মশহুর হাদীছ শরীফ সনদ ছাড়াই অনেকে বর্ননা করে থাকেন।
তবে সনদসহই বর্ননা করা উত্তম।
valo manus
Chonod thakle ena buja jabe ata ki mashor naki motaoatir,doef.
haq kotha
"Assanado emadud din". Er cheye joef hadith e onek ottom.karon joef er opor amol kora jabe kinto ota amol o kora jabe na.
valo manus
haq kotha@Tahole je kitabe chonod nai se kitaber Hadith ki mana jabe?
দূর্গম গিরি
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনঃ
Hok kotha ও valo manus দুইটা নিক এর ব্যবহার কারী এক অথবা সমজাতীয় ।
valo manus
Dorgomgiri@sotorko korar ki holo?
Akhane kono galagali ache naki?apnar valo jana thakle bolen,mene nibo.amito amar mot kawke chapie deina,just jante chaici.
Asole jobab na thakle amon kotha bolbe atai savabik.
দূর্গম গিরি
সতর্ককরেছি কেন ? যেন কেউ তোদের কথা কে রাজারবাগীদের কথা মনে না করে ।তোরা অর্থাত হাসা কথা ,হক কথা ,ভাল মানুষ তোদের এই ব্লগের অতীত রের্কড একটা একটা করে মনে আছে আমার ।
আর দেড়ি করে উত্তর দেওয়ার কারন ১২ রবিউল আউয়াল শরীফ উনার মাহফিল উপলক্ষ্যে ব্যাস্ততা ।
তোদের এসব ফাও পেচালের উত্তর দেওয়ার প্রয়োজনিয় তা আমার কাছে কঁনা পাইও নাই তবুও হক তালাশিদের জন্য দিতে হচ্ছে ।
পরের কমেন্ট এ.....
দূর্গম গিরি
কাফের মুশরেকরা ইসলামের ক্ষতি করার জন্য আপ্রন চেষ্টায় মত্ত তখন তারা নিত্য নতুন কৌশলে এগেতে থাকে ।
এর একটি পদক্ষেপ হিসাবে তার তাদের নিয়ন্ত্রিত ফিরকার মধ্যে জল ও জয়িফ এর মাধ্যমে হাদিস শরীফ এর ব্যপারে বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং উম্মার বড় একটি অংশের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে ।
এখন অমার কয়েকটি প্রশ্নঃ
১। পৃথিবীতে সহী হাদীস শরীফ এর সংখ্যা কত ?
২। তা যদি ১ লাখ এর মধ্যে হয় তাহলে অনেক কিছুই দীন ইসলাম থেকে বাদ দিতে হয় তথা দীনের অপূর্নতা প্রকাশ পায় এর ফয়সালা কি ?
৩। হুযুর পাক সাল্লাল্লাহু অলাইহি ওয়া সাল্লাম ও উনার পরবর্তী খোলাফায়ে রশীদার মোট সময়ে মাএ লাখ খানিক হাদিস শরীফ বর্নিত হয়েছে এ রকম উঅদ্ভট কথার উদ্দেশ্য কি?
৪। যদি ইসলামের পূর্নতায় কেউ সন্দেহ করে সেই শধু তা মানতে পরে কিন্তু তা অসম্ভব, তাহলে পরিপূর্ন দীন ইসলামে শুধু মাএ সনদ কি হাদীস শরীফ জাল জয়িফ হওয়ার ভিত্তি হতে পারে ?
৫। হাদিস শরীফ কি কখনও জাল ও জয়িফ হতে পারে ?
এ ব্যপারে বিস্তারিত পরের কমেন্টে .....
দূর্গম গিরি
হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কথা কাজ মৌনসম্মতিকে হাদিস শরীফ বলে । তাহলে এটা কি করে বলা যায় যে হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কথা কাজ মৌনসম্মতি মিথ্য বা দুর্বল (নাউযুবিল্লাহ) ।
খাইরুল কুরুন, কুরুনে সালাছা, আইয়্যমে মুতাখখেরিন, ছলফে ছলেহিন, বুজুর্গানে দীন তথা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ উনার অনুসরনীয় ইমাম মুজতাহিদ গন কি এম কথা কোথাও বলেছেন । উত্তরঃ না ।
উনারা বলেছেন অমুক হাদিস শরীফ উনার বর্ননা পরস্পরা হাসান, দূর্বল বা জাল ।
তাহলে হাদিস শরীফ জাল জয়িফ ও হাসান তা শুধু রাবীর কারনে ।
রাবীর উপর ভিত্তি করে ইমাম মুজতাহিদ গন হাদিস শরীফ গ্রহন করেছেন আর বাকি গুলো পরিত্যাগ করেছেন এর কারন ইখতেলাফ এর ব্যপার সমাধান ও সাকেত বা মানসুখ বিষয়ের সর্ম্পকে স্পষ্ট করন ও ফতওয়ার ক্ষেত্রে মানদন্ড নির্ধারন।
হাদিস শরীফে আছে ০০ কেউ যদি হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নামে মিথ্যা কথা বলে অর্থাত হাদিস শরীফ বানিয়ে বলে তবে সে নিজেই তার স্থান জাহান্নামে নির্ধারন করল।
কেউ যদি বলে এই পেয়ালা মুবারকে হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার পানি পান করেছিলেন তবে ঐ মুবারক জিনিষ কে তাজীম করা বিনা প্রমানে ফরয সাব্যস্ত হয় যার সত্যতা আল্লাহ পাক উনি জানেন এবং তা মিথ্যা প্রমানের দলিল আমার কাছে নাই। এখন সে যদি মিথ্য বলে তবে সে ক্ষতিগ্রস্ত আর আমি তাজীম করলাম তবে আমার কিছুই হবেনা ।আর তার কথা যদি সত্য হয় আর আমি যদি তাজীম না করি তবে আমি ক্ষতিগ্রস্থ ।
এক কাফির এর মুখে মিরাজ শরীফ উনার কথা শুনে ছিদ্দিকে আকবর আলাইহিস সালাম বিশ্বাস করেছিলেন অর্থাত হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সংশ্লিষ্ট বিষয় বিনা চুচেরায় বিশ্বাষ করা ফরয না করা ঈমান নষ্টের কারন তা যেই বর্ননা করুক বা সনথ না থাক।
তাহলে কি যে কেউ যাইচ্ছা তা বলল তাই বিশ্বাষ করব ? এক্ষেত্রে সমাধান কি ?
পরবর্তী কমেন্টে দেখুন ।
valo manus
Ami kosom kheye bolte pari ei hadith jal banano amar uddesso na,sodo sotto janar jonno.
Porbe ami akhane akto alochona korecilam valo jobab paina & facebook apnader ke chalai onakeo bolecilam tao bole jobab ache kinto deyna,sob ses apni kototoko paren?
Amar prosno,chonod er karone hadith dara kafer bola jai ba konota dara jaina,konota dolil hoy abar kono ta amol er jonno projojjo,sekhane chonod chara agolo ki korobo?
Apni jodi nirvor joggo proman dite paren taholo ami asa kori onek khedmot korte parbo.akhon porjonto joto alem er kotha bolci kew sotik jobab dite pare na.
