Posts Tagged ‘ঈদে মীলাদুন্নবী’

যদি কেউ ‘পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ’ উনাকে বিদয়াত বলে, তাহলে তাকে নিম্নের বিদয়াত কাজ অবশ্যই বাদ দিতে হবে


কিছু কিছু গন্ডমূর্খ, জাহেল খাইরুল কুরুনের পর আবিষ্কৃত প্রত্যেক নতুন জিনিস বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ বলে থাকে। অথচ ইহা মোটেও শুদ্ধ নয়। কেননা যদি তাই হতো, তবে আমাদের সামাজে প্রচলিত এমন অনেক নতুন বিষয় রয়েছে, যা অবশ্যই পরিত্যাগ করা জরুরী হয়ে পড়তো। যেমন-

সুমহান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ সম্পর্কে জাতীয় পতাকা বিধিমালা- ১৯৭২ কি বলে?


জাতীয় পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২-এর একটি অংশে বর্ণিত, নিম্নলিখিত দিবস এবং উপলক্ষসমূহে বাংলাদেশের সমস্ত সরকারি, বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনসমূহের প্রাঙ্গণে এবং কনস্যুলার কেন্দ্রসমূহে নিম্নবর্ণিতভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করতে হবে: ক) মহানবীর বিলাদত শরীফ দিবস (ঈদ-ই-মীলাদে হাবীবী) খ) ২৬

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মুবারক হো! পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার তরতীব


সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম ওয়া ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার তরতীব সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন- “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে মানুষ ভুলে গেলো কী করে?


আমরা ছোটবেলায় দেখেছি অনেক উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে মুসলমানগণ উনাদের শ্রেষ্ঠ ঈদ, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালিত হতো। স্কুল, কলেজে পবিত্র মীলাদ মাহফিলের জন্য বার্ষিক হাদিয়া নেয়া হতো এবং অনেক উৎসবমুখর পরিবেশে দিনটি পালন

পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: সবচাইতে মহান, বড় ও সম্মানিত এই দিনের জন্য আপনি কি প্রস্তুত?


সেই ছোটবেলা থেকেই একটি বাক্য প্রায়ই পড়তে হতো- ‘সময় এবং স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না।’ তাইতো বিশ্বের সকল মানুষের মতো আমি, আপনি আমরা সকলেই অনেক ব্যস্ত। আমাদের নিজেদের জীবনকে শাইন করার জন্য, নিজের পরিবারের জন্য, সন্তানের জন্যই মূলত আমাদের এত

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন না করলে জবাবদিহি করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ ও যথাসাধ্য খিদমত করার মাধ্যমেই নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে হবে। আর যদি কেউ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীব ছল্লাল্লাহু

সাংবিধানিকভাবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনে সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব কার?


সংবিধানই প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। এর পরিপন্থী যেকোনো বিধানের অধীন। তাহলে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ সরকার একটি সাংবিধানিক সরকার। তাই তার সংবিধান মেনে চলা দরকার। এর অন্যথা কোনোভাবেই সরকার করতে পারে না। আর এই সংবিধানের ২(ক) ধারায় বর্ণিত আছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্র দ্বীন

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত (৬)


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী!

“সর্বোচ্চ নেক আমল হচ্ছেন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা”


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই যাঁরা ঈমান এনেছেন এবং আমলে ছলেহ অর্থাৎ নেক আমল করেছেন উনাদের জন্য সম্মানিত জান্নাতুল ফিরদাউস উনার মধ্যে মেহমানদারীর ব্যবস্থা রয়েছে।” (পবিত্র সূরা কাহফ শরীফ :

দুই শত বছর সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার নাফরমানী করার পরেও তার জিন্দেগীর সমস্ত গুনাহখতাগুলো ক্ষমা হয়ে যায়,তার উপর জাহান্নাম হারাম হয়ে জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায় কারণ???


বণী ইসরাঈলের এক ব্যক্তি যদি দুই শত বছর সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার নাফরমানী করার পরেও একবার মাত্র নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নাম মুবারক-এ বুছা দেয়ার কারণে তার জিন্দেগীর সমস্ত গুনাহখতাগুলো ক্ষমা হয়ে যায়,

কেউ যদি ইছলাহ অর্জন করতে চায় তাহলে অবশ্যই তাকে মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আপনি (স্বীয় উম্মতদেরকে) বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় ফযল, করম ও রহমত অর্থাৎ উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠিয়েছেন,

প্রখ্যাত ইমাম-মুজতাহিদ উনাদের দৃষ্টিতে পবিত্র হারামাইন শরীফে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের ইতিহাস।


বাতিল ফিরক্বার লোকেরা বলে থাকে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ নাকি এই সেদিন থেকে প্রচলিত হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! হারামাইন শরীফে এ দিবস পালন হতো না! নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস সাক্ষী- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার শুরু থেকেই হারামাইন শরীফে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন হতো।