় বয়ান ১৩
পৃষ্ঠা ।
তারা ফায়দার
কথা বলতে গিয়ে আরো বলে-
" প্রচলিত তাবলীগ হচ্ছে নূহ আলাইহিস
সালাম উনার কিস্তির ন্যায়।
তাতে যার উঠলো তারা নাজাত
পেয়ে গেলো।"
দলীল-
√ তাবলীগ কা মুকিম কাম ৩৯ পৃষ্ঠা ।
সূতরাং উপরোক্ত বিষয়
গুলা থেকে এটাও প্রমান হলো,
তারা ফযীলতের কথা বেশি বলে ।
শুধু তাই নয়, এরা ফযীলত নিয়ে একের
পর এক কিতাবও লিখে, যেমন-
ফাযায়েলে আমল,
ফাযায়েলে ছদাকাত,
ফাযায়েলে তাবলীগ
ইত্যাদি আরো অনেক।
সূতরাং হাদীস শরীফে বর্নিত তৃতীয়
লক্ষনও এদের মধ্যে পূর্নমাত্রায়
বিরাজমান এটা প্রমান হলো।
চতুর্থত যেটা বলা হয়েছে, " তাদের
সকল আমলগুলা হবে খুবই নিখুত ও সুন্দর ।
তাদের নামাজের তুলনায় তোমাদের
নামাজকে তুচ্ছ মনে করবে,তাদের
রোজা দেখে তোমরা তোমাদের
রোজাকে তুচ্ছ ও নগন্য মনে করবে ।
তাদের আমল দেখে তোমাদের
আমলকে হেয় মনে করবে। "
→ এরা জবাবে বলতে হয়,
আপনারা একটু ভালো করে এদের আমল
গুলা খেয়াল করবেন।
দেখবে লোকদেখানোর জন্য এমন
ভাবে নামাজ পড়তেছে যে,
সিজদায় গেলে যেনো আর উঠতেই
চায় না, রুরুতে গেলে আর উঠতেই চায়
না..... সাধারন পাবলিক তখন ভাবে,
আহা ! কতই না উত্তম ভাবে নামাজ
পড়তেছে। এদের প্রায় সবার
কপালে কালো দাগ হয়ে গেছে।
এরা বুঝাতে চায়
তারা এতো নামাজ
পড়ে যে কপালে দাগ পরে যায়। ( মূলত
সঠিক ভাবে নামাজ পড়লে ওই রকম
দাগ কোন দিনও হবে না, এরা এই দাগ
মাটিতে কপাল ঘষে বানায়।)
এবং এরা লোক দেখানোর জন্য
এবং দলে ভিরানোর জন্য এরা এমন
বিনয় প্রদর্শন করে, মানুষ
মনে করে না জানি এরা কত ভালো।
আর এথায় হাদীস
শরীফে বলা হয়েছে-" তাদের সকল
আমলগুলা হবে খুবই নিখুত ও সুন্দর ।
তাদের নামাজের তুলনায় তোমাদের
নামাজকে তুচ্ছ মনে করবে,তাদের
রোজা দেখে তোমরা তোমাদের
রোজাকে তুচ্ছ ও নগন্য মনে করবে ।
তাদের আমল দেখে তোমাদের
আমলকে হেয় মনে করবে। "
সূতরাং হাদীস থেকে খারেজীদের
চতুর্থ লক্ষন তাবলিগীদের
মাঝে বিদ্যমান প্রমান হলো।
পঞ্চমত বলা হয়েছে--" তারা কুরআনের
উপর আমল বা কুরআন প্রতিষ্ঠার কোন
চেষ্টাও করবে না।'"
→ এর প্রমানও এদের মধ্যে বিদ্যমান ।
এরা কুরআন শরীফের কোন হুকুম
প্রতিষ্ঠার কোন চেষ্টাই করে না।
এদের একটাই কাজ সেটা হচ্ছে,
গাট্টিবস্তা নিয়ে মসজিদে মসজিদে ঘোরা ফেরা করা আর
মসজিদের মুসল্লিদের দাওয়াত দেয়া।
অথচ অসংখ্য বেনামাজি আছে, সুদ
খোর আছে, দূর্নিতিবাজ আছে এদের
বুঝাইতে যায় না। এরা নিজেরাই
হারাম নাজায়িয কাজে মশগুল।
শুধু তাই নয়, দুনিয়াতে খিলাফত
কায়েম হোক এ ব্যাপারে তাদের
কোন প্রচেষ্টা নেই। বরং খিলফতের
ব্যাপারে মানুষকে নিরুৎসাহিত
করে।
যেমন তাদের কিতাবে বর্নিত
আছে--
" প্রচলিত তাবলিগ জামায়ে জিহাদ
পূর্নমাত্রায় বিদ্যমান বা ছয়
উছুলী তাবলীগ হচ্ছে জিহাদে আকবর!"