দূর্গম গিরি
হাদিস শরীফ যেগুলোর ব্যপারে হক্কানী ইমাম মুজতাহিদ ও মাযহাবের ইমাম গন স্পষ্ট করেছেন তার ফয়সাল ঐরুপ ।
কিন্তু সনদ বিহিন বা দূর্বল সনদ এর হাদিস শরীফের ফয়সালা কি ?
দুর্বল সনদ ওয়ালা হাদিস শরীফ এর বিষয় এর হুকুম ফরয ওয়াজিব মুস্তাহাব যাই হোক না কেন তা আমলের জন্য গ্রহনযোগ্য ও তা হুকুমের কম বা বেশি করতে পারে না আর্থাত ফরজ ফরজি থাকে ।
সনদ বিহিন হাদিস শরীফ এর ফয়সালা কি ?
কোন হাদিস শরীফ এর সনদ নাথাকলে যে তা জাল বা আমল করা যাবে না এটা শরীয়তের দৃষ্টিতে ঠিক নয় ।
এরকম হাদিস শরীফ গুলো কিছু মানদন্ডের সাপেক্ষ দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়-
১. প্রকৃত হাদিস শরীফ ।
২.হাদিস শরীফ নয় ।
যে গুলো প্রকৃত হাদিস শরীফ তা পালন করা মানা ক্ষেত্র ভেদে ফরয ওয়াজিবও হতে পারে ।
আর যেগুলো হাদিস শরীফ নয় তা পরিতায্য ।
তাহলে কি সেই মানদন্দ যা দ্বাড়া সনদ বিহিন হাদিস শরীফ কে যাচাই করা যায় ?
পরবর্তী কমেন্টে ......
দূর্গম গিরি
মানদন্ডঃ
১। কুরআন শরীফ ।
২। ছহি হাদীস শরীফ যার সনদ হাসান ।
৩। আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াহ উনার অনুসারী খাইরুর কূরুন ও আইয়ামে মুতাখখেরীন গনের ইজমা ও কিয়াস ।
৪। মুজাদ্দিদ, ছিদ্দিক ও ছলেহীনগের মত উলিল-আমর রহমাতুল্লাহি ওয়া আলাইহিম উনাদের ক্বওল শরীফ ।
ব্যাখ্যাঃ
১। কুরআন শরীফ ।
সনদ ছাড়া হাদিস শরীফ এর মূলকথা বা ভাবার্থ কুরআন শরীফের আয়াতশরীফএর ভাবার্থের সাথে সর্ম্পকের ক্ষেত্রেঃ
ক) স্পষ্ট সমার্থক । দলিলঃএই কিতাবে কোন সন্দেহ নেই যা মুত্তাকিদের জন্য হিদায়েত ।সুরা বাকারা ।
যেমনঃ সূরা ইউনুস এর ৫৮ নং আয়াতে আল্লাহপাক বলেন ,"তোমাদের যে ফ্বযল ও রহমত দেওয়া হয়েছে তার জন্য খুশি প্রকাশ কর এই খুশি প্রকাশ করাটা সমস্তকিছু থেকে উত্তম যা তোমরা দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য সঞ্চয় করে থাক "। এখন ফযল ও রহমত কি ? উল্লেখ্য ফযলও এক প্রকার রহমত।
কুরআন শরীফে আল্লাহ পাক বলেন ," হে আমার হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাহি সাল্লাম আমি আপনাকে প্রেরন করেছি রহমত স্বরূপ"। তাহলে সূরা ইউনূস উনার মধ্যে যে রহম এর কথা বলা হয়েছে তা কি হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনিই না কি অন্য কিছু তার দলিল কি? হ্যাঁ তাই ,কারন কুরআন শরীফে এমন অনেক আয়াত যুগল আছে যার ১ম আয়াতে কারন ও ২য় আয়াতে উদ্দেশ্য বর্ননা করেছেন ।
যেমনঃ এ ছুরা ইউনুস উনার ৫৭ ও ৫৮ নং আয়াত ।৫৭ নং আয়াতে কারন উল্লেখ করে আল্লাহ পাক বলেন, "তোমাদের মধ্যে আল্লাহ পাক উনি উনার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রেরন করেছেন যিনি তোমাদের আয়াত সমুহ তিলায়াত করে শুনাবেন ,হিদায়েত প্রকাশ করাবেন ও তোমাদের তাযকিয়া করবেন" । এবং ৫৮ নং আয়াতে উদ্দেশ্য প্রকাশ করে বলেন এ কারনে খুশি প্রকাশ কর, তাহল উক্ত রহমত উনি কে তা স্পষ্ট ।
অতএব এমন কোন সনদ বিহিন হাদিস শরীফ পাওয়া যায় ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে বর্নিত তবে তা অবশ্যই হাসান, তা জাল জয়িফ হওয়ার প্রশ্নই আসে না । যেমনঃ আন নিয়ামাতুল কুবরা আলাল অনাম এই কিতাবের বর্নিত হাদিস শরীফ গুলো ।
খ) অস্পষ্ট সমর্থক ।"আল্লাহ পাক শুকনা ও ভিজা এমন কিছুই নেই যা কুরআন শরীফে বর্ননা করতে ছেড়েছেন" । অর্থাত এমন কোন বিষয় যা স্পষ্ট আদেশ বা নিষেধ করা হয়নি এরূপ কোন বিষয়ে বর্নিত সনদ বিহিন হাদিস শরীফ গুলো সহী হবে অপর তিনটি মানদন্ডের সঠিক হলে বা সেগুলোতে অস্পস্ট বা স্পষ্ট আদেশ বা নিষেধ করা না হলে ।
চলবে ....
দূর্গম গিরি
২। সহী হাদিস শরীফ যার সনদ হাসান ।
যে সমস্ত হাদিস শরীফ সহী ও সনদ হাসান বলে প্রমানিত ঐ সব হাদিস শরীফ এর মূলকথা বা ভাবার্থ সনদ বিহিন হাদিস শরীফ এর মূলকথা বা ভাবার্থের একই বা সমার্থক অর্থ নানা দিক ও বিষয়ের মাধ্যমে প্রকাশ পায় তাও সহী ।
৩। খইরুল কুরুন, আইয়ামে মুতাখখেরিন উনাদের ইজমা ও কিয়াস।
সাহাবায়ে কিরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম গন ও উনাদের পর ষষ্ঠ যামানা পর্যন্ত শরিয়তের ফিকহা শাস্ত্র উনার শাখা প্রশাখা বিসতৃতি ব্যাখ্যা বিশ্লেষন হয়েছে । ইজমা কিয়াসের মাধ্যমে সর্ব দিক থেকে দীনের ব্যপকতা বিসতৃত হয় ও সুসংগঠিত হয় ।যা দীনের অকাট্য দলিল ।
উক্ত ইজমা কিয়াসের ভিত্তিতে সনদ বিহীন হাদীস শরীফ এর কোনটা সহি আর কোনটা হাদিস শরীফ নয় তা নির্ধারন করা যায় ।
৪। মুজাদ্দিদ , ছিদ্দিক ছলেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনাদের ক্বওল শরীফঃ
কুরআন শরীফে আছে আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত ছিদ্দিক ছলেহীন বান্দাগনের নিকট । আর প্রতি হিজরী শতকে একজন করে মুজাদ্দিদ প্রেরনের কথা স্পষ্ট হাদিস শরীফে বর্ননা আছে । উক্ত আউলিয়াগন সিলসিলা গত ভাবে কিছু কিছু বিষয় প্রপ্ত হন ও খইরুল কুরুনের পর ইমাম মুজতাহিদ গন বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পরে এভাবে যামানা থেকে যামানা স্থান থেকে স্থানে বিস্তৃত হওয়ার সময় কোন এক পর্যায়ে ক্রমধারার বিস্তৃতিকারী গনের পরিচয়ের ধারা বিচ্যুত হয় ফলে হাদিস শরীফ এর মুল ঠিক থাকে তবে বর্ননা পরস্পরার থাকে না। তখন উক্ত নিয়ামত প্রপ্ত আউলিয়া কিরাম গনকে অনুসরনীয় ধরা হয় ও উনাদের লিখিত কিতাবের বর্ননা ছহি হিসাবে উক্ত কিতাবের বর্নিত হাদিস শরীফ গুলো সহী ধরা হয় যদিও সনদ না থাকে। এরূপ হাদিস শরীফ এর বৈশিষ্ঠ্য হল তার মূলনীতি বা ভাবার্থ কুরআন শরীফ, সহি হাদিস শরীফ ও ইজমা কিয়াসে স্পষ্ট উল্লেখ না থাকলেও তা নিষেধও করা থাকে না । আউলিয়া কিরাম গনের ওলীত্ব ও খোদায়ী নিয়ামত এখানে হক তালাশী উম্মার সনদের অভাব কে পূর্ন করে । যদিও বাতিল ফিরকার নিকট তা তুচ্ছ কারন তারা ওলী মানে না। তাতে কি হয়েছে তারাতো বড়পীড় সহিব ও খাজা সহিব রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কারামতের মশহুর বর্ননা ওয়ালা কিতাব পরে মন্তব্য করে "গাজাখুরী কথা" (নাউজুবিল্লাহ) । অথচ গুনিয়াতুত ত্বলিবীন ও আনিসূল আরওয়াহ কিতাব গুলোতে বর্নিত হদিস শরীফ গুলো সনদ ছাড়াই কোটি কোটি সুন্নি উম্মাহ নিকট মশহুর ও অনুসরনীয় ।
এছাড়াও একটা মানদন্ড আছে তা হলঃ
তাবত বাতিল ৭২ ফিরকা যেমনঃ জামাতি, তবলীগী, লামযহাবী, সলাফী, আহলে হাদিস, শিয়া, ওহাবী, খারীজি গুলো আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়ার অনুসারী গনের যে সব আকীদা আমল এর বর্নিত হদিস শরীফ গুলো নিয়ে চুচেরা করে সেই সব হাদিস শরীফ বিনা সনদে বিনা দলিলে সহি হাদিস শরীফ ।কারনা তার হকের বিরোধিতা করার ফলেই বাতিল ।তাদের কারনে বাতিল আমাদের কাছে স্পষ্ট ।আঁধার না থাকলে আলোর মহত্ব প্রকাশ পেত কি। তবে ব্যতিক্রম ও আছে যেমনঃ শিয়ারা কারামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহি ওয়া সাল্লম উনার ব্যাপারে ও খারেজীরা নুরেমুজাছেম এর ব্যপারে সামান্য কিছু সহী হদিস শরীফ বর্ননা করেছে বা মেনে নিয়েছে তবে নগন্য ধর্ত্যব্য নয় কারন তাদের মূলে গলদ।
ধন্যবাদ ।
valo manus
Thank you,
Aj ke onek kichu siklam.
Apnar kotha golo kiser vittite tarmane osole hadith naki fikah,kono kitab er kotha bolle valo hoto jate amio porte partam.
Akjon alem jini ahle hadith er biroddhe onek valo boktobbo dey tini bolcen,emam gajjali rahmatullah alai er kitabe 300 hadith jal ache.
Bukhari shorif er akta gotona bollen,"oporicito poros mohila ak gavir dod pan korce ate bibah boido na" amon hadith ki amra manbo?chonod sohi.setato amra manina.
R ami je boitar nam porbe ta darunnajat madrasha libery te paben seta dekben plz & tar opor akta bistarito likhben.
দূর্গম গিরি
আপনি বেশি বেশি আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ও আল-ইহসান শরীফ (www.al-ihsan.net) নিয়মিত পড়েন সবকিছু জানতে পারবেন ।
বাইরের কিতাব কি আছে তা আমার জানার দরকার নাই আমাদের পএ পত্রিকা পড়েন নিজেই সব বুঝতে পারবেন ।
যে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা অত্যন্ত স্পর্শকাতর । ব্লগে সংক্ষেপে বা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে বুঝানো কঠিন । যা বুঝাতে চাই তা সেভাবে প্রকাশ নাও হতে পরে আর আপনি ভালভাবে না বুঝলে সব কষ্ট বৃথা । তাই আমাদের কিতাব গুলো পড়ার পরামর্শ দিলাম ।
valo manus
Apnader kotha o jodi erop likha thake tahole janate paren.
dr.mubashshir12
ভালো(পেঁচাল) মানুষ!
দুর্গমগিরি ভাই এত সুন্দর জবাব দিয়েছেন । এখন আপনি বলছেন কোন কিতাব থেকে বলেছেন তা উল্লেখ করেন।দুর্গমগিরি ভাই যখন বললেন নিয়য়মিত আলবাইয়্যিনাত ওদৈনিক আল ইহসান শরিফ পড়লে এ বিষয়গুলো সহ আপনার সকল জিগ্গাসার জবাব পাবেন।আপনি বললেন এখানে উল্লেখ করতে।আপনি জাহিল মাওলানাদের কিতাব পড়বেন কিন্তু জামানার তাজদীদী মুখপত্রমাসিক আলবাইয়্যিনাত ও দৈনিক আল ইহসান শরিফ পড়বেন না।আপনাকে আমি আগেই বলেছিলাম ইলম কার কাছ থেকে নিচ্ছেনআগে সেটা দেখেন।
আপনার এই জাহিল মাওলানা যে হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার কিতাবে ৩০০ জাল হাদিস আছে বলে উল্লেখ করেছেন।
আচ্ছা পেঁচাল মানুষ সাহেব আপনার কি মনে হয় যে, আপনার এই কথিত মাওলানা সাহেব তিনি কি ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার চেয়েও বেশি ইলমের অধিকারী?তা না হলে তিনি তো ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার ভুল ধরতে পারার কথা নয়। এর জবাব আপনার কাছে চাই।
দ্বিতীয়ত, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি তো বলেছন, যে আমার নামে মিথ্যা কথা বলে সে যেন দুনিয়ায় থাকতেই তার স্থান জাহান্নামে নির্ধারণ করে নেয়। আপনার কি মনেহয় ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ তিনি জাহান্নামি(নাউযুবিল্লাহ)? জবাব দিবেন
হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার ইহয়াউলুমুদ্দিন কিতবের সূচনাতেই উল্লেখ করা হয়েছে এক ব্যক্তি পবিত্র ইহয়াউলুমুদ্দিন শরিফ উনার ব্যাপারে সন্দেহ পোষন করত সেই ব্যক্তি একদিন স্বপ্নে দেখল ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ তাকে আল্লাহ পাকের হাবিব হুজুরপাক ছল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লাম উনার কাছে ধরে নিয়ে গেলেন এবং বললেন ইয়া রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লাম এই ব্যক্তি আমার ইহয়াউলুমুদ্দিন সম্পর্কে সন্দেহ পোষন করে তখন হুজুরপাক ছল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লাম ঐ ব্যক্তিকে বেত্রাঘাত করছিলেন।ঐ ব্যক্তি ঘুম থেকে জেগে দেখলেন বেত্রাঘাতের দাগ তখনো রয়েছে তখন সেই ব্যক্তি খালেছ তওবা করলেন এবং অন্যদেরকে সে দাগ দেখিয়ে ইহয়াউলুমুদ্দিন সম্পর্কে সন্দেহ পোষন করতে নিষেধ করলেন।
উল্লেখ্য ঐ ব্যক্তি তো তওবা করে হেদায়েত হয়ে গেলেন।
আপনার কথিত মাওলানা সাহেবের কি হবে?জবাব দিবেন।
হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ তিনি বলেছেন, আমি যখন ইহয়াউলুমুদ্দিন শরিফ লিপিবদ্ধ করি তখন আমি কাশফের মাধ্যমে দেখতে পেয়েছিলাম আমার ঘরের চারদিকে ফেরেস্তারা ব্যারিকেড সৃষ্টি করে রেখেছে-তখন আমি জানতে চাইলাম কেন এরূপ করা হচ্ছে, আমাকে জানানো হলো যে ইবলিস যেন কলমের মধ্যে কোন ওয়াসওয়াসা দিতে না পারে এবং ইবলিস যেন এখানে না আসতে পারে সেজন্য এই ব্যারিকেড।
এখন প্রশ্ন হলো আপনার কথিত এই মাওলানা সােহব তার লেখাগুলো ইবলিসি ওয়াসওয়াসা মুক্ত? না কি ইবলিসি রসে টইটম্বুর তার কলম?জবাব দিবেন।
ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ তিনি বলেছেন তিনি উনার মিনহাজুল আবেদিন কিতাব খানা সম্পূর্নভাবে আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে ইলহাম প্রাপ্ত হয়ে লিখেছিলেন।এতে বিন্দুমাত্রও ভুলের অবকাশ নেই।
এখন প্রশ্ন হলো আপনার এই কথিত আলেম সাহেব তিনি কি ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার চেয়েও বেশি ইলহাম-ইলকার অধিকারী? জবাব দিবেন।
আমি অতি সংক্ষেপে ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার বিষয়টি উল্লেখ করলাম।
আপনি আগে এগুলোর জবাব দিন।তারপর আপনার পেঁচাপেঁচির জবাব দিব ইনশাআল্লাহ।
(আপনাকে আমি কিছুটা সমঝদার ভেবেছিলাম কিন্তু এখন দেখছি আপনি আলেম কাকে বলে সেটাই জানেন না। জাহিল মাওলানাদের পিছনে ঘুরতে ঘুরতে আপনার স্বাভাবিক আকলও লোপ পেয়েছে। আপনি পানির সামান্য নালাকে মহাসাগরের সাথে তুলনা করার মত আহম্মকি প্রকাশ করছেন।অবশ্য আপনারা তো সারাজীবন এই নালা-ই দেখেছন,দেখেননি খাল, নদী,,সাগর,মহাসাগর। আপনারা এই নালাকেই মহাসাগর মনে করেন।
অবশ্য আমি জামানার ইমাম রাজারবাগ শরিফ উনার সম্মানিত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিসসালাম ও হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনাদের মহাসমুদ্র পরিমান ইলমের তুলনায় আপনার কথিত আলেমদের ইলমকে নালার সমতুল্যও মনে করিনা।)
valo manus
Amio onake ei prosno korecilam tini bolen,
Hadith sotto mittha hobe osole hadith dia,jiggas korlam emam gajgali rahmatullah alai ki jal hadith anecen?bollen,ta ami janina,hote pare onno kew probes koriece ba osol er mafkatite porena bidai mante parina.
Ami jevabe tader ta pori apnader ta o pori,sob golo somonny kore sotikta mante chy,apnader jevabe jiggasa kori tader o kori,
R dorgon onar birodita korina boron sokria adai kori kinto je kawke bolle dolil chabe agolor a jonno dolil ceyece.
dr.mubashshir12
ভালো?মানুষ!
আমার প্রশ্নগুলোর জবাব দেন প্লিজ।
valo manus
oporer comment e deoa ache dekhon.
dr.mubashshir12
হাদিস শরিফ উনার বিশুদ্ধতা রাবির বিশুদ্ধতার উপর নির্ভর করে।এখন প্রশ্ন হলো ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ তিনি ছেঁকা রাবি কিনা?
যিনি স্বয়ং আল্লাহ পাক রব্বুল আলামিন উনার পক্ষ থেকে ইলহাম প্রাপ্ত হয়ে লিখেন, যার লেখা যেন ইবলিসের ওয়াসওয়াসা মুক্ত থাকে সেজন্য সম্মানিত ফেরেস্তা আলাইহিমুসসালাম উনারা পাহারা দেন,যার লেখার বিশুদধতার সত্যায়ন করেন নূরেমুজাস্সাম হুজুর পাক ছল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লাম,- তিনি যদি বিশুদ্ধ না হন তাহলে আর কে বিশুদ্ধ হবেন?
ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ জাল হাদিস এনেছেন কিনা এই প্রশ্নের জবাবে জাহিল মাওলানা সােহব বলছেন তিনি তা জানেন না, আবার বলছেন ৩০০ জাল হাদিস।মিথ্যাবাদী এসব জাহিল মাওলানার দল এভাবেই কথা বলে।এই মুনাফিকগুলো এদের জালে এরা নিজেরাই আটকা পড়ে।
তিনি বলেছেন-"হতে পারে অন্য কেউ প্রবেশ করিয়েছে" এসব ভিত্তিহীন কথা বলে পার পাওয়ার কোন উপায় আছে?তার যদি ইলমের এত জোর থাকে তাহলে প্রমান দিক কে কখন কিভাবে ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার কোন কিতাবে কোন্ জাল হাদিস শরিফ প্রবেশ করিয়েছে?এই মাওলানাটা যে তা পারবেনা সেটা তার কথাতেই প্রকাশ পেয়েছে।
এইজন্যই সে উসুলের প্রসংগ টেনেছে।তার কথা থেকে মনে হয় উসূলের বিষয়টা ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ তিনি জানতেন না। এই জাহিল মাওলানার কাছ থেকে ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনাকে উসূল শিখতে হবে?
এই মুনাফিক মাওলানা এবং তার সমগোত্রীয়রা সব সময় এটাই চায় যে মানুষ যেন ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার মত মহান ইমাম গণের কিতাব গুলো না পড়ে তাহলে যে ইহাদের মুনাফিকিটা মানুষের নিকট ধরা পড়ে যাবে।
মূলত যেই মোবারক হাদিসশরিফ গুলো পড়ে মানুষ এই মুনাফিকগুলোকে চিনতে পারবে সেই মোবারক হাদিসশরিফ গুলোকেই ইহারা জাল বলে থাকে।
এই জাহিল মাওলানার প্রতি আমি ডাঃমুবাশ্বির এক লক্ষ টাকা চ্যালেন্জ ঘোষণা করলাম এই মাওলানা সাহেবের যদি হিম্মত থাকে তাহলে প্রমাণ দিক ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার কিতাবে কোন ৩০০ হাদিস শরিফ জাল এবং তা কিভাবে জাল হয়েছে?
valo manus
thanks,avabe bolle onek kotha e bola jabe,sesta korbo akdin apnader dorbar e jete tahole valo vabe prosno korte parbo.
