Posts Tagged ‘কাফির’

শিয়া সম্প্রদায় ও তাদের কুফরি আকিদা


শিয়াদের পরিচিতি:  শিয়া একটি বাতিল বা ভ্রান্ত ফিরকা। যারা হযরত আলী আলাইহিস সালাম উনাকে অনুসরনের দোহাই দিয়ে সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের চরম বিরোধীতা করে তাদের শিয়া বলে। এদেরকে রাফেযী ও বলা হয়ে থাকে। ইসলামের বিরুদ্ধে ইহুদীদের এক সুদূরপ্রসারী চক্রান্তের ফসল

কে সন্ত্রাসী? মুসলমান নাকি কাফিররা??


আজকাল নাস্তিকরা খুব ভাব ধরে, দাবি করে- তারা খুব নিরীহ, কখনোই কারো কোনো ক্ষতি করেনি। মুসলমানরা নাকি খারাপ, মুসলমানরা নাকি সন্ত্রাসী। নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস কিন্তু বলে ভিন্ন কথা। ইতিহাস বলে, নাস্তিকরা যখনই কোনো দেশের ক্ষমতায় গেছে, কিংবা আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে, তারা

সম্মানিত শরীয় উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী


পাপিষ্ঠ ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ পবিত্র বংশের অবমাননা করেছে। উনাদের নির্দয়ভাবে উৎপীড়ন করেছে। উনাদেরকে শহীদ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! এর চেয়ে বড় কুফরী আর কি হতে পারে?

ইয়াযীদ সম্পর্কে শরয়ী ফায়সালা


কোনো কোনো উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মতে, ইয়াযীদ চরম ফাসিক। তবে খাছ ফতওয়া মতে, ইয়াযীদ কাট্টা কাফির। কারণ তার নির্দেশেই সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত আহলে বাইত শরীফগণ উনাদেরকে শহীদ করা

সম্মানিত মুসলমান উনাদের জীবন বিধানে কাফির-মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্বের কোনোই সুযোগ নেই


অনেক মুসলমান আজকাল কথায় কথায় বলে থাকে- ‘আরে বিধর্মীদের সাথে আত্মিক বন্ধুত্ব করলে ক্ষতি কি? কোনো দোষ তো দেখি না। তারা তো আমাদের কোনো ক্ষতি করে না।’ নাউযুবিল্লাহ! এমন কথা যেসব মুসলমান বলে থাকে, দেখা যায়- তারা কেউ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম

অমুসলিমদের প্রতি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার কঠোর অথচ সহানুভূতিশীল পদক্ষেপ, যা থেকে বর্তমান মুসলিম দেশগুলোর বিধর্মীপ্রীতিতে মত্ত শাসকগোষ্ঠীর শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত


বর্তমান বিশ্বে মুসলমানরা এক চরম দুরবস্থায় দিনাতিপাত করছে। কাফির-মুশরিকরা তো রয়েছেই, সাথে সাথে কাফির-মুশরিকদের সন্তুষ্টি অর্জনে মুসলিম দেশগুলোর শাসকরাও নিজ দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর অত্যাচারের স্টীমরোলার চালাচ্ছে। কথিত ‘অসাম্প্রদায়িক’ সাজার জন্য মুসলিম জনগোষ্ঠীর অধিকার খর্ব করে, হিন্দু-উপজাতিদের প্রাধান্য বিস্তারে যাবতীয় সহায়তা

মুসলমানগণ কখনো এক ভুল বারবার করে না


পবিত্র বদরের জিহাদে আব্দুল উজ্জা নামক এক মুনাফিক ধরা পড়লো। এ মুনাফিকের কাজ ছিলো সারা দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শান উনার মানহানী করে কুৎসা রটনা করা এবং সেগুলো দিয়ে গান-বাজনা বানিয়ে প্রচার করা।

ইতিহাস সাক্ষী মুসলমান নয়, কাফিরেরাই সন্ত্রাসী


কাফির নিয়ন্ত্রিত কুচক্রী মিডিয়া অপপ্রচার করে থাকে- মুসলমান সন্ত্রাসী। অথচ ইতিহাস তার বিপরীত। ইতিহাস বলে কাফিরেরাই যুগে যুগে সন্ত্রাসীপনা করে কোটি কোটি নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করেছিল। যেমন কাফিরেরাই- (১). প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ১৭ মিলিয়ন; (২). দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ৫০-৫৫ মিলিয়ন; (৩). জাপানের নাগাসিকাতে

মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জিন-ইনসান সকলের জন্যই কাফির-মুশরিক, বিধর্মী-বিজাতীয়দের প্রবর্তিত ও পালিত দিবসসমূহ পালন করা হরাম। যে পালন করবে, সে মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে কাট্টা কাফিরে পরিণত হবে। নাউযুবিল্লাহ!


সম্মানিত মুসলমান উনাদেরকে যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি “আইয়্যামুল্লাহ” অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত দিবসসমূহ পালন করার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন। বিপরতী পক্ষে মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বিজাতীয়দের প্রবর্তিত ও পালিত দিবসসমূহ পালন করতে নিষেধ

বিধর্মীরা মুসলমানদের খাদিম…


বিধর্মীদের আবিষ্কৃত তৈরিকৃত যন্ত্রপাতি, আসবাব ইত্যাদি ব্যবহার নিয়ে অনেকেই মুসলমানদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে থাকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যেহেতু মুসলমানদের জন্য কাফির-মুশরিক তথা তাবৎ বিধর্মী অমুসলিমদের সাথে কোনো প্রকার মিল-মুহব্বত

এখনও সংবিধানে রাষ্টধর্ম ইসলাম রয়েছে তাই এই অবস্থা আর যদি সংবিধান থেকে রাষ্টধর্ম ইসলাম তুলে দেয় তখন কি হবে ?


কাফের-মুশরিকরা অজান্তেই সুক্ষ্মভাবে মুসলমানদের ঈমানটা নষ্ট করে দিচ্ছে। মুসলমানরা সেটা ফিকির করে না।  মহান আল্লাহ পাক তিনি  পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন- لتجدن اشد الناس عداوة للذين امنوا اليهود والذين اشركوا মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, হে আমার

মুসলমানদের এক মহান নিয়ামত হাছিলের সম্পর্কে জানুন এবং কাফির মুশরিকদের অহেতুক দিনসমূহ বর্জন করুন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وذكرهم بايام الله ان فى ذلك لايات لكل صبار شكور অর্থ: (হে হাবীব ছল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি আপনার উম্মতদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিনসমূহের কথা স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল