Posts Tagged ‘রাজারবাগ’

খলীফাতুল উমাম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি মাদারযাদ ওলীআল্লাহ


‘তাযকিরাতুল আউলিয়া’ কিতাবসমূহে সাধারণত দু’শ্রেণীর ওলীআল্লাহ উনাদের সন্ধান পাওয়া যায়। এক শ্রেণীর ওলীআল্লাহ আছেন, যাঁদেরকে প্রাথমিক জীবনে ওলীআল্লাহগণ উনাদের খিলাফ বা বিপরীত কার্যকলাপে জড়িত থাকতে দেখা যায়। পরবর্তী জীবনে উনারা ওলীআল্লাহগণ উনাদের কার্যকলাপের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়ে যান। মহান আল্লাহ পাক এবং

খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, আওলাদুর রসূল খলীফাতুল উমাম হযরত শাহজাদা হুযুর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনি হচ্ছেন নিয়ামত লাভের বিশেষ লক্ষ্যস্থল


খাযীনাতুর রহমাহ মাখযানুল মা’রিফাহ, খলীফাতুল উমাম, আওলাদে রসূল হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার শান-মান, ফাযায়িল ফযীলত ও বুযুর্গী বিরল, বেমেছাল ও অবর্ণনীয় যা কুল-কায়িনাতের জিন ও ইনসানের পক্ষে বর্ণনা করা অভাবনীয়, অকল্পনীয় ও দুষ্কর বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। তবে মহান আল্লাহ

“ত্বলায়াল বাদরু আলাইনা” : ৯ই রমাদ্বান সোমবার শরীফ ‘পূর্ণিমার চাঁদ’ উঠল বাংলার আকাশে


আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “আল্লাহ পাক (উনার খাছ ওলী হিসেবে) যাঁকে ইচ্ছা তাঁকেই মনোনীত করেন।” (সূরা