Kokhon apnara dorbare thaken?
dr.mubashshir12
আমি চাকুরী,পড়ালেখা এবং চেম্বার এই তিন নিয়ে ব্যস্ত।তারপরও গড়ে মাসে একবার দরবার শরিফে যাওয়া হয়। দুর্গমগিরি ভাই আমার পীর ভাই কিন্তু এই ছদ্ধ নাম টা কে ব্যবহার করছেন আমি জানিনা।
আপনি কবে আসবেন জানালে আমি থাকার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
আর দরবার শরিফে আসলে আপনার যত প্রশ্ন আছে আপনি সব প্রশ্ন আমাদের যিনি মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিমুসসালাম আছেন উনাকে করবেন উনি আপনার সব প্রশ্নের জবাব দিবেন। উনি সবার সব প্রশ্নের জবাব দিয়ে থাকেন।
আমাদের যার যা কিছু জানার থাকে আমরা উনাকে জিগ্গেস করেই জেনে নিই।
আমরা সবাই মূর্খ, আমাদের কোন ইলম-কালাম নেই, আপনার যা জানার আপনি মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিসসালাম উনার কাছ থেকে জানবেন।
সৌরভ
তবে সনদসহই বর্ননা করা উত্তম।
valo manus
haq kotha
valo manus
দূর্গম গিরি
Hok kotha ও valo manus দুইটা নিক এর ব্যবহার কারী এক অথবা সমজাতীয় ।
valo manus
Akhane kono galagali ache naki?apnar valo jana thakle bolen,mene nibo.amito amar mot kawke chapie deina,just jante chaici.
Asole jobab na thakle amon kotha bolbe atai savabik.
দূর্গম গিরি
আর দেড়ি করে উত্তর দেওয়ার কারন ১২ রবিউল আউয়াল শরীফ উনার মাহফিল উপলক্ষ্যে ব্যাস্ততা ।
তোদের এসব ফাও পেচালের উত্তর দেওয়ার প্রয়োজনিয় তা আমার কাছে কঁনা পাইও নাই তবুও হক তালাশিদের জন্য দিতে হচ্ছে ।
পরের কমেন্ট এ.....
দূর্গম গিরি
এর একটি পদক্ষেপ হিসাবে তার তাদের নিয়ন্ত্রিত ফিরকার মধ্যে জল ও জয়িফ এর মাধ্যমে হাদিস শরীফ এর ব্যপারে বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং উম্মার বড় একটি অংশের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে ।
এখন অমার কয়েকটি প্রশ্নঃ
১। পৃথিবীতে সহী হাদীস শরীফ এর সংখ্যা কত ?
২। তা যদি ১ লাখ এর মধ্যে হয় তাহলে অনেক কিছুই দীন ইসলাম থেকে বাদ দিতে হয় তথা দীনের অপূর্নতা প্রকাশ পায় এর ফয়সালা কি ?
৩। হুযুর পাক সাল্লাল্লাহু অলাইহি ওয়া সাল্লাম ও উনার পরবর্তী খোলাফায়ে রশীদার মোট সময়ে মাএ লাখ খানিক হাদিস শরীফ বর্নিত হয়েছে এ রকম উঅদ্ভট কথার উদ্দেশ্য কি?
৪। যদি ইসলামের পূর্নতায় কেউ সন্দেহ করে সেই শধু তা মানতে পরে কিন্তু তা অসম্ভব, তাহলে পরিপূর্ন দীন ইসলামে শুধু মাএ সনদ কি হাদীস শরীফ জাল জয়িফ হওয়ার ভিত্তি হতে পারে ?
৫। হাদিস শরীফ কি কখনও জাল ও জয়িফ হতে পারে ?
এ ব্যপারে বিস্তারিত পরের কমেন্টে .....
দূর্গম গিরি
খাইরুল কুরুন, কুরুনে সালাছা, আইয়্যমে মুতাখখেরিন, ছলফে ছলেহিন, বুজুর্গানে দীন তথা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ উনার অনুসরনীয় ইমাম মুজতাহিদ গন কি এম কথা কোথাও বলেছেন । উত্তরঃ না ।
উনারা বলেছেন অমুক হাদিস শরীফ উনার বর্ননা পরস্পরা হাসান, দূর্বল বা জাল ।
তাহলে হাদিস শরীফ জাল জয়িফ ও হাসান তা শুধু রাবীর কারনে ।
রাবীর উপর ভিত্তি করে ইমাম মুজতাহিদ গন হাদিস শরীফ গ্রহন করেছেন আর বাকি গুলো পরিত্যাগ করেছেন এর কারন ইখতেলাফ এর ব্যপার সমাধান ও সাকেত বা মানসুখ বিষয়ের সর্ম্পকে স্পষ্ট করন ও ফতওয়ার ক্ষেত্রে মানদন্ড নির্ধারন।
হাদিস শরীফে আছে ০০ কেউ যদি হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নামে মিথ্যা কথা বলে অর্থাত হাদিস শরীফ বানিয়ে বলে তবে সে নিজেই তার স্থান জাহান্নামে নির্ধারন করল।
কেউ যদি বলে এই পেয়ালা মুবারকে হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার পানি পান করেছিলেন তবে ঐ মুবারক জিনিষ কে তাজীম করা বিনা প্রমানে ফরয সাব্যস্ত হয় যার সত্যতা আল্লাহ পাক উনি জানেন এবং তা মিথ্যা প্রমানের দলিল আমার কাছে নাই। এখন সে যদি মিথ্য বলে তবে সে ক্ষতিগ্রস্ত আর আমি তাজীম করলাম তবে আমার কিছুই হবেনা ।আর তার কথা যদি সত্য হয় আর আমি যদি তাজীম না করি তবে আমি ক্ষতিগ্রস্থ ।
এক কাফির এর মুখে মিরাজ শরীফ উনার কথা শুনে ছিদ্দিকে আকবর আলাইহিস সালাম বিশ্বাস করেছিলেন অর্থাত হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সংশ্লিষ্ট বিষয় বিনা চুচেরায় বিশ্বাষ করা ফরয না করা ঈমান নষ্টের কারন তা যেই বর্ননা করুক বা সনথ না থাক।
তাহলে সনদ বিহিন হাদিস শরীফ যে জাল জঈফ একথা ভিত্তিহীন ।
তাহলে কি যে কেউ যাইচ্ছা তা বলল তাই বিশ্বাষ করব ? এক্ষেত্রে সমাধান কি ?
পরবর্তী কমেন্টে দেখুন ।
valo manus
Porbe ami akhane akto alochona korecilam valo jobab paina & facebook apnader ke chalai onakeo bolecilam tao bole jobab ache kinto deyna,sob ses apni kototoko paren?
Ata nia forfura shorif theke"tahkikul masael"namok boyer 290 pristai alochona korce(forfurar moddhe jeta hoq).
Amar prosno,chonod er karone hadith dara kafer bola jai ba konota dara jaina,konota dolil hoy abar kono ta amol er jonno projojjo,sekhane chonod chara agolo ki korobo?
Apni jodi nirvor joggo proman dite paren taholo ami asa kori onek khedmot korte parbo.akhon porjonto joto alem er kotha bolci kew sotik jobab dite pare na.
দূর্গম গিরি
কিন্তু সনদ বিহিন বা দূর্বল সনদ এর হাদিস শরীফের ফয়সালা কি ?
দুর্বল সনদ ওয়ালা হাদিস শরীফ এর বিষয় এর হুকুম ফরয ওয়াজিব মুস্তাহাব যাই হোক না কেন তা আমলের জন্য গ্রহনযোগ্য ও তা হুকুমের কম বা বেশি করতে পারে না আর্থাত ফরজ ফরজি থাকে ।
সনদ বিহিন হাদিস শরীফ এর ফয়সালা কি ?
কোন হাদিস শরীফ এর সনদ নাথাকলে যে তা জাল বা আমল করা যাবে না এটা শরীয়তের দৃষ্টিতে ঠিক নয় ।
এরকম হাদিস শরীফ গুলো কিছু মানদন্ডের সাপেক্ষ দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়-
১. প্রকৃত হাদিস শরীফ ।
২.হাদিস শরীফ নয় ।
যে গুলো প্রকৃত হাদিস শরীফ তা পালন করা মানা ক্ষেত্র ভেদে ফরয ওয়াজিবও হতে পারে ।
আর যেগুলো হাদিস শরীফ নয় তা পরিতায্য ।
তাহলে কি সেই মানদন্দ যা দ্বাড়া সনদ বিহিন হাদিস শরীফ কে যাচাই করা যায় ?
পরবর্তী কমেন্টে ......
দূর্গম গিরি
১। কুরআন শরীফ ।
২। ছহি হাদীস শরীফ যার সনদ হাসান ।
৩। আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াহ উনার অনুসারী খাইরুর কূরুন ও আইয়ামে মুতাখখেরীন গনের ইজমা ও কিয়াস ।
৪। মুজাদ্দিদ, ছিদ্দিক ও ছলেহীনগের মত উলিল-আমর রহমাতুল্লাহি ওয়া আলাইহিম উনাদের ক্বওল শরীফ ।
ব্যাখ্যাঃ
১। কুরআন শরীফ ।
সনদ ছাড়া হাদিস শরীফ এর মূলকথা বা ভাবার্থ কুরআন শরীফের আয়াতশরীফএর ভাবার্থের সাথে সর্ম্পকের ক্ষেত্রেঃ
ক) স্পষ্ট সমার্থক । দলিলঃএই কিতাবে কোন সন্দেহ নেই যা মুত্তাকিদের জন্য হিদায়েত ।সুরা বাকারা ।
যেমনঃ সূরা ইউনুস এর ৫৮ নং আয়াতে আল্লাহপাক বলেন ,"তোমাদের যে ফ্বযল ও রহমত দেওয়া হয়েছে তার জন্য খুশি প্রকাশ কর এই খুশি প্রকাশ করাটা সমস্তকিছু থেকে উত্তম যা তোমরা দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য সঞ্চয় করে থাক "। এখন ফযল ও রহমত কি ? উল্লেখ্য ফযলও এক প্রকার রহমত।
কুরআন শরীফে আল্লাহ পাক বলেন ," হে আমার হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাহি সাল্লাম আমি আপনাকে প্রেরন করেছি রহমত স্বরূপ"। তাহলে সূরা ইউনূস উনার মধ্যে যে রহম এর কথা বলা হয়েছে তা কি হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনিই না কি অন্য কিছু তার দলিল কি? হ্যাঁ তাই ,কারন কুরআন শরীফে এমন অনেক আয়াত যুগল আছে যার ১ম আয়াতে কারন ও ২য় আয়াতে উদ্দেশ্য বর্ননা করেছেন ।
যেমনঃ এ ছুরা ইউনুস উনার ৫৭ ও ৫৮ নং আয়াত ।৫৭ নং আয়াতে কারন উল্লেখ করে আল্লাহ পাক বলেন, "তোমাদের মধ্যে আল্লাহ পাক উনি উনার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রেরন করেছেন যিনি তোমাদের আয়াত সমুহ তিলায়াত করে শুনাবেন ,হিদায়েত প্রকাশ করাবেন ও তোমাদের তাযকিয়া করবেন" । এবং ৫৮ নং আয়াতে উদ্দেশ্য প্রকাশ করে বলেন এ কারনে খুশি প্রকাশ কর, তাহল উক্ত রহমত উনি কে তা স্পষ্ট ।
অতএব এমন কোন সনদ বিহিন হাদিস শরীফ পাওয়া যায় ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে বর্নিত তবে তা অবশ্যই হাসান, তা জাল জয়িফ হওয়ার প্রশ্নই আসে না । যেমনঃ আন নিয়ামাতুল কুবরা আলাল অনাম এই কিতাবের বর্নিত হাদিস শরীফ গুলো ।
খ) অস্পষ্ট সমর্থক ।"আল্লাহ পাক শুকনা ও ভিজা এমন কিছুই নেই যা কুরআন শরীফে বর্ননা করতে ছেড়েছেন" । অর্থাত এমন কোন বিষয় যা স্পষ্ট আদেশ বা নিষেধ করা হয়নি এরূপ কোন বিষয়ে বর্নিত সনদ বিহিন হাদিস শরীফ গুলো সহী হবে অপর তিনটি মানদন্ডের সঠিক হলে বা সেগুলোতে অস্পস্ট বা স্পষ্ট আদেশ বা নিষেধ করা না হলে ।
চলবে ....
দূর্গম গিরি
যে সমস্ত হাদিস শরীফ সহী ও সনদ হাসান বলে প্রমানিত ঐ সব হাদিস শরীফ এর মূলকথা বা ভাবার্থ সনদ বিহিন হাদিস শরীফ এর মূলকথা বা ভাবার্থের একই বা সমার্থক অর্থ নানা দিক ও বিষয়ের মাধ্যমে প্রকাশ পায় তাও সহী ।
৩। খইরুল কুরুন, আইয়ামে মুতাখখেরিন উনাদের ইজমা ও কিয়াস।
সাহাবায়ে কিরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম গন ও উনাদের পর ষষ্ঠ যামানা পর্যন্ত শরিয়তের ফিকহা শাস্ত্র উনার শাখা প্রশাখা বিসতৃতি ব্যাখ্যা বিশ্লেষন হয়েছে । ইজমা কিয়াসের মাধ্যমে সর্ব দিক থেকে দীনের ব্যপকতা বিসতৃত হয় ও সুসংগঠিত হয় ।যা দীনের অকাট্য দলিল ।
উক্ত ইজমা কিয়াসের ভিত্তিতে সনদ বিহীন হাদীস শরীফ এর কোনটা সহি আর কোনটা হাদিস শরীফ নয় তা নির্ধারন করা যায় ।
৪। মুজাদ্দিদ , ছিদ্দিক ছলেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনাদের ক্বওল শরীফঃ
কুরআন শরীফে আছে আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত ছিদ্দিক ছলেহীন বান্দাগনের নিকট । আর প্রতি হিজরী শতকে একজন করে মুজাদ্দিদ প্রেরনের কথা স্পষ্ট হাদিস শরীফে বর্ননা আছে । উক্ত আউলিয়াগন সিলসিলা গত ভাবে কিছু কিছু বিষয় প্রপ্ত হন ও খইরুল কুরুনের পর ইমাম মুজতাহিদ গন বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পরে এভাবে যামানা থেকে যামানা স্থান থেকে স্থানে বিস্তৃত হওয়ার সময় কোন এক পর্যায়ে ক্রমধারার বিস্তৃতিকারী গনের পরিচয়ের ধারা বিচ্যুত হয় ফলে হাদিস শরীফ এর মুল ঠিক থাকে তবে বর্ননা পরস্পরার থাকে না। তখন উক্ত নিয়ামত প্রপ্ত আউলিয়া কিরাম গনকে অনুসরনীয় ধরা হয় ও উনাদের লিখিত কিতাবের বর্ননা ছহি হিসাবে উক্ত কিতাবের বর্নিত হাদিস শরীফ গুলো সহী ধরা হয় যদিও সনদ না থাকে। এরূপ হাদিস শরীফ এর বৈশিষ্ঠ্য হল তার মূলনীতি বা ভাবার্থ কুরআন শরীফ, সহি হাদিস শরীফ ও ইজমা কিয়াসে স্পষ্ট উল্লেখ না থাকলেও তা নিষেধও করা থাকে না । আউলিয়া কিরাম গনের ওলীত্ব ও খোদায়ী নিয়ামত এখানে হক তালাশী উম্মার সনদের অভাব কে পূর্ন করে । যদিও বাতিল ফিরকার নিকট তা তুচ্ছ কারন তারা ওলী মানে না। তাতে কি হয়েছে তারাতো বড়পীড় সহিব ও খাজা সহিব রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কারামতের মশহুর বর্ননা ওয়ালা কিতাব পরে মন্তব্য করে "গাজাখুরী কথা" (নাউজুবিল্লাহ) । অথচ গুনিয়াতুত ত্বলিবীন ও আনিসূল আরওয়াহ কিতাব গুলোতে বর্নিত হদিস শরীফ গুলো সনদ ছাড়াই কোটি কোটি সুন্নি উম্মাহ নিকট মশহুর ও অনুসরনীয় ।
এছাড়াও একটা মানদন্ড আছে তা হলঃ
তাবত বাতিল ৭২ ফিরকা যেমনঃ জামাতি, তবলীগী, লামযহাবী, সলাফী, আহলে হাদিস, শিয়া, ওহাবী, খারীজি গুলো আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়ার অনুসারী গনের যে সব আকীদা আমল এর বর্নিত হদিস শরীফ গুলো নিয়ে চুচেরা করে সেই সব হাদিস শরীফ বিনা সনদে বিনা দলিলে সহি হাদিস শরীফ ।কারনা তার হকের বিরোধিতা করার ফলেই বাতিল ।তাদের কারনে বাতিল আমাদের কাছে স্পষ্ট ।আঁধার না থাকলে আলোর মহত্ব প্রকাশ পেত কি। তবে ব্যতিক্রম ও আছে যেমনঃ শিয়ারা কারামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহি ওয়া সাল্লম উনার ব্যাপারে ও খারেজীরা নুরেমুজাছেম এর ব্যপারে সামান্য কিছু সহী হদিস শরীফ বর্ননা করেছে বা মেনে নিয়েছে তবে নগন্য ধর্ত্যব্য নয় কারন তাদের মূলে গলদ।
ধন্যবাদ ।
valo manus
Aj ke onek kichu siklam.
Apnar kotha golo kiser vittite tarmane osole hadith naki fikah,kono kitab er kotha bolle valo hoto jate amio porte partam.
Akjon alem jini ahle hadith er biroddhe onek valo boktobbo dey tini bolcen,emam gajjali rahmatullah alai er kitabe 300 hadith jal ache.
Bukhari shorif er akta gotona bollen,"oporicito poros mohila ak gavir dod pan korce ate bibah boido na" amon hadith ki amra manbo?chonod sohi.setato amra manina.
R ami je boitar nam porbe ta darunnajat madrasha libery te paben seta dekben plz & tar opor akta bistarito likhben.
দূর্গম গিরি
বাইরের কিতাব কি আছে তা আমার জানার দরকার নাই আমাদের পএ পত্রিকা পড়েন নিজেই সব বুঝতে পারবেন ।
যে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা অত্যন্ত স্পর্শকাতর । ব্লগে সংক্ষেপে বা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে বুঝানো কঠিন । যা বুঝাতে চাই তা সেভাবে প্রকাশ নাও হতে পরে আর আপনি ভালভাবে না বুঝলে সব কষ্ট বৃথা । তাই আমাদের কিতাব গুলো পড়ার পরামর্শ দিলাম ।
valo manus
dr.mubashshir12
দুর্গমগিরি ভাই এত সুন্দর জবাব দিয়েছেন । এখন আপনি বলছেন কোন কিতাব থেকে বলেছেন তা উল্লেখ করেন।দুর্গমগিরি ভাই যখন বললেন নিয়য়মিত আলবাইয়্যিনাত ওদৈনিক আল ইহসান শরিফ পড়লে এ বিষয়গুলো সহ আপনার সকল জিগ্গাসার জবাব পাবেন।আপনি বললেন এখানে উল্লেখ করতে।আপনি জাহিল মাওলানাদের কিতাব পড়বেন কিন্তু জামানার তাজদীদী মুখপত্রমাসিক আলবাইয়্যিনাত ও দৈনিক আল ইহসান শরিফ পড়বেন না।আপনাকে আমি আগেই বলেছিলাম ইলম কার কাছ থেকে নিচ্ছেনআগে সেটা দেখেন।
আপনার এই জাহিল মাওলানা যে হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার কিতাবে ৩০০ জাল হাদিস আছে বলে উল্লেখ করেছেন।
আচ্ছা পেঁচাল মানুষ সাহেব আপনার কি মনে হয় যে, আপনার এই কথিত মাওলানা সাহেব তিনি কি ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার চেয়েও বেশি ইলমের অধিকারী?তা না হলে তিনি তো ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার ভুল ধরতে পারার কথা নয়। এর জবাব আপনার কাছে চাই।
দ্বিতীয়ত, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি তো বলেছন, যে আমার নামে মিথ্যা কথা বলে সে যেন দুনিয়ায় থাকতেই তার স্থান জাহান্নামে নির্ধারণ করে নেয়। আপনার কি মনেহয় ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ তিনি জাহান্নামি(নাউযুবিল্লাহ)? জবাব দিবেন
হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার ইহয়াউলুমুদ্দিন কিতবের সূচনাতেই উল্লেখ করা হয়েছে এক ব্যক্তি পবিত্র ইহয়াউলুমুদ্দিন শরিফ উনার ব্যাপারে সন্দেহ পোষন করত সেই ব্যক্তি একদিন স্বপ্নে দেখল ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ তাকে আল্লাহ পাকের হাবিব হুজুরপাক ছল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লাম উনার কাছে ধরে নিয়ে গেলেন এবং বললেন ইয়া রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লাম এই ব্যক্তি আমার ইহয়াউলুমুদ্দিন সম্পর্কে সন্দেহ পোষন করে তখন হুজুরপাক ছল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লাম ঐ ব্যক্তিকে বেত্রাঘাত করছিলেন।ঐ ব্যক্তি ঘুম থেকে জেগে দেখলেন বেত্রাঘাতের দাগ তখনো রয়েছে তখন সেই ব্যক্তি খালেছ তওবা করলেন এবং অন্যদেরকে সে দাগ দেখিয়ে ইহয়াউলুমুদ্দিন সম্পর্কে সন্দেহ পোষন করতে নিষেধ করলেন।
উল্লেখ্য ঐ ব্যক্তি তো তওবা করে হেদায়েত হয়ে গেলেন।
আপনার কথিত মাওলানা সাহেবের কি হবে?জবাব দিবেন।
হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ তিনি বলেছেন, আমি যখন ইহয়াউলুমুদ্দিন শরিফ লিপিবদ্ধ করি তখন আমি কাশফের মাধ্যমে দেখতে পেয়েছিলাম আমার ঘরের চারদিকে ফেরেস্তারা ব্যারিকেড সৃষ্টি করে রেখেছে-তখন আমি জানতে চাইলাম কেন এরূপ করা হচ্ছে, আমাকে জানানো হলো যে ইবলিস যেন কলমের মধ্যে কোন ওয়াসওয়াসা দিতে না পারে এবং ইবলিস যেন এখানে না আসতে পারে সেজন্য এই ব্যারিকেড।
এখন প্রশ্ন হলো আপনার কথিত এই মাওলানা সােহব তার লেখাগুলো ইবলিসি ওয়াসওয়াসা মুক্ত? না কি ইবলিসি রসে টইটম্বুর তার কলম?জবাব দিবেন।
ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ তিনি বলেছেন তিনি উনার মিনহাজুল আবেদিন কিতাব খানা সম্পূর্নভাবে আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে ইলহাম প্রাপ্ত হয়ে লিখেছিলেন।এতে বিন্দুমাত্রও ভুলের অবকাশ নেই।
এখন প্রশ্ন হলো আপনার এই কথিত আলেম সাহেব তিনি কি ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার চেয়েও বেশি ইলহাম-ইলকার অধিকারী? জবাব দিবেন।
আমি অতি সংক্ষেপে ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার বিষয়টি উল্লেখ করলাম।
আপনি আগে এগুলোর জবাব দিন।তারপর আপনার পেঁচাপেঁচির জবাব দিব ইনশাআল্লাহ।
(আপনাকে আমি কিছুটা সমঝদার ভেবেছিলাম কিন্তু এখন দেখছি আপনি আলেম কাকে বলে সেটাই জানেন না। জাহিল মাওলানাদের পিছনে ঘুরতে ঘুরতে আপনার স্বাভাবিক আকলও লোপ পেয়েছে। আপনি পানির সামান্য নালাকে মহাসাগরের সাথে তুলনা করার মত আহম্মকি প্রকাশ করছেন।অবশ্য আপনারা তো সারাজীবন এই নালা-ই দেখেছন,দেখেননি খাল, নদী,,সাগর,মহাসাগর। আপনারা এই নালাকেই মহাসাগর মনে করেন।
অবশ্য আমি জামানার ইমাম রাজারবাগ শরিফ উনার সম্মানিত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিসসালাম ও হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনাদের মহাসমুদ্র পরিমান ইলমের তুলনায় আপনার কথিত আলেমদের ইলমকে নালার সমতুল্যও মনে করিনা।)
valo manus
Hadith sotto mittha hobe osole hadith dia,jiggas korlam emam gajgali rahmatullah alai ki jal hadith anecen?bollen,ta ami janina,hote pare onno kew probes koriece ba osol er mafkatite porena bidai mante parina.
Ami jevabe tader ta pori apnader ta o pori,sob golo somonny kore sotikta mante chy,apnader jevabe jiggasa kori tader o kori,
R dorgon onar birodita korina boron sokria adai kori kinto je kawke bolle dolil chabe agolor a jonno dolil ceyece.
dr.mubashshir12
আমার প্রশ্নগুলোর জবাব দেন প্লিজ।
valo manus
dr.mubashshir12
যিনি স্বয়ং আল্লাহ পাক রব্বুল আলামিন উনার পক্ষ থেকে ইলহাম প্রাপ্ত হয়ে লিখেন, যার লেখা যেন ইবলিসের ওয়াসওয়াসা মুক্ত থাকে সেজন্য সম্মানিত ফেরেস্তা আলাইহিমুসসালাম উনারা পাহারা দেন,যার লেখার বিশুদধতার সত্যায়ন করেন নূরেমুজাস্সাম হুজুর পাক ছল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লাম,- তিনি যদি বিশুদ্ধ না হন তাহলে আর কে বিশুদ্ধ হবেন?
ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ জাল হাদিস এনেছেন কিনা এই প্রশ্নের জবাবে জাহিল মাওলানা সােহব বলছেন তিনি তা জানেন না, আবার বলছেন ৩০০ জাল হাদিস।মিথ্যাবাদী এসব জাহিল মাওলানার দল এভাবেই কথা বলে।এই মুনাফিকগুলো এদের জালে এরা নিজেরাই আটকা পড়ে।
তিনি বলেছেন-"হতে পারে অন্য কেউ প্রবেশ করিয়েছে" এসব ভিত্তিহীন কথা বলে পার পাওয়ার কোন উপায় আছে?তার যদি ইলমের এত জোর থাকে তাহলে প্রমান দিক কে কখন কিভাবে ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার কোন কিতাবে কোন্ জাল হাদিস শরিফ প্রবেশ করিয়েছে?এই মাওলানাটা যে তা পারবেনা সেটা তার কথাতেই প্রকাশ পেয়েছে।
এইজন্যই সে উসুলের প্রসংগ টেনেছে।তার কথা থেকে মনে হয় উসূলের বিষয়টা ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ তিনি জানতেন না। এই জাহিল মাওলানার কাছ থেকে ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনাকে উসূল শিখতে হবে?
এই মুনাফিক মাওলানা এবং তার সমগোত্রীয়রা সব সময় এটাই চায় যে মানুষ যেন ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার মত মহান ইমাম গণের কিতাব গুলো না পড়ে তাহলে যে ইহাদের মুনাফিকিটা মানুষের নিকট ধরা পড়ে যাবে।
মূলত যেই মোবারক হাদিসশরিফ গুলো পড়ে মানুষ এই মুনাফিকগুলোকে চিনতে পারবে সেই মোবারক হাদিসশরিফ গুলোকেই ইহারা জাল বলে থাকে।
এই জাহিল মাওলানার প্রতি আমি ডাঃমুবাশ্বির এক লক্ষ টাকা চ্যালেন্জ ঘোষণা করলাম এই মাওলানা সাহেবের যদি হিম্মত থাকে তাহলে প্রমাণ দিক ইমাম গাজ্জালি রহমতুল্লাহ উনার কিতাবে কোন ৩০০ হাদিস শরিফ জাল এবং তা কিভাবে জাল হয়েছে?
valo manus
Kokhon apnara dorbare thaken?
dr.mubashshir12
আপনি কবে আসবেন জানালে আমি থাকার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
আর দরবার শরিফে আসলে আপনার যত প্রশ্ন আছে আপনি সব প্রশ্ন আমাদের যিনি মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিমুসসালাম আছেন উনাকে করবেন উনি আপনার সব প্রশ্নের জবাব দিবেন। উনি সবার সব প্রশ্নের জবাব দিয়ে থাকেন।
আমাদের যার যা কিছু জানার থাকে আমরা উনাকে জিগ্গেস করেই জেনে নিই।
আমরা সবাই মূর্খ, আমাদের কোন ইলম-কালাম নেই, আপনার যা জানার আপনি মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিসসালাম উনার কাছ থেকে জানবেন।