Nobiji amader moner khobor jana somporke.

Amra ke kothy ki kori,Nobi ki amader moner khobor soda sorboda janen?
Janle okatto dolil pes koron.
Nobir mojeja ki sob somoy naki jokhon Allah den?
13 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
কনভার্টার
এ পোস্ট পড়লে আপনার প্রশ্নের জবাব পাবেন। ইনশাআল্লাহ।
al-adil
http://shobujbanglablog.net/60769.html
হাযির নাযির হওয়ার দলীল:
http://shobujbanglablog.net/60767.html
ইলমে গাইব ও হাযির নাযির বিশ্বাস করলে আপনার প্রশ্নের উত্তর পাবেন।
দলীল পাওয়ার পরও যদি ইলমে গাইব ও হাযির-নাযির বিশ্বাস না করেন, তাহলে শুধু তর্ক না করে রাস্তা মাপেন।
valo manus
Apnader ke donnobad.
Ami agolo ossikar korina,akjon amake jiggasa korce.
Moner khobor jana ata ki elme gaeb naki hajir najirer.
R amake ak ti okatto dolil den.Nobiji soda sorboda amader moner khobor janen.
Oni o bissas kore nobi kokhono kokhono janen kinto sob somoy na.
কনভার্টার
হুযূরপাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখন জানেন আর কখন জানেন না?
নাট বল্টু
al-adil
আপনার প্রশ্ন: নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুজেযা শরীফ সবসময় নাকি যখন আল্লাহ পাক দেন?
প্রশ্নকর্তা চরম বোকা।
আমার প্রশ্ন প্রশ্নকর্তার কাছে:
১) হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি কখনো বলেছেন আল্লাহ পাক ব্যতীতই তিনি মুযিজা শরীফ উনার মালিক।
২)প্রশ্নকারী কি জানেন কখন আল্লাহ পাক মুযেজা দেন আর কখন দেন না?
৩)প্রশ্নকারী কি এটা বলতে চান যে, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নবুওওয়াতের সময়ের ভাগ রয়েছে। অর্থাৎ তিনি কখনও নবী কখনও বাশার?(নাউযুবিল্লাহ)
***প্রশ্নকারীর জেনে রাখা উচিত একজন খালিছ মুমিন বান্দাই অন্তরের খবর বলে দিতে পারেন যা হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্নিত আছে, সেখানে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনির ক্ষমতা কি তা পশুরাও অবগত।
গোলামে মাদানী আক্বা
valo manus
Maf korben.janar jonno bolci.
Nobijir mojeja sarbokkhonic naki maje maje.
Oni bolce maje maje tai nobiji soda sorboda moner khober janen na.
valo manus
Nobiji jodi jane erop akta dolil den Quran ba Hadith theke,jokti dara noy.
rose_3
মহান আল্লাহ পাক উনর রসুল নুরে মোজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনি যে বান্দা বান্দী জ্বিন ইনসানের জাহির বাতিন জিসমানী রুহানী তথা ভিতর বাইরের প্রকাশ্য অপ্রকাশ্য সব জানেন সেটা বুঝার জন্য জানতে হবে কোন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই আয়াত শরীফ নাযিল হযেছেএই শরীফ উনার শানে নুযুলে যেই ঘটনা মুবারকটি বর্ননা হয়েছে তা হলো-একবার মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুজুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনি মসজিদে নববী শরীফ উনার মধ্যে হযরত ছাহাবা কিরাম আজমাইন উনাদের লক্ষ্য মোবারক করে বর্ননা মোবারক করলেন,সৃষ্টির সুচনাতে সাইয়্যিদুনা হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার সমস্ত আওলাদদের রূহ উনার সম্মুখে হাজির করা হয়েছিল,আর আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুজুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার সমস্ত উম্মৎদের হাক্বীকি ছুরত দিয়ে উনার সম্মুখ মোবারকে হাজির করা হযেছিল উনার সমস্ত উম্মৎদের মধ্যে কে মুসলমান? কে কাফির? কে ঈমানদার? কে বেঈমান? কে মুহব্বতকারী? কে বিদ্বেষপোষণ কারী? তিনি সব জানেন তখন মুনাফিকরা বলল মহান আল্লাহ উনার হাবীব হুজুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনি নাকি এখনো যারা দুনিয়াতে আসেনি,তাদের সর্ম্পকে জানে চিনে,অথচ আমরা যে মুসলমান সেজ উনাকে ধোকা দিচ্ছি তা তো তিনি জানেনা(নাঅউযুবিল্লাহ)উনি যখন এই বিষয়টি শ্রবণমোবারক করলেন তখন উনি মসজিদে নববী শরীফ উনার মধ্যে তাশরীফ মোবারক গ্রহণ করে হযরত ছাহাবা কিরাম আজমাইন উনাদের লক্ষ্য মুবারক করে বললেন,মুনাফিকরা আমার সুমহান শান মান মুবারক সর্ম্পকে এলোমেলো কথাবার্তা বলে,হে আমার ছাহাবা কিরাম আজমাইন আপনারা আজকে থেকে শুরু করে কিয়ামত পর্যন্ত যত ঘটনা সংঘঠিত হবে,যে কোন ঘটনা সর্ম্পকে আমাকে জিজ্ঞাসা মুবারক করুন আমি সমস্ত ঘটনা মুবারক বলে দিব,তখন জৈনেক ছাহাবী বললেন ইয়া রসুলুল্লাহ ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পিতার নাম মোবারক কি দয়া করে বলুন তখন নুরে মোজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জবাব মুবারক দিলেন-হুজাইফা,তখন উপরোক্ত আয়াত শরীফ নাযিল হয় এছাড়া হাদীস শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়-اعطيت بجوامع الكلمঅর্থ মোবারক আমাকে সমস্ত ইলিম মুবারক হাদিয়া করা হয়েছে এখান থেকে স্পষ্ট ভাবে প্রমাণিত হয়, নুরে মোজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে সমস্ত ইলিম মুবারক করে হয়েছে,অর্থাৎ বান্দা বান্দী জ্বিন ইনসানের অন্তরের অন্তর স্হলের খবর উনি রাখেনসুবহানাল্লাহ!(চলমান)
কনভার্টার
কনভার্টার
উনি আল্লাহ পাক থেকে প্রদত্ত ক্ষমতা পেয়েই সার্বক্ষণিক ক্বায়িনাতের সবকিছুই অবগত।
আল্লাহ পাক যখন যেটা প্রকাশ করতে বলেন তখনই সেটা তিনি প্রকাশ করেন।
এর মানে নয় যে তিনি মাঝে মাঝে জানেন।
বরং জানেন সবসময়ই। মাঝে মাঝে প্রকাশ করেন।
কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ হয়েছে:
فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَىٰ
অর্থ:দুই ধনুকের ব্যবধান এবং তারচেয়েও কম।
সূরা নজম শরীফ و আয়াত শরীফ নং ৯
আল্লাহ পাক উনার সাথে নূরে মুজাসসামو হাবীবুল্লাহ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্ক দুই ধনুকের ব্যবধান বরং তারচেয়েও নিকটবর্তী। এর মধ্যে অন্য কারো কোন স্থান নেই।
এখন আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কি জানিয়েছেনو কি ক্ষমতা দিয়েছেন তা ক্বায়িনাতের কারো কাছে উপলব্ধির বিষয় নয়। তবে তিনি কিছু কিছু বিষয় প্রকাশ করেছেন। কিন্তু প্রকাশিত বিষয়ইতো শেষ নয়, হাক্বীকত নয়। বরং তা নমুনা মাত্র।
যে ব্যক্তি ব্যতিক্রম ধারনা করে, তাকে কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ থেকে দলীল দিতে হবে। সে তো তার দলীল দিতে পারে নাই। সে শুধু মাত্র তার নিজের অনুমান থেকে বলেছে। তার অনুমানতো শরীয়ত গ্রহন করতে পারে না।
বরং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানের খিলাফ মত প্রকাশ করার কারনে ওই ব্যক্তির কুফরী হয়েছে। শক্ত কুফরী হয়েছে। তাকে খালিছ তওবা করতে হবে।
valo manus