Posts Tagged ‘ইলমে তাছাউফ’

ইলমে তাছাউফ অর্জন ব্যতীত কস্মিনকালেও ঈমানদার হওয়া সম্ভব নয়


আমরা জানি, ইলিম দুই প্রকার। ইলমে যাহির ও ইলমে বাতিন অর্থাৎ ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাওউফ। এ দু’প্রকার ইলিম অর্জন করা সকলের জন্য ফরযে আইন। এ প্রসঙ্গে হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- যে ব্যক্তি ইলমে ফিক্বাহ শিক্ষা করলো অথচ

ওহী ব্যতীত


কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ হয়েছে, وما ينطق عن الهوى ان هو الاوحى يوحى. অর্থঃ- “তিনি (হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওহী ব্যতীত নিজের থেকে মনগড়া কোন কথা বলেন না।” (সুরা নজম/৩,৪)

ইলমে তাছাওউফ অর্জন ব্যতীত কস্মিনকালেও ঈমানদার হওয়া সম্ভব নয়


আমরা জানি, ইলিম দুই প্রকার। ইলমে যাহির ও ইলমে বাতিন অর্থাৎ ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাওউফ। এ দু’প্রকার ইলিম অর্জন করা সকলের জন্য ফরযে আইন। এ প্রসঙ্গে হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- যে ব্যক্তি ইলমে ফিক্বাহ শিক্ষা করলো অথচ

দ্বীনী শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, কুশিক্ষা নয়!


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ইলম দুই প্রকার। এক প্রকার ইলম হচ্ছে- যবানী ইলম, যা বান্দার জন্য দলীলস্বরূপ এবং দ্বিতীয় প্রকার ইলম হলো- ইলমুল ক্বলব, যা উপকারী ইলম।” হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি ইলমে

তাবত মানুষের মধ্যে অশান্তি কেন?


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র সূরা সূরাতুল আ’রাফ শরীফ উনার ৮৬ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত যারা মুহসিন অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনাদের নিকটে।”