দলীল-
√ তাবলীগে দাওয়াত কি এবং কেন
৭৫ পৃষ্ঠা
√ তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব
১০৯ পৃষ্ঠা ।
√ তাবলীগ জামায়াতের
সমালোচনা ও তার জবাব ৮৮ পৃষ্ঠা ।
অর্থাৎ এই মসজিদে মসজিদে পিকনিক
করাকে তারা জিহাদে আকবর বলে।
এভাবে ইসলাম কায়েমের দিক
থেকে কৌশলে তারা মানুষকে সরিয়ে দিচ্ছে।
আর তাছাড়া তাদের নেসাব
ছাড়া তারা কুরআন শরীফ, হাদীস
শরীফের কোন আলোচনাই করে না।
সূতরাং হাদীস শরীফে বর্নিত- "
তারা কুরআনের উপর আমল বা কুরআন
প্রতিষ্ঠার কোন চেষ্টাও করবে না।"
এই লক্ষনও তাবলীগ জামায়াতের
মাঝে বিদ্যমান সেটা প্রমান হলো।
পরিশেষে হাদীস
শরীফে বলা হয়েছে-" এদের আমল
তোমাদের যতই আকৃষ্ট করুক
না কেন,কখনোই এদের দলে যাবে না।
কারন প্রকৃতপক্ষে এরা ইসলাম
থেকে খারীজ, দ্বীন হতে বহির্ভূত ।
তীর যেমন ধনুক হতে বের
হয়ে যায়,সে আর কখনো ধনুকের নিকট
ফিরে আসে না।
তেমনি এরা দ্বীন
থেকে বেরিয়ে যাবে,আর
কখনো দ্বীনের পথে ,কুরআন সুন্নাহর
পথে ফিরে আসবে না।""
অর্থাৎ এরা দিন ইসলাম
থেকে খারীজ হয়ে গিয়েছে,
চিরতরে পথভ্রষ্ট হয়ে গিয়েছে। এদের
দলে বা এদের
ডাকে সাড়া না দেওয়ার
কথা হাদীস শরীফে কঠোর
ভাবে বলা হয়েছে ।
উপরোক্ত হাদীস শরীফে বর্নিত
খারেজীদের যাবতীয় লক্ষন
চিল্লাওয়ালা তাবলীগিদের
মধ্যে বিরাজমান স্পষ্ট
ভাবে প্রমানিত হলো।
এই প্রচলিত
চিল্লাওয়ালা তাবলীগিরাই
হচ্ছে হাদীস শরীফে বর্নিত
জাহান্নামী মুরতাদ
খারেজী ফির্কা। এ প্রসঙ্গে হাদীস
শরীফ বর্নিত আরো কিছু অকাট্য
প্রমান :
হাদীস শরীফ-
" হযরত শারীক ইবনে শিহাব
রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আমার
প্রবল ইচ্ছে ছিলো যে, যদি আমি হুজুর
পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার
সাহাবীর সাক্ষাত পাই
তবে উনাকে " খারেজীদের"
সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবো।
সৌভাগ্যবশত এক ঈদের দিন হযরত আবু
বারযাতুল আসলামী রদ্বিয়াল্লাহু
আনহু উনার সাথে উনার কতক বন্ধু সমেত
সাক্ষাৎ হলো। তখন
আমি উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম,
আপনি কখনো হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম
উনাকে "খারেজীদের"
সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছেন?
তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি আমার
দুকানে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম
উনাকে বলতে শুনেছি এবং নিজ
চোখে তাকে দেখেছি। একদা হুজুর
পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার
খিদমতে কিছু মাল আসলো।
তিনি তা বন্টন করে দিলেন।
যে উনার ডানে ছিলো তাকেও
দিলেন এবং যে উনার
বামে ছিলো তাকেও দিলেন। কিন্তু
যে উনার
পিছনে ছিলো তাকে কিছুই দিলেন
না। তখন এক ব্যক্তি পিছন
থেকে দাঁড়িয়ে বললো, হে মুহম্মদ !
(ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
মাল বন্টনে আপনি ইনসাফ করছেন না।
( নাউযুবিল্লাহ)
লোকটি ছিলো কালো বর্নের
নেড়ে মাথা,
গায়ে ছিলো সাদা রং এর
দুখানা কাপড়। তার কথা শুনে হুজুর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
ভীষন রাগান্বিত হলেন এবং বললেন,
আল্লাহ পাক উনার কসম!
তোমরা আমার পরে আর কোন
ব্যক্তিকেই আমার
চাইতে বেশি ইনসাফ
কারী পাবে না। অতঃপর বললেন,
শেষ জামানায় এমন একদল লোকের
আবির্ভাব ঘটবে এ লোকটি তাদের
একজন। তারা কুরআন শরীফ পড়বে কিন্তু
তা তাদের কন্ঠনালীর
নিচে নামবে না। অর্থাৎ
অন্তরে বসবে না। তারা ইসলাম
থেকে এরুপ বের হয়ে যাবে যেরুপ
নিক্ষিপ্ত তীর শিকার ভেদ করে বের
হয়ে যায়। তাদের পরিচয়
হলো তারা হবে ন্যাড়া মাথা।
অর্থাৎ সর্বদা মাথা মুন্ডন করবে। ""
দলীল-
√ নাসাঈ শরীফ
√ মিশকাত শরীফ ১ম খন্ড, কিতাবুল
কিসাস, মুরতাদ দের হত্যা সংক্রান্ত
অধ্যায় ।
হাদীসে আরো বর্নিত আছে--
" হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু
থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি হুজুর
পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম
উনাকে বলতে শুনেছি, শেষ
যামানায় এমন এক দলের আবির্ভাব
হবে ( যে দলের সদস্যরা) বয়সে যুবক
নির্বোধ ও মূর্খ হবে। তার
বয়ানে শ্রেষ্ঠতম কথা গুলোই বলবে। "
দলীল-
√ বুখারী শরীফ
মাহবুবে সুবহানী, ইমামে রব্বানী,
শায়েখ মুহিউদদ্দিন আব্দুর কাদীর
জ্বিলানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি খারেজীদের
পরিচয় দিতে গিয়ে বলেন বলেন-
" খারেজীদের আরেকটি দলের নাম
হারুরীয়া। হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু
আনহু উনার দল ছেড়ে কুফা হতে বের
হয়ে হারুরা নামক স্থানে অবস্থান
নিয়েছিল।তাই এদের
হারুরীয়া বলা হয়। হুজুর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
এদের
সম্পর্কে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন,
এরা দ্বীন হতে এমন ভাবে বের
হয়ে যাবে যেমন ধনুক হতে তীর বের
হয়ে যায়। এরা কখনোই
দ্বীনে ফিরে আসবে না।
সত্যি এরা দ্বীন ইসলাম থেকে বের
হয়ে গেছে। সত্য পথ পরিহার করেছে।
ইসলামী খিলাফতের বিরুদ্ধে অস্ত্র
ধরেছে এবং মুসলমান দের জান মাল
হালাল মনে করেছে। এরা তাদের
দলভুক্ত নয় এমন লোকদের কাফির
