Posts Tagged ‘ঈদে মীলাদুন্নবী’

হযরত ঈসা রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন


যখন ঈসা আলাইহিস সালাম বনী ইসরাইলকে বললেন, আমি আল্লাহ এর রাসূল হিসেবে তোমাদের কাছে প্রেরিত হয়েছি। তার সঙ্গে আমার সাথে যে তাওরাত এসেছে তার প্রতি আমার সমর্থন রয়েছে এবং আমার পর যে রাসূল আসবেন তার নাম হবে আহমদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

কুল-কায়িনাতের নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার মহিমান্বিত দিনটিই সর্বশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে মহান, সবচেয়ে বড় ঈদের দিন। এ প্রসঙ্গে নকলী দলীল (২)


  মহান আল্লাহ পাক উনার নবী ও রসূল হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “উনার প্রতি সালাম (শান্তি বা অভিবাদন) যেদিন তিনি বিলাদত শরীফ লাভ করেন এবং যেদিন তিনি বিছালী শান মুবারক প্রকাশ

পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী!

পবিত্র কুরআন শরীফ থেকে পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার প্রমাণ


পবিত্র কুরআন শরীফে মহান মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, قل بفضل الله وبرحمته فبذالك فليفرحوا هو خير مما يجمعون অর্থ: “হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন যে, তারা যে মহান

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মানিত দুরূদ শরীফ পাঠ করা ব্যতীত নামায কবূল হবে না


এই সম্পর্কে সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ مَسْعُوْدٍ الْأَنْصَارِىِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ صَلَّى صَلَاةً لَـمْ يُصَلِّ فِيْهَا عَلَىَّ وَلَا عَلـٰى اَهْلِ بَيْتِـىْ لَـمْ تُقْبَلْ مِنْهُ.

কুল-কায়িনাতের নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার মহিমান্বিত দিনটিই সর্বশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে মহান, সবচেয়ে বড় ঈদের দিন। এ প্রসঙ্গে নকলী দলীল (১)


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ছহীহ ও প্রসিদ্ধ কিতাব- মুয়াত্তা মালিক, ইবনে মাজাহ, মিশকাত শরীফ ইত্যাদি কিতাব মুবারক উনাদের মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার প্রথম নবী ও রসূল আবুল বাশার হযরত আদম ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সৃষ্টি, উনার যমীনে আগমন

পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লাম উদযাপন ও পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ সম্পর্কে- প্রখ্যাত ওলীআল্লাহ ও আলিমে দ্বীন সুলতানুল আরিফীন মুজাদ্দিদে যামান রঈসুল মুফাসসিরীন ওয়াল মুহাদ্দিছীন ওয়াল ফুক্বাহা, আশিকু রসূলিল্লাহ ইমাম আবুল ফদ্বল আব্দুর রহমান জালালুদ্দীন আস সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার গুরুত্বপূর্ণ ফতওয়া। (পর্ব-১)


পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন ও পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ সম্পর্কে আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার গুরুত্বপূর্ণ ফতওয়া আলোচনা করার পূর্বে উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী বা জীবনী মুবারক সংক্ষিপ্তভাবে হলেও আলোচনা করা জরুরী। এতে উনার ফতওয়ার

কথিত ক্রিসমাস থেকে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ নয়, বরং পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ থেকেই খ্রিস্টানরা কথিত ক্রিসমাস থিউরী গ্রহণ করেছে


কিছু মূর্খ দাবি করে থাকে, খ্রিস্টানদের ক্রিসমাস থেকে মুসলমানরা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতে শিখেছে। নাউযুবিল্লাহ! মূলত এ শ্রেণীর লোকগুলি গ-মূর্খ কাফিরদের কাজের দ্বারা হীনম্মন্য হয়ে পড়েছে। ইতিহাসই বলে দেয়, সেই শুরু থেকেই মুসলমানগণ উনাদের মধ্যে পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ কি?


’সাইয়্যিদ’ অর্থ শ্রেষ্ঠ এবং ’আ’ইয়াদ’ হচ্ছে ঈদ বা খুশির বহুবচন। সুতরাং সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থ ’সকল ঈদের সাইয়্যিদ’ বা সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ অর্থাৎ দুনিয়াতে আগমন দিবস

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অস্বীকার করার অর্থই হলো পবিত্র কুরআন শরীফ উনাকে অস্বীকার করা


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مِّمَّا يَجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি যে ফযল-করম, রহমত

একটা ফাসিক-ফুজ্জার মৃত্যুবরণ করার পর তার সম্মানার্থে যদি দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়, তাহলে যিনি সৃষ্টির মূল উনার সম্মানার্থে পবিত্র মীলাদ শরীফে কেন ক্বিয়াম করা বা দাঁড়ানো যাবে না?


কিছুদিন পূর্বে একজন রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মৃত্যুবরণ করে। মৃত্যুর পর তাকে স্মরণ করে বড় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে তার সম্মানার্থে সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে। অথচ সে কিন্তু তখন তাদের সামনে ছিলো না। আর সারাটা জীবন

অন্তর ইছলাহ ব্যতীত হাক্বীক্বী সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন সম্ভব নয়


গাইরুল্লাহ, নফছানিয়ত নেক কাজ থেকে ফিরিয়ে রাখে। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে অন্তর ইছলাহ করে, তাযকিয়ায়ে নফছ ক্বলব হাছিল করা। অন্তরের ইছলাহ ব্যতীত হাক্বীক্বী রেযামন্দি, সন্তুষ্টি পাওয়া সম্ভব নয়। যা কিছু করবে রসম-রেওয়াজ হবে। বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে,