সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

ইসলাম ও জীবন

Islam Reverse Jamayet E-Islam

“ঈমাম হুসাইন(আঃ) এর ইসলাম এবং জামায়াতে ইসলামীর ইসলাম” প্রিয় ধর্মপ্রাণ মুসলমান ভাই ও বোনেরা। আস্সালামুআ’লাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহে ওয়াবা’রাকাতুহু। আপনারা জানেন যে, ইমলামের অতি পারম্ভে হজরত ওসমান(আঃ), হজরত ওমরফারূক (আঃ) এবং মওলা আলী (আঃ) সহ ঈমাম হাসান(আঃ) ও হুসাইন (আঃ) কে কোন কাফের,ইহুদি,খৃষ্টান হত্যা করেনি। হত্যা করেছে মুসলমান লেবাসধারী দাড়ি টুপি পরিহিত ইসলামের শত্রুরা। যারা নিজেকে আমিরূল মুমিনিন বলে দাবী করেছিল সে সকল লেবাসধারী। ছাহাবা হিসেবে যারা নিজেদের দাবী করে তারা। আবুসুফিয়ান আর হিন্দা নামক বিষবৃক্ষের দৃষ্টি নন্দন ফলটির নাম হচ্ছে মুয়াবিয়া। এই মুয়াবিয়া সিপ্পিনের যুদ্ধে পবিত্র কোরান বল্লমের মাথায় ঝুলিয়ে মওলা আলীর সহিত সন্ধি চুক্তি করে তার পর তাঁকে নির্মম ভাবে হত্যাকরে। এ মুয়াবিয়ার মাতা হিন্দা বদরের যুদ্ধে হজরত আমীর হামজা (আঃ) এর পবিত্র কলিজা চিবিয়ে খেয়েছিল। তার বাবা আবুসুফিয়ান রাসুল (সাঃ) এর পথে কাঁটা পুঁতে রাখতো। তারপর এয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়ার হাতে শহীদ হন ইমমাম হুসাইন (আঃ) সহ সত্তোর জন আওলাদে রাসুল। আর এই এয়াজিদ ইবনে মারওয়ান সহ সকল মুয়াবিয়ার বংশধর গন মসজিদের খুৎবায় আওলাদে রাসুল (সাঃ) গনের বিরূদ্ধে অভিশাফ বর্ষন করতো যুগের পর যুগ যা আজ পর্যন্ত অব্যাহত আছে। এয়াজিদের এসকল কাজের সমর্থন দিতো তার বেতনভুক্ত কিছু আলেম নামধারী দালালেরা। তথা কথিত সে সকল আলেম নামধারী দালালদের পথ অনুসারী এ যুগের দালাল হচ্ছে কওমি মাদ্রাসায় পড়–য়া কিছু স্বঘোষিত মাওলানা মুফতিরা যারা ইসলামের নামে এখন জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে এবং জামায়াতে ইসলাম করে। ভাবতেও লজ্জা হয়,এরাই যখন ইসলাম ও ঈমান রক্ষার আন্দোলন করে।যাদের ঈমান নিয়েই হাজার রকমের প্রশ্ন আছে। এ দেশের শতকরা নব্বই ভাগ লোক মুসলমান পরিবারে জম্ম নিয়েছে। মত পথের ভিন্নতা থাকলেও এরা মুসলিম কৃষ্টি সভ্যতায় বড় হয়েছে।এরা মাজার,পীর ফকির বিশ্বাস করে, মিলাদ বিশ্বাস করে। আর যারা ঈমান রক্ষার মহান দ্বায়ীত্ব নিয়ে আন্দোলন করছে তারা মাজার মানেনা,পীর মানেনা,এমন কি মিলাদ ও মোনাজাত দেয়াকে হারাম বলে থাকে কিছু কিছু তথাকথিত আলেম। প্রিয় পাঠক আমি এদের ইসলামের কিছু মৌলিক মতবাদের পরিচয় ইল্লেখ করছি। ১। এরা মাজার এবং পীর প্রথায় বিশ্বাসী নয়। ২। এরা নবী (আঃ) গনকে নিষ্পাপ মনে করে না। ৩। এরা রাসুল (সাঃ) কে মাটির তৈরী সাধারন মানুষ মনে করে। ৪। রাসুল(সাঃ) এলমে গায়েব জানেন এরা মানেনা। ৫।এরা কেউ আবার রাসুল (সাঃ) স্বশরীরে মেরাজ করেছেন মানেনা।৬।এরা এয়াজিদ ইবনে মুয়াবীয়াকে খলিফা মনে করে এবং একজন সাহাবী মনেকরে।এবং তারা মনে করে যারা এয়াজিদকে খলিফা মনে করেনা তারা নাস্তিক , মুরতাদ(নাউজুবিল্লাহ্। ৭। এরা কোন মাজাহাব মানেনা। যার ফলে তারা হজরত বড়পীর সাহেব সহ বড় বড় অলিদের কাফের ফতোয়া দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি বরং আল্লামা ইকবাল, মাঃ জালালউদ্দিন রুমি,খাজা গরীবেনেওয়াজ কে ও কাফের বলেছে। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন যে, আরবীতে খাজা শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাস্য । এখন আপনি যদি প্রমান পেতে চান তাদের প্রশ্ন করুন এয়াজিদ কাফের কিনা জবাব পেয়ে যাবেন। এরা আমার আপনার মত অসংখ সরল মুসলমানকে কি ভাবে ধোকা দিয়ে যাচ্ছে তা বুঝতে পারবেন। এরা এদেশে মূলতঃ ইসলাম রক্ষা করতে আসেনি এসেছে এয়াজিদকে প্রতিষ্ঠিত করতে। পবিত্র কোরানুল করিমের সুরা নিসার একশত পঞ্চাশ নাম্বার আয়াতটি লক্ষ করুন এরা কাফের কিনা। পবিত্র কারবালার ময়দানে ইমাম হুসাইন (আঃ) পরিষ্কার করে আলাদা করে গেছেন কারা মুসলমান এবং কারা ইসলামের লেবাসধারী কাফের। ইমাম আবু হানিফা(রঃ) ফতোয়া দিয়ে ষ্পষ্ট করেছেন শুধুমাত্র এয়াজিদই নয় তার পিতা মুয়াবিয়া ও একজন কাফের ছিল। সড়হরৎ যড়ংংধরহ ৫ বিবশং ধমড় মনিটি আগে পোস্ট করছেনে

3 টি মন্তব্য

  • সূফী-দরবেশ

    আমীরুল মু’মিনীন হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি শুধু ছাহাবীই নন, বরং মর্যাদাপূর্ণ, জলীলুল ক্বদর ছাহাবী, কাতিবে ওহী, গুপ্তভেদ জাননেওয়ালা ছাহাবী এবং ন্যায়পরায়ণ খলীফাও ছিলেন।

    http://allahwala13.blogspot.com/2012/11/blog-post_29.html
  • Engr.Monir

    নাউজু বিল্লাহে, তাকে কাফের বলার অপরাধে যদি জাহান্নামেও যেতে হয় তবু হাসতে হাসতে জাহান্নামে যেতে রাজি আছি তবু ইমাম বংশ তথা রাসুল আলাইহে সালাতুস সালামের বংশধর গনের হত্যাকারী এবং হত্যার পরিকল্পনা কারী দের সাহাবী মনে করিনা এবং করবোনা।
  • মুজাদ্দিদী সৈনিক

    হযরত মুয়াবিয়া রদ্বি‌য়াল্লাহু তায়ালা আনহ তো জলীলুল ক্বদর ছাহাবী ছিলেন। তিনি রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত করতেন। কিন্তু উনার ছেলে ইয়াজিদ ল'নাতুল্লাহি আলাইহি সে হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনাকে শাহাদাত করেছিল। তাই ইয়াজিদ ল'নাতুল্লাহি আলাইহি নিকৃষ্ট পর্যায়ের কাফির।

    ভুলবেন না, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ইখতিলাফ রহমতের কারণ।

    যেহেতু একজনের পাপের বোঝা অন্য জন বহন করবে না। তাই ইয়াজিদ ল'নাতুল্লাহি আলাইহির জন্য হযরত মুয়াবিয়া রদ্বি‌য়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে দোষারোপ করা যাবে না।

    কাবিলের জন্য কি হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে দোষারোপ করা যাবে (নাউযুবিল্লাহ), একবার চিন্তা করুন তো?

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।