মনে করে থাকে। হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রিয়
ছাহাবীগনের উপর জুলুম ও নির্যাতন
করেছে এবং ছাহবীগনের
হত্যা বা সমালোচনা বৈধ মনে করে।
"
দলীল-
√ গুনিয়াতুত তলেবীন ৮৮ পৃষ্ঠা ।
উপরোক্ত হাদীস শরীফ সমূহের
বর্ননা দ্বারা খারেজীদের
আক্বীদা, আমাল ও বৈশিষ্ট্য
থেকে যে সকল বিষয় পাওয়া যায়
তা হলো-
(১) নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম
উনাদের প্রতি বদ ধারনা অর্থাৎ
নবী রসূল আলাইহিস সালাম গন ভুল
করেছেন বা গুনাহ করেছেন
বলে মনে করা।
(২) হযরত ছাহাবায়ে কিরাম
রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমগনের প্রতি বদ
ধারনা। অর্থাৎ খারেজীরা হযরত
সাহাবায়ে কিরাম গনের
সমালোচনা করা বৈধ মনে করে।
(৩) হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ
সুন্নত বাবরী চুলের
বিরোধিতা করে মাথা ন্যাড়া করা বা মুন্ডন
করা পছন্দ করে।
(৪) অধিকাংশ সদস্য নির্বোধ ও
জাহিল হওয়া।
(৫) তাদের বয়ান গুলো চমকপ্রদ হওয়া।
(৬) এরা এদের দলভুক্ত ব্যতীত অন্য
সবাইকে কাফির মনে করে।
এবার আসুন দেখা যাক উল্লেখিত
আক্বীদা, আমল, বৈশিষ্ট্য সমূহ প্রচলিত
ছয় উছুলী তাবলীগ জামায়াত এর
মধ্যে আছে কিনা !!
(১) খারেজীদের মত
চিল্লাওয়ালা তাবলিগীরাও হযরত
নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের
প্রতি সুধারনা রাখে না।
বরং তাবলীগিদের আক্বীদা হচ্ছে-
নবী-রসূল গন ভুল করেছেন, উনার গুনাহ
করেছেন ইত্যাদি ।
আসুন আমারা প্রমাণ গুলা দেখি-
তাবলীগ জামায়াতের
প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস
মেওয়াতী তার মলফুযাতের
মধ্যে লিখেছে--
" যখন তাঁহারা ( নবী-রসূল আলাইহিস
সালাম ) সেই তালীম ও
হেদায়েতের জন্য সাধারণ তবকার
লোকদের সহিত
মেলামেশা করিতেন তখন তাঁহাদের
মোবারক ও নূরানী অম্তর সমূহে সেই
সাধারণ লোকদের অন্তরের ময়লা ও
আবর্জনা প্রতিফলিত হইত। অতঃপর
নির্জনে বসিয়া জিকির ফিকিরের
দ্বারা সেই আবর্জনা ধৌত
করিয়া ফেলিতেন।"
দলীল-
√ মলফুজাত ১১১ নং মলফুজ।
তাবলীগিদের মুরুব্বী দের
দ্বারা লিখিত কিতাবে আছে--
" হযরত আদম আলাইহিস সালাম গন্দম
খেয়ে ভুল করেছেন।"
দলীল-
√ মলফুযাতে শায়খুল হাদীস ২৩১ পৃষ্ঠা ।
তাবলীগের অন্যতম গুরু ইসমাঈল হোসেন
দেওবন্দী লিখেছে--
" দাওয়াত বন্ধ করার কারনে আল্লাহ
হযরত ইউনুছ আলাইহিস সালামকে অবশ্য
গযবে ফেললেন। হযরত ইউনুছ আলাইহিস
সালাম মাছের পেটে চল্লিশ দিন
আবদ্ধ থেকে নিজ ভুল ত্রুটি স্বীকার
করে তওবা করার কারনে বিপদ
থেকে উদ্ধার পেলেন।"
নাউযুবিল্লাহ !!
দলীল-
√ তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব
৬২ ও ৮৯ পৃষ্ঠা ।
এই
খারেজী তাবলিগী মৌলবী আরো লিখেছে--
" হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম চল্লিশ দিন
পর্যন্ত
গারে হেরা পর্বতে থেকে আল্লাহ
পাকের ধ্যান ও যিকিরের
চিল্লা দিলেন, যার
ফলে তিনি কুরআন ও নবুওয়াত প্রাপ্ত
হলেন।"
নাউযুবিল্লাহ !!
দলীল-
√ তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব
৮৯ পৃষ্ঠা ।
উক্ত খারেজী ইসমাঈল হোসেন
দেওবন্দী তার
কিতাবে আরো লিখেছে--
" হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম দীর্ঘকাল
পর্যন্ত ঈমানের তাবলীগ
করে প্রথমে ঈমান পরিপোক্ত
করিয়াছেন।"
দলীল-
√ তবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব
৭০ পৃষ্ঠা ।
উপরোক্ত দলীল দ্বার
অকাট্যভাবে প্রমানিত
হলো খারেজীদের প্রথম বৈশিষ্ট্য
নবী-রসূল আলাইহিস সালাম উনাদের
অবজ্ঞা এবং সমালোচনা করার এই
বৈশিষ্ট্য তাবলীগিদের
মাঝে শতভাগ বিদ্যমান।
(২) এরপর দ্বিতীয় যে বৈশিষ্ট্য
সেটা হচ্ছে, হযরত
সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু
আনহু উনাদের প্রতি বদ
ধারনা করা এবং উনাদের
সমালোচনা করা। খারেজীদের মত
চিল্লাওয়ালা তাবলীগিরাও
সাহাবায়ে কিরাম গনের
সমালোচনা ও বদ ধারনা করে থাকে।
এর কিছু প্রমান দেয়া হলো--
চিল্লাওয়ালা তাবলীগিদের অন্যতম
মুরুব্বী ইসমাইল হোসেন
দেওবন্দী লিখেছে--
"লক্ষাধিক ছাহাবায়ে কিরাম
রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমগনের
মধ্যে অধিকাংশই মূর্খ ছিলেন।"
নাউযুবিল্লাহ !!
দলীল-
√ তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব
৯৩ পৃষ্ঠা ।
√ শরীয়তের
দৃষ্টিতে তাবলীগী নেছাব ।
√ তাবলীগ জামায়াতের প্রধান তর্ক ও
ইচ্ছা।
প্রচলিত তাবলীগিদের বিশ্ব
আমীরের বয়ান সম্বিলিত
কিতাবে লিখেছে--
" কিছু ছাহাবী উহুদ যুদ্ধে ভুলের
স্বীকার হয়ে চীজ আসবাব (গনীমতের
মাল) এর দিকে দৃষ্টি দিয়ে গিরিপথ
থেকে সরে এসে রসূলে পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
এর নির্দেশ অমান্য করায় উহুদ
যুদ্ধে পরাজয় বরন করতে হয়েছে ।"
দলীল-
√ হযরতজীর কয়েকটি স্মরনীয় বয়ান
৫৩-৫৫
খারেজী ইসমাইল হোসেন
দেওবন্দী লিখেছে-
" হযরত ছাহাবায়ে কিরাম
রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমগনের ঈমান
দীর্ঘকাল তাবলিগ করার কারনেই
পরিপোক্ত বা মজবুত হয়েছে ।"
দলীল-
√ তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব
৭০ পৃষ্ঠা ।
উপরোক্ত দলীদ
দিয়ে দেখা গেলো প্রচলিত
তাবলীগিরা খারেজীদের মত হযরত
ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু
আনহুম গনের
সমালোচনা করে এবং তাদের অপনান
সূচক কথা বলে। অতএব এ বৈশিষ্ট্যও
তাবলিগীদের
মধ্যে রয়েছে এটা প্রমান হলো।
(৩) এরপর তৃতীয়ত যেটা বলা হয়েছে,
এরা সুন্নতী বাবরী চুল
না রেখে সর্বদা মাথা ন্যাড়া বা মুন্ডন
করবে। এটা খুবই মজার ব্যাপার
এটা যাচাই
করতে আপনারা ঢাকা কাকরাই
আসেন, দেখবেন ন্যাড়া মাথার
অনেক
খারেজী ঘোড়াফেরা করতেছে।
এবং আমি নিজেও অসংখ্য বার
তাবলিগী দের সেলুনে মাথা মুন্ডন
করতে দেখেছি।
বাংলাদেশের
তাবলিগী খারেজীদের অন্যতম মৃত
শায়খুল হদস আজিজুল হক এর
"রহমানী পয়গাম" এবং হাটহাজারীর
আহম্মক শফীর "মাসিক মঈনুল ইসলাম"
পত্রিকায় যতবার চুল রাখা সংক্রান্ত
প্রশ্ন করা হয়েছে ততবার এরা উত্তর
লিখেছে, মাথা মুন্ডন কারা সুন্নত!"
দলীল-
√ মঈনুল ইসলাম মার্চ/২০০২ সংখ্যা।
অথচ সিয়া ছিত্তার হাদীসে শতশত
হাদীস শরীফ আছে, হুজুর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বাবরী চুল রাখতেন।
কিতাবে বর্নিত আছে--
ﺍﻥ ﺍﻟﻤﺼﻄﻔﻲ ﻛﺎﻥ ﻻﻳﺤﻠﻖ ﺷﻌﺮﻩ ﻟﻐﻴﺮ ﻧﺴﻚ
অর্থ: প্রিয় নবী ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজ্ব ব্যাতীত
অন্য কোন সময় উনার মাথা মুন্ডন করেন
নাই।"
দলীল-
√ জামিউল ওয়াসিল
ফি শরহে শামায়িল ১/৯৯
ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া ৯ম খন্ড ৯৩
পৃষ্ঠায় আছে-" মাথা মুন্ডন সুন্নত নয়।"
অথচ এই তাবলিগীরা মাথা মুন্ডন
করে চকচকে করে রাখে। কারন
মাথা মুন্ডন করাই হচ্ছে খারেজীদের
অন্যতম বৈশিষ্ট্য ।
স্বয়ং হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম
তিনি খারেজীদের লক্ষন
বর্ননা করে বলেন--
ﺳﻴﻤﺎ ﻫﻢ ﺍﻟﺘﺤﻠﻴﻖ
অর্থ: মাথা মুন্ডন হচ্ছে এদের বিশেষ
চিহ্ন ।"
দলীল-
√ মিশকাত শরীফ কিতাবুল কিসাস
সূতরাং খারেজীদের অন্যতম লক্ষন
বা বৈশিষ্ট্য মাথা মুন্ডন
বা ন্যাড়া করা তাবলিগীদের
মাঝে বিদ্যমান । অতএব এ তৃতীয়
বৈশিষ্ট্যও প্রমানিত হলো।
(৪) চতুর্থত যে বৈশিষ্ট্য, অধিকাংশ
লোক নির্বোধ, মূর্খ, জাহিল হওয়া।
এবিষয়ে এই নোটের প্রথম হাদীস
শরীফের বিশ্লেষণে দলীল
দেয়া হয়েছে । ওইখানে দেখুন....
(৫) পঞ্চমত যেটা বলা হয়েছে, এদের
বক্তব্য হবে বহুগুনের
ফযীলতে বা চমকপ্রদ। এ বিষয়েও এই
নোটে প্রথম হাদীস শরীফের
বিশ্লেষণে দলীল দিয়ে প্রমান
করা হয়েছে । সেখানে আবার
দেখুন.......
(৬) ষষ্ঠত যেটা বলা হয়েছে,
এরা নিজেদের ব্যতীত অন্য
সবাইকে কাফির মনে করবে।
খারেজীদের মত
চিল্লাওয়ালা তাবলীগিরা নিজেদের
ব্যতীত সবাইকে অমুসলিম মনে করে।
এদের ধরনা শুধু এরাই মুসলিম আর সবাই
কাফির।
এর প্রমান স্বয়ং তাবলিগীদের
প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস মেওয়াতির
মালফুজাতে আছে। সে লিখেছে-
" মুসলমান দুই প্রকার। একদল তাবলীগের
জন্য হিজরত করবে । দ্বিতীয় দল নুছরত
বা সাহায্য করবে। এ দু'দলই মুসলমান ।"
দলীল-
√ মালফুজাত ৪৩ পৃষ্ঠা ৪২ নং মালফুজ।
√ দাওয়াত ও তাবলীগ কি ও কেন ২১
পৃষ্ঠা ।
√ হযরতজীর কয়েকটি সম্মরনীয় বয়ান
২/১১
√ তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব
১৭৪ পৃষ্ঠা ।
উক্ত তাবলীগ প্রতিষ্ঠাতা স্পষ্ট বলেই
দিলো, যারা তার
স্বপ্নে পাওয়া তাবলীগি করবে এবং একাজে সাহায্য
করবে তারাই মুসলমান। আর
যারা করবে না তারা মুসলমান না।
শুধু তাই নয়, তাবলীগ গুরু আম্বর
আলী লিখেছে-
" ছয় উছুল ভিত্তিক এবং তরতীব
মোতাবেক সকল স্থানের সকল
লোককে দাওয়াত দেয়া ফরজ
বা জরুরী এবং এ দাওয়াত না দেওয়ার
কারনে যারা ঈমানহারা হয়ে মারা যাবে,
তাদের জন্য যারা দাওয়াতের কাজ
করবে না অথবা জড়িত থাকবে না,
তাদেরকে আল্লাহ পাকের
কাছে জবাবদীহি করতে হবে এবং তারা পাকড়াও
হবে।"
দলীল-
√ দাওয়াতে তাবলীগ ৪৯ পৃষ্ঠা ।
উক্ত দলীল থেকে দেখা যাচ্ছে,
তাদের ভাষ্যমতে যারা তাদের
স্বপ্নে প্রাপ্ত চিল্লাওয়ালা ছয়
উছুলী তাবলীগ
করবে না তারা ঈমানহারা হবে,
জাহান্নামী হবে , মুসলমান
হতে পারবেনা ইত্যাদি ।
আর এরকম আক্বীদা একমাত্র
খারেজী ফির্কাই পোষন করে।
খারেজীরাই বলে থাকে তাদের
দলভুক্ত না হলে সবাই কাফির।
এবিষয়টি আমরা তাবলীগিদের
মধ্যেও দেখতে পেলাম।
সম্মানিত মুসলমান ভাই ও বোনেরা,
আমরা অত্যম্ত সুস্পষ্ট দলীল প্রমাণ
দিয়ে বুঝতে পারলাম
খারেজী ফির্কা সংক্রান্ত
যে হাদীস শরীফ বর্নিত হয়েছে,
সেখানে খারেজীদের যে লক্ষন
বলা হয়েছে সে লক্ষন সমূহ প্রচলিত ছয়
উছুলী তাবলীগ জামায়াতের
মধ্যে পরিপূর্ণ বিদ্যমান রয়েছে । আর
খারেজীদের কাফির হওয়ার
ব্যাপারে সবাই একমত।
এবং এই খারেজীদের ব্যাপারে হুজুর
পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ
করেছেন--->>
ﻝﺀﻥ ﺍﺩﺭ ﻛﺘﻬﻢ ﻻ ﻗﺘﻠﻨﻬﻢ ﻗﺘﻞ ﻋﺎﺩ
অর্থ: যদি আমি তাদের পেতাম, আদ
গোত্রের মত হত্যা করতাম।"
দলীল-
√ মিশকাত শরীফ- মুজিজা অধ্যায়- ১ম
পরিচ্ছেদ ।
এবার চিন্তা করুন কত কঠোর
বানী উচ্চির হয়েছে খারেজীদের
ব্যাপারে। তাবলীগিরা যেহেতু
খারেজী তাই আমাদের সকলের
দায়িত্ব ও কর্তব্য, এই তাবলিগীদের
প্রতিহত করা, এদের সাথে সব সম্পর্ক
ছিন্ন করা, সালাম না দেয়া,
সালামের জবাব না দেয়া, ছেলে-
মেয়ে বিয়ে শাদী না দেয়া, এদের
সাথে খাদ্য
না খাওয়া,মারা গেলে জানাজা না পড়া,
মুসলমানদের কবরস্থানে দাফন
করতে না দেয়া।
এইটা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের
ফতোয়া।
আল্লাহ পাক আমাদের এই
খারেজী তাবলীগি ফির্কা থেকে হিফাজত
করুন।
আমীন !!!!
[ সবাই বেশি করে শেয়ার করুন,
মানুষের ঈমান আমল
হিফাজতে সাহায্য করুন]
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।