সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

ইসলাম বিদ্বেষ

Present Education Policy in Bangladesh

পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষানীতির নামে বাংলাদেশের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ইসলাম বিরোধী শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে অনেক দিন থেকে। বলা হচ্ছে শিক্ষানীতি হবে ধর্মনিরপেক্ষ, অথচ পুরোটা শিক্ষানীতি হচ্ছে হিন্দুয়ানী। দেখা যাচ্ছে সেক্যুালারিজমের নামে মুসলিম মনীষিদের জীবনী বাদ দেওয়া হয়েছে, তার বদলে প্রবেশ করেছে রাধাকৃষ্ণের লীলাকীর্তন, দেবী অন্নপূর্ন্নার কাছে প্রার্থনা, দেবী দূর্গার প্রশংসা এবং গোমাতাবাদ।আমরা দেখেছি, গত ০১-০১-২০১৬ইং তারিখের ঢাকায় এইচএসসি পরীক্ষায় বাংলা প্রশ্নে ইসলামকে হেয় করা হয়েছে। কারণ বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষাবোর্ড, পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বোর্ড, কারীগরি বোর্ড এবং সৃজনশীল প্রশ্নপ্রণয়নকারীদের মধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিকাংশ কর্মকর্তাই হিন্দু। অথচ মহান আল্লাহ পাক কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে এরশাদ মুবারক করেন,(১) নিশ্চয়ই মুশরিকরা (হিন্দুরা) নাপাক বা অপবিত্র। (পবিত্র সূরা তাওবাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮), (২) “তোমরা (মুসলমানরা) তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে প্রথমতঃ ইহুদীদেরকে অতঃপর মুশরিকদেরকে (হিন্দুদেরকে)।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২), এদের নাম নিম্মে প্রদান করা হল:- ১)পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সচিব হলো বজ্র গোপাল ভৌমিক, ২) বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়্যারম্যান নারায়ন চন্দ্র পাল, ৩)ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হল শ্রীকান্ত কুমার চন্দ, ৪) ঢাকা বোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক অদ্বৈত কুমার রায়, ৫) সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) যুগ্ম পরিচালক রতন কুমার রায়, ৬) সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) বিশেষজ্ঞ ড. উত্তম কুমার দাশ, ৭) কারিগরি শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব অশোক কুমার বিশ্বাস, ৮) প্রাথমিক শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) শ্যামল কান্তি ঘোষ, ৯) চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব ড. পীযুষ কান্তি দন্ত, ১০) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র ঢালী, ১১) ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শ্রীকান্ত কুমার চন্দ, ১২) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব অজিত কুমার ঘোষ, ১৩) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব পতিত পাবন দেবনাথ, ১৪) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব অসীম কুমার কর্মকার, ১৫) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-প্রধান স্বপন কুমার ঘোষ, ১৬) শিক্ষামন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্রী বনমালী ভৌমিক, ১৭) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. অরুণা বিশ্বাস ১৮) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব স্বপন কুমার সরকার মজার ব্যাপার হচ্ছে, মনে হচ্ছে, মুসলমানরা সব মারা গেছে, অথবা অযোগ্য হয়ে গেছে। আর সেই হিন্দু প্রসূত শিক্ষানীতি যে রাধাকৃষ্ণের অবৈধ লীলাকীর্তন শিখাবে আর মুসলমানদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে হিন্দু বানাবে তাতে কোন সন্দেহ নাই।

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।