KMT (কাবা শরীফ মিন টাইম) vs GMT (গ্রিনিচ মিন টাইম)
“মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা অর্থাৎ মুসলমানরা কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করোনা।’ বৃটিশদের চাপানো জিএমটি যদি তাদের সমজাতীয় বিধর্মীরাই মেনে নিতে না চায় তাহলে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার মধ্যে কাফির-মুশরিক ও মুনাফিকদের অনুসরণ ও অনুকরণ নিষেধ থাকার পরও মুসলমান উনারা কিভাবে জিএমটি মেনে নিতে পারেন? অতএব, মুসলিম দেশসমূহের উচিত- জিএমটি কেন্দ্রিক সময় অঞ্চল পরিহার করে ‘পবিত্র কা’বা শরীফ’ কেন্দ্রিক সময় অঞ্চল চালু করা।”
ফরাসীদের মধ্যে বৃটিশদের চাপানো গ্রীনিচ কেন্দ্রিক সময় অঞ্চল পরিহারের ব্যাপারে সচেতনতা প্রকাশ পাওয়ায় মুসলমান উনাদের এ ক্ষেত্রে কী করণীয় এবং শিক্ষণীয় সে সম্পর্কে লিখা হল
প্যারিসের ‘ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অব ওয়েটস এন্ড মেজারস’ তথা বিআইপিএম বৃটিশদের জিএমটি পরিহার করে ‘অ্যাটমিক ক্লক’ বা ‘পরমাণু ঘড়ি’র সাহায্যে সময় নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের দাবি, সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর আবর্তনের উপর নির্ভর না করে এবার থেকে ‘পরমাণু ঘড়ি’র সাহায্যেই ঠিক করা হোক ‘সময়’। ১৩০ বছর ধরে জিএমটি অর্থাৎ ‘গ্রীনিচ মিন টাইম’কে ভিত্তি করেই সারা বিশ্বে সময়ের হিসাব হয়ে আসছে, অথচ তা ত্রুটিপূর্ণ।
১৮৮৪ সালে যখন গ্রীনিচের উপর দিয়ে প্রাইম মেরিডিয়ানকে স্থির করার জন্য ২৫টি দেশের মধ্যে ভোটাভুটি হয় তখন ব্রাজিল এবং ফ্রান্স ভোট দেয়া থেকে বিরত থেকেছিলো এবং ১৯১১ সাল পর্যন্ত ফ্রান্স জিএমটি অনুযায়ী তাদের সময় অঞ্চল নির্ধারণ করেনি। ১৩০ বছর পরে হলেও আবার তারা জিএমটির বিরোধিতা শুরু করছে সঙ্গতকারণেই। যেহেতু জিএমটি সিস্টেমে ভুল রয়েছে।
মুসলিম দেশ হিসেবে একটি মাত্র দেশ তুরস্ক প্রাইম মেরিডিয়ান সম্মেলনে প্রতিনিধিত্ব করেছিলো। বর্তমানে পৃথিবীতে মোট ৪৮টির অধিক মুসলিম দেশ রয়েছে আর বিশ্বের সকল দেশেই মুসলিম জনসংখ্যা রয়েছে। তবে মুসলমানরা কেন এখনও জিএমটি অনুযায়ী সময় নির্ধারণ করবে?
সূর্যের চারিদিকে পৃথিবীর প্রদক্ষিণকে এক বছর হিসেবে ধরা হয়। পৃথিবী সবসময় একই গতিতে সূর্যের চারিদিকে আবর্তন করে না, গতি কখনও বাড়ে কখনও কমে। অতএব, ২৪ ঘণ্টার আগেই কখনো প্রদক্ষিণ শেষ করে আবার কখনো ২৪ ঘণ্টার পরে প্রদক্ষিণ শেষ করে। এর ফলে জিএমটিকে মেনে সময়ের হিসাব করতে গিয়ে ভুল ভ্রান্তিতে পড়তে হয়। এ সমস্যা সমাধানে জিএমটির সঙ্গে পরমাণু ঘড়ির সমন্বয়ে ১৯৭২ সালে ব্রিটিশরাই এক নতুন পদ্ধতির উদ্ভাবন করে; যা হচ্ছে ‘কো অর্ডিনেটেড ইউনিভার্সাল টাইম’ (ইউটিসি)। কিন্তু তাতেও সমস্যা রয়েছে। মাঝে মধ্যেই যোগ করতে হয় লিপসেকেন্ডস।
ব্রিটিশরা তারা তাদের জিএমটিকে ধরে রাখার জন্য আধুনিকায়ন করার চেষ্টা করছে, ফরাসীরা তা না মানার জন্য আবার বিরোধিতা করছে। অথচ মুসলমান উনাদের মধ্যে কোনো উপলব্ধি দেখা যাচ্ছে না। মুসলমান উনাদের উপলব্ধি করা উচিত যে, গ্রীনিচ থেকে সময় নির্ধারণ করাটাই অর্থহীন। গ্রীচিনের উপর প্রাইম মেরিডিয়ান স্থির করাটা অযৌক্তিক একটি বিষয়; কারণ এই স্থানের কোনো ভৌগোলিক এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব নেই।
সুতরাং বিশ্বের সকল মুসলিম দেশের শাসকদের উচিত- জিএমটি পরিহার করে ‘পবিত্র কা’বা শরীফ’ কেন্দ্রিক সময় অঞ্চল নিজ নিজ দেশে অবশ্যই চালু করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে অনুসরণের জন্য চাপ প্রয়োগ করা। এক কথায় ‘সমস্ত কাফিররাই মুসলমান উনাদের শত্রু’- এটা পৃথিবীর সমস্ত মুসলমান উনাদেরকে ভাল করে মনে রাখতে হবে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি খালিক্ব, মালিক রব্বুল আলামীন। তিনি সমস্ত কিছুর মালিক। আর দুনিয়াতে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র ঘর পবিত্র কা’বা শরীফ মুসলমান উনাদের মালিকানাধীন। সুতরাং ‘পবিত্র কা’বা শরীফ’ কেন্দ্রিক বিশ্বের সময় অঞ্চল নির্ধারিত হবে এটাই যৌক্তিক বিষয়।
এ বিষয়টি সউদী আরব সরকারের আরো উপলব্ধি করা প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবতা হল যে এ ওহাবী রা এটা করবে কি ??
KMT vs GMT
KMT (কাবা শরীফ মিন টাইম) vs GMT (গ্রিনিচ মিন টাইম)
“মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা অর্থাৎ মুসলমানরা কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করোনা।’ বৃটিশদের চাপানো জিএমটি যদি তাদের সমজাতীয় বিধর্মীরাই মেনে নিতে না চায় তাহলে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার মধ্যে কাফির-মুশরিক ও মুনাফিকদের অনুসরণ ও অনুকরণ নিষেধ থাকার পরও মুসলমান উনারা কিভাবে জিএমটি মেনে নিতে পারেন? অতএব, মুসলিম দেশসমূহের উচিত- জিএমটি কেন্দ্রিক সময় অঞ্চল পরিহার করে ‘পবিত্র কা’বা শরীফ’ কেন্দ্রিক সময় অঞ্চল চালু করা।”
ফরাসীদের মধ্যে বৃটিশদের চাপানো গ্রীনিচ কেন্দ্রিক সময় অঞ্চল পরিহারের ব্যাপারে সচেতনতা প্রকাশ পাওয়ায় মুসলমান উনাদের এ ক্ষেত্রে কী করণীয় এবং শিক্ষণীয় সে সম্পর্কে লিখা হল
প্যারিসের ‘ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অব ওয়েটস এন্ড মেজারস’ তথা বিআইপিএম বৃটিশদের জিএমটি পরিহার করে ‘অ্যাটমিক ক্লক’ বা ‘পরমাণু ঘড়ি’র সাহায্যে সময় নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের দাবি, সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর আবর্তনের উপর নির্ভর না করে এবার থেকে ‘পরমাণু ঘড়ি’র সাহায্যেই ঠিক করা হোক ‘সময়’। ১৩০ বছর ধরে জিএমটি অর্থাৎ ‘গ্রীনিচ মিন টাইম’কে ভিত্তি করেই সারা বিশ্বে সময়ের হিসাব হয়ে আসছে, অথচ তা ত্রুটিপূর্ণ।
১৮৮৪ সালে যখন গ্রীনিচের উপর দিয়ে প্রাইম মেরিডিয়ানকে স্থির করার জন্য ২৫টি দেশের মধ্যে ভোটাভুটি হয় তখন ব্রাজিল এবং ফ্রান্স ভোট দেয়া থেকে বিরত থেকেছিলো এবং ১৯১১ সাল পর্যন্ত ফ্রান্স জিএমটি অনুযায়ী তাদের সময় অঞ্চল নির্ধারণ করেনি। ১৩০ বছর পরে হলেও আবার তারা জিএমটির বিরোধিতা শুরু করছে সঙ্গতকারণেই। যেহেতু জিএমটি সিস্টেমে ভুল রয়েছে।
মুসলিম দেশ হিসেবে একটি মাত্র দেশ তুরস্ক প্রাইম মেরিডিয়ান সম্মেলনে প্রতিনিধিত্ব করেছিলো। বর্তমানে পৃথিবীতে মোট ৪৮টির অধিক মুসলিম দেশ রয়েছে আর বিশ্বের সকল দেশেই মুসলিম জনসংখ্যা রয়েছে। তবে মুসলমানরা কেন এখনও জিএমটি অনুযায়ী সময় নির্ধারণ করবে?
সূর্যের চারিদিকে পৃথিবীর প্রদক্ষিণকে এক বছর হিসেবে ধরা হয়। পৃথিবী সবসময় একই গতিতে সূর্যের চারিদিকে আবর্তন করে না, গতি কখনও বাড়ে কখনও কমে। অতএব, ২৪ ঘণ্টার আগেই কখনো প্রদক্ষিণ শেষ করে আবার কখনো ২৪ ঘণ্টার পরে প্রদক্ষিণ শেষ করে। এর ফলে জিএমটিকে মেনে সময়ের হিসাব করতে গিয়ে ভুল ভ্রান্তিতে পড়তে হয়। এ সমস্যা সমাধানে জিএমটির সঙ্গে পরমাণু ঘড়ির সমন্বয়ে ১৯৭২ সালে ব্রিটিশরাই এক নতুন পদ্ধতির উদ্ভাবন করে; যা হচ্ছে ‘কো অর্ডিনেটেড ইউনিভার্সাল টাইম’ (ইউটিসি)। কিন্তু তাতেও সমস্যা রয়েছে। মাঝে মধ্যেই যোগ করতে হয় লিপসেকেন্ডস।
ব্রিটিশরা তারা তাদের জিএমটিকে ধরে রাখার জন্য আধুনিকায়ন করার চেষ্টা করছে, ফরাসীরা তা না মানার জন্য আবার বিরোধিতা করছে। অথচ মুসলমান উনাদের মধ্যে কোনো উপলব্ধি দেখা যাচ্ছে না। মুসলমান উনাদের উপলব্ধি করা উচিত যে, গ্রীনিচ থেকে সময় নির্ধারণ করাটাই অর্থহীন। গ্রীচিনের উপর প্রাইম মেরিডিয়ান স্থির করাটা অযৌক্তিক একটি বিষয়; কারণ এই স্থানের কোনো ভৌগোলিক এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব নেই।
সুতরাং বিশ্বের সকল মুসলিম দেশের শাসকদের উচিত- জিএমটি পরিহার করে ‘পবিত্র কা’বা শরীফ’ কেন্দ্রিক সময় অঞ্চল নিজ নিজ দেশে অবশ্যই চালু করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে অনুসরণের জন্য চাপ প্রয়োগ করা। এক কথায় ‘সমস্ত কাফিররাই মুসলমান উনাদের শত্রু’- এটা পৃথিবীর সমস্ত মুসলমান উনাদেরকে ভাল করে মনে রাখতে হবে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি খালিক্ব, মালিক রব্বুল আলামীন। তিনি সমস্ত কিছুর মালিক। আর দুনিয়াতে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র ঘর পবিত্র কা’বা শরীফ মুসলমান উনাদের মালিকানাধীন। সুতরাং ‘পবিত্র কা’বা শরীফ’ কেন্দ্রিক বিশ্বের সময় অঞ্চল নির্ধারিত হবে এটাই যৌক্তিক বিষয়।
এ বিষয়টি সউদী আরব সরকারের আরো উপলব্ধি করা প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবতা হল যে এ ওহাবী রা এটা করবে কি ??
3 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
Muhammad Anwar Gani
“মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা অর্থাৎ মুসলমানরা কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করোনা।’ বৃটিশদের চাপানো জিএমটি যদি তাদের সমজাতীয় বিধর্মীরাই মেনে নিতে না চায় তাহলে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার মধ্যে কাফির-মুশরিক ও মুনাফিকদের অনুসরণ ও অনুকরণ নিষেধ থাকার পরও মুসলমান উনারা কিভাবে জিএমটি মেনে নিতে পারেন? অতএব, মুসলিম দেশসমূহের উচিত- জিএমটি কেন্দ্রিক সময় অঞ্চল পরিহার করে ‘পবিত্র কা’বা শরীফ’ কেন্দ্রিক সময় অঞ্চল চালু করা।”
ফরাসীদের মধ্যে বৃটিশদের চাপানো গ্রীনিচ কেন্দ্রিক সময় অঞ্চল পরিহারের ব্যাপারে সচেতনতা প্রকাশ পাওয়ায় মুসলমান উনাদের এ ক্ষেত্রে কী করণীয় এবং শিক্ষণীয় সে সম্পর্কে লিখা হল
প্যারিসের ‘ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অব ওয়েটস এন্ড মেজারস’ তথা বিআইপিএম বৃটিশদের জিএমটি পরিহার করে ‘অ্যাটমিক ক্লক’ বা ‘পরমাণু ঘড়ি’র সাহায্যে সময় নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের দাবি, সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর আবর্তনের উপর নির্ভর না করে এবার থেকে ‘পরমাণু ঘড়ি’র সাহায্যেই ঠিক করা হোক ‘সময়’। ১৩০ বছর ধরে জিএমটি অর্থাৎ ‘গ্রীনিচ মিন টাইম’কে ভিত্তি করেই সারা বিশ্বে সময়ের হিসাব হয়ে আসছে, অথচ তা ত্রুটিপূর্ণ।
১৮৮৪ সালে যখন গ্রীনিচের উপর দিয়ে প্রাইম মেরিডিয়ানকে স্থির করার জন্য ২৫টি দেশের মধ্যে ভোটাভুটি হয় তখন ব্রাজিল এবং ফ্রান্স ভোট দেয়া থেকে বিরত থেকেছিলো এবং ১৯১১ সাল পর্যন্ত ফ্রান্স জিএমটি অনুযায়ী তাদের সময় অঞ্চল নির্ধারণ করেনি। ১৩০ বছর পরে হলেও আবার তারা জিএমটির বিরোধিতা শুরু করছে সঙ্গতকারণেই। যেহেতু জিএমটি সিস্টেমে ভুল রয়েছে।
মুসলিম দেশ হিসেবে একটি মাত্র দেশ তুরস্ক প্রাইম মেরিডিয়ান সম্মেলনে প্রতিনিধিত্ব করেছিলো। বর্তমানে পৃথিবীতে মোট ৪৮টির অধিক মুসলিম দেশ রয়েছে আর বিশ্বের সকল দেশেই মুসলিম জনসংখ্যা রয়েছে। তবে মুসলমানরা কেন এখনও জিএমটি অনুযায়ী সময় নির্ধারণ করবে?
সূর্যের চারিদিকে পৃথিবীর প্রদক্ষিণকে এক বছর হিসেবে ধরা হয়। পৃথিবী সবসময় একই গতিতে সূর্যের চারিদিকে আবর্তন করে না, গতি কখনও বাড়ে কখনও কমে। অতএব, ২৪ ঘণ্টার আগেই কখনো প্রদক্ষিণ শেষ করে আবার কখনো ২৪ ঘণ্টার পরে প্রদক্ষিণ শেষ করে। এর ফলে জিএমটিকে মেনে সময়ের হিসাব করতে গিয়ে ভুল ভ্রান্তিতে পড়তে হয়। এ সমস্যা সমাধানে জিএমটির সঙ্গে পরমাণু ঘড়ির সমন্বয়ে ১৯৭২ সালে ব্রিটিশরাই এক নতুন পদ্ধতির উদ্ভাবন করে; যা হচ্ছে ‘কো অর্ডিনেটেড ইউনিভার্সাল টাইম’ (ইউটিসি)। কিন্তু তাতেও সমস্যা রয়েছে। মাঝে মধ্যেই যোগ করতে হয় লিপসেকেন্ডস।
ব্রিটিশরা তারা তাদের জিএমটিকে ধরে রাখার জন্য আধুনিকায়ন করার চেষ্টা করছে, ফরাসীরা তা না মানার জন্য আবার বিরোধিতা করছে। অথচ মুসলমান উনাদের মধ্যে কোনো উপলব্ধি দেখা যাচ্ছে না। মুসলমান উনাদের উপলব্ধি করা উচিত যে, গ্রীনিচ থেকে সময় নির্ধারণ করাটাই অর্থহীন। গ্রীচিনের উপর প্রাইম মেরিডিয়ান স্থির করাটা অযৌক্তিক একটি বিষয়; কারণ এই স্থানের কোনো ভৌগোলিক এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব নেই।
সুতরাং বিশ্বের সকল মুসলিম দেশের শাসকদের উচিত- জিএমটি পরিহার করে ‘পবিত্র কা’বা শরীফ’ কেন্দ্রিক সময় অঞ্চল নিজ নিজ দেশে অবশ্যই চালু করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে অনুসরণের জন্য চাপ প্রয়োগ করা। এক কথায় ‘সমস্ত কাফিররাই মুসলমান উনাদের শত্রু’- এটা পৃথিবীর সমস্ত মুসলমান উনাদেরকে ভাল করে মনে রাখতে হবে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি খালিক্ব, মালিক রব্বুল আলামীন। তিনি সমস্ত কিছুর মালিক। আর দুনিয়াতে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র ঘর পবিত্র কা’বা শরীফ মুসলমান উনাদের মালিকানাধীন। সুতরাং ‘পবিত্র কা’বা শরীফ’ কেন্দ্রিক বিশ্বের সময় অঞ্চল নির্ধারিত হবে এটাই যৌক্তিক বিষয়।
এ বিষয়টি সউদী আরব সরকারের আরো উপলব্ধি করা প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবতা হল যে এ ওহাবী রা এটা করবে কি ??
হাসনাত
তবুও আমাদের বলে যাওয়া উচিত। আর যেহেতু সব আহালে কিতাবদের মূল হল সম্মানিত কাবা শরীফ তাই ইহুদী খ্রিস্টান সকলকে KMT উনাকে আন্তর্জাতিকভাবে অনুসরণ করাটাই যুক্তিসংগত।
সুন্দর পোস্টের জন্য আপনাকে :rose: ।
Muhammad Anwar Gani