| পবিত্র দ্বীন ইসলাম মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান; যা মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উসীলায় আমাদেরকে ইহসান করেছেন। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে নিয়ে যারা ব্যবসা করে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দোহাই দিয়ে গণতন্ত্র করে রাজনীতি করে তারা সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব। আখিরী যমানার এসব ধর্মব্যবসায়ী বা উলামায়ে ‘সূ’দের কাছ থেকে দূরে থাকতে পবিত্র হাদীছ শরীফ মুবারক উনার মধ্যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধে এই উলামায়ে ‘সূ’রাই নিজ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করে দেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। এ দেশকে পাকিস্তানের একটি তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে পাকিস্তানের পক্ষে থেকে এ দেশের লক্ষ লক্ষ ভাইকে শহীদ করেছিল। এমনকি মা-বোনদের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলতেও তাদের বিবেকে বাধেনি। তাই আজ ৪২ বছর পরও ওই রাজাকার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমরা সবাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলনকে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন জানাই। শাহবাগের এ আন্দোলনে জড়িত দাবিদার একটা অংশ আছে যারা মুসলমান নামধারী হলেও মূলত তারা কাট্টা নাস্তিক বা মুরতাদ। তার প্রমাণ মেলে তাদের ফেসবুক ও বিভিন্ন ব্লগে তাদের ইসলামবিরোধী লিখার মাধ্যমে। তারা বিভিন্ন সময়ে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে হেয় করার চেষ্টা করেছে। যদিও এ সত্যটুকু সরকার দেখেও না দেখার ভান করে এড়িয়ে যাচ্ছে। উল্টো ইসলাম সম্পর্কে কটূক্তিকারী এসব ব্লগারদের বিরুদ্ধে যারা কথা বলবে তাদের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপও নিচ্ছে। সরকার তরুণদের সেন্টিমেন্টকে কাজে লাগিয়ে এ আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আর তা করছে তাদের দুর্নীতিকে জনতার কাছে চাপা দেয়ার জন্য। আমি এ সকল দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক দল, যুদ্ধাপরাধী-রাজাকার ও শাহবাগ আন্দোলনের ধর্মদ্রোহী নেতাদের বিরুদ্ধে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি। আপনারাও এদের সকলের বিচারের দাবিতে আওয়াজ তুলুন। একখানা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার কথা বলতেই হয়- মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “যখন কোথাও অন্যায় হতে দেখবে তখন হাত দ্বারা বাধা দাও, সম্ভব না হলে মুখ দ্বারা বাধা দাও আর তাও যদি সম্ভব না হয়, তাহলে মনে মনে ওই অন্যায় কাজকে ঘৃণা কর।” তারপর তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “এর পর ঈমানের আর অবশিষ্ট স্তর নেই।” তাই হে মানুষরা! আসুন, আমরা নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করি যে, আমরা পবিত্র ঈমানের কোনো স্তরে অবস্থান করছি আর কোনো স্তরেই বা অবস্থান করতে চাই। মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা আমাদেরকে সহীহ সমঝ দান করুন। (আমীন) |
রাজাকারদের সাথে সাথে ধর্মদ্রোহীদেরও বিচার করা প্রয়োজন

3 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
ঈমান দীপ্ত দাস্তান
শাহীন মুহম্মদ আব্দুল্লাহ
বলিনি আমি একবার
তওবা কর বারবার
যদি বাঁচতে চাও আরেকবার
মিলাদ পর দিনে রাতে
দোয়া কর অবিরত
ক্ষমা চাও বারবার।
চলে আস রাজারবাগ
কদমেতে লুটিয়ে পড়
চোখের পানিতে পূর্ণ কর
পাপিষ্ট হৃদয় চূর্ণ কর
ক্ষমা চাও বারবার
কদমেতে মোর আঁকার।
যদি হয় কোন ভুল
কোনরকম ব্যাত্যায়
মনেরেখ বারবার
বাঁচবেনা তুমি আর!!!
দুনিয়ার লাঞ্ছনা
অপমান গঞ্জনা
পাবে তুমি আখিরাতে
মনে রেখ বারবার।
Saiyeed Apurbo