সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

বিভাগবিহীন

Dr. zakir nayeker kufri boktobbo o tar joab 6

   হিন্দুদের রাম এবং কৃষ্ণ সম্পর্কে ইসলামের নবী হওয়ার সম্ভাবনা প্রকাশ। [লেকচার সমগ্র, ভলিউম-২, পৃষ্ঠা-১৬২] ইসলামের আকিদা হচ্ছে-পবিত্র কুরআন ও হাদিসে যে সকল নবী-রাসূলের কথা বলা হয়েছে, তাদেরকেই নবী-রাসূল হিসেবে বিশ্বাস করতে হবে। অন্য কাউকে নির্দিষ্ট করে নবী-রাসূল বলে ধারণাও করা যাবে না। [তথ্যসূত্র: সূরা মুমিন, আয়াত: ৭৮]   . রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর রওযা শরিফেরভিতরে মৃত। [লেকচার সমগ্র, ভলিউম-৫, পৃষ্ঠা-৯৫]   মুসলমানদের আকিদা হচ্ছে-রাসূলুল্লাহ (সা.) আলমে বরযখে নিজ কবর মুবারকে সশরীরে জীবিত আছেন। তাইতো কোনো মুসলমান দূর থেকে রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর প্রতি দরূদ ও সালাম পাঠ করলে সেই ব্যক্তির প থেকে তা ফেরেশতার মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর নিকট পৌঁছানো হয়এবং তিনি তাগ্রহণ করেন। এছাড়া কেউ রওযা মুবারকের নিকট এসে সালাত ও সালামপাঠকরলে তা রাসূলুল্লাহ (সা.) সরাসরি গ্রহণ করেন। এ হায়াতুন নবী (সা.) -এর আকিদা ইসলামের দলিল দিয়ে প্রমাণিত। [তথ্যসূত্র: সহিহ মুসলিম, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা-১৭৮/ সুনানু বাইহাকি, হাদিস: ১৫৮৩/ সুনানু দারিমি, হাদিস: ২৭৭৪/ মুসনাদে আহমদ, ৩য় খন্ড, পৃষ্ঠা-১৫৬] কিতাবে আরো উল্লেখ আছে, “নিশ্চয়ই হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রওযা মুবারকে জীবিত অবস্থায় আছেন।” (মিরকাত/২/২২৩) হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আউস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক যমীনের জন্য নবী-রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণের শরীর মুবারককে ভক্ষণ করা (নষ্ট করা) হারাম করে দিয়েছেন।” (আহমদ, আবু দাউদ, ইবনে মাযাহ, ইবনু হিব্বান, মুস্তাদরাকে হাকিম, কানযুল উম্মাল, মিরকাত) হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি আমার রওযা মুবারকের নিকট এসে আমার প্রতি দুরূদ শরীফ পাঠ করে আমি অবশ্যই তার দুরূদ শরীফ শুনতে পাই।” (বায়হাক্বী, মিশকাত/৮৭) . পবিত্র কুরআন শরিফের মধ্যে ব্যাকরণগত ভুল আছে বলে স্বীকার। [লেকচার সমগ্র, ভলিউম-১, পৃষ্ঠা-৫১২]   পবিত্র কুরআন মহান আল্লাহর কিতাব। তা সম্পূর্ণ নির্ভুল। কোনোরূপ ভুলেরসামান্য সন্দেহের অবকাশও এতে নেই। পবিত্র কুরআনে কোনোরূপ ভুল আছে বলা বা এরূপ অভিযোগ কোনোভাবে মেনে নেয়ার ফলে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে। [তথ্যসূত্র: সূরা বাকারা, আয়াত: ২] . সাহাবি (রা.) রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর নামে মিথ্যা হাদিস বর্ণনা করেছেন। [লেকচার সমগ্র, ভলিউম-৫, পৃষ্ঠা-৭৬]   মুসলমানদের আকিদা হচ্ছে-রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর সান্নিধ্যপ্রাপ্ ত সাহাবিগণ সত্যের মাপকাঠি। তাঁরা কখনও রাসুলুল্লাহ (সা.) -এর নামে মিথ্যা কথাবা হাদিস হাদিস প্রচার করেননি। না জীবদ্দশায় আর না ওফাতের পর। [তথ্যসূত্র: সূরা বাকারা, আয়াত: ১৩৭/ সহিহ মুসলিম]   . হিন্দুদের ‘বেদ’ বইটা আল্লাহপাকের বাণী হতে পারে। [লেকচার সমগ্র, ভলিউম-২, পৃষ্ঠা-১৬২] ইসলামের আকিদা হচ্ছে- আল্লাহ তায়ালা প্রধান চারটি আসমানি কিতাব ছাড়াও বিভিন্ন নবীর প্রতি ১০০টি সহিফা অবতীর্ণ করেছেন। কিন্তু হিন্দুদের বেদ আল্লাহর কিতাব হওয়ার ব্যাপারে কুরআন ও হাদিসের কোথাও কিছু বলা হয়নি।তাই এ জাতীয় বইকে আল্লাহর কিতাব হওয়ারধারণাও করা যাবে না। [তথ্যসূত্র: মিশকাত, ১ম খন্ড, ২৩৪ পৃষ্ঠা] এছাড়া ডা. জাকির নায়েক আরও যে সব ভ্রান্ত মতবাদ ও আকিদা প্রচার করে যাচ্ছেন তা থেকে কিছু দৃষ্টান্ত উল্লেখ করছি। . পবিত্র কুরআন স্পর্শ করার জন্য কোনো উজুর প্রয়োজন নেই। [লেকচার সমগ্র, ভলিউম-২, পৃষ্ঠা-৬২৬] ৯. হায়েজ- নেফাস অবস্থায় মহিলারা পবিত্র কুরআন স্পর্শ করতে পারবে। ১০. পুরুষ ও মহিলাদের নামাজের পদ্ধতিএকই। [লেকচার সমগ্র, ভলিউম-১, পৃষ্ঠা-৫৮০]   ১১. একই দিন ঈদ ও জুমআ হলে জুমআর নামাজপড়ার দরকার নেই। [লেকচার সমগ্র, ভলিউম-৫, পৃষ্ঠা-৪৭৬] ১২. জুমআর খুতবা আরবিতে হওয়া জরুরি নয়। ১৩. তারাবির নামাজ আট রাকাত, বিশ রাকাতের কোনো প্রমাণ নেই। ১৪. প্যান্ট, শার্ট ও টাই। এগুলো নামাজের পোশাক। [লেকচার সমগ্র, ভলিউম-২, পৃষ্ঠা-৫৪] ১৫. মহিলাদের চেহারা না ঢাকলেও পর্দাহয়ে যাবে। ১৬. মহিলাদের মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়াতেকোনো অসুবিধা নেই। [লেকচার সমগ্র, ভলিউম-১, পৃষ্ঠা-৩৫৫] ১৭. কাকড়া-কচ্ছপ সব হালাল। ১৮. রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর একাধিক বিবাহে রাজনীতিক উদ্দেশ্য ছিল। ১৯. হযরত আলী (রা.) উম্মতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। ২০. কাযা নামাজ পড়ার দরকার নেই। ২১. মাযহাব চতুষ্টয় এবং এসবের সাথে সম্প”ক্ততা ইসলামের মাঝে ফাটল।  

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।