Islami Dress Code

তথাকথিত নামধারী মাওলানা, মুফতী, মুহাদ্দিছ, ইসলামী চিন্তাবিদ তাদের বিদ্যা জাহির করার জন্য প্রায়শ বলে থাকে যে, “Islam is the complete code of life.” অথচ পোশাকের ব্যাপারে তারাই আবার গন্ডমূর্খের ন্যায় বলে থাকে যে, ইসলামে কোন Dress code নেই অর্থাৎ ইসলামে নিদিষ্ট কোন পোশাক নেই, অঞ্চল ভেদে পোশাক-পরিচ্ছেদ ভিন্ন হতে পারে।" এসমস্ত মাওলানা, মুফতী, চিন্তাবিদরা যে কত বড় গন্ডমূর্খ তা সহজেই অনুধাবন করা যায়। কারণ মুসলমান পুরুষের পোশাক হবে কামীছ, লুঙ্গি, টুপি, পাগড়ি, রুমাল ও সেন্ডেল ।
সিহাহ্ সিত্তাহ, মিশকাত, মিরকাত,ফতহুল বারী,ওমাদাতুল ক্বারী,শামীতে উল্লেখ আছে যে, কামীছ হবে কোনাবন্ধ, নেছফসাক,সুতী কাপড়ের, গুটলি ওয়ালা । বুখারী শরীফ,শামায়িলুত্ তিরমিযী,মুসলিম শরীফ,ইবনে মাযাহতে উল্লেখ আছে যে, লুঙ্গি বা ইজার হবে সিলাইবিহীন । তিরমিযী, মিরকাত, মিশকাতে উল্লেখ আছে যে, মাথার টুপি হবে সুতি, সাদা, গোল, চার টুকরা বিশিষ্ট, মাথার সাথে লেগে থাকবে। আদাবুন নবী,শামায়েলে তিরমিযীতে উল্লেখ আছে যে, টুপির উপরে ৩ হাত, ৭ হাত বা ১২ হাত কালো, সাদা বা সবুজ পাগড়ি পরতে হবে । আল মুরশিদুল আমিন,উস্ওয়াতুর রসূল,সিহাহ্ সিত্তাহতে উল্লেখ আছে যে, পাগড়ির উপরে আড়াই হাত, পৌনে তিন হাত বা তিন হাত মাপের বর্গাকৃতির রুমাল পড়তে হবে । শামায়েলে তিরমিযী, জামউল ওসায়েল, আদাবুন নবীতে উল্লেখ আছে যে, স্যান্ডেল বা নালাইন হবে দু’ফিতা বিশিষ্ট (ক্রস বেল্ট) যা সম্পূর্ণ চামড়া নির্মিত ও লাল-খয়েরী রঙের । অন্যদিকে মেয়েদের পোশাক হচ্ছে সেলওয়ার, কামীছ, ওড়না,সেন্ডেল । মিশকাত শরীফ, সীরাতে আয়িশা আলাইহাস্ সালাম ইত্যাদি কিতাবে উল্লেখ আছে যে, সেলওয়ার হবে কলিদার যার নীচের দিকে পাজামার মত ঢোলা নয় বরং বর্ডারযুক্ত চিপা, যা চোস্ত নয়। কামীছ পুরুষের ন্যায় তবে পুরুষের গুটলী সামনের দিকে আর মেয়েদের গুটলী কাঁধের উপরে এবং কামীছ পূর্ণ হাতা বিশিষ্ট নেছফছাক হবে । আর ওড়না হবে চাদর জাতীয়।
8 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
বিষ ফোড়ন
পোশাক একটা জাতিকে চেনার উপায়, সবার পোশাক এক হয়ে গেলে হিন্দু না মুসলিম পার্থক্য হবে কি ভাবে!
একটা মুসলমানকে হিন্দু ভেবে নমষ্কার দিলে কত চরম লজ্জাজনক ব্যপার!!!
১.৯২.৫
(নেপালে লোকেরা কিস্তি টুপি পরে।)
আবার পাঞ্জাবী পরে কোঁনা ফাড়া যা সম্রাট আকবরের সময়কালে হিন্দুরা পরতো।
ভোরের আলো
এএইচ খান
Julfikaar
১.৯২.৫
মুস্তাফিজ
পিচ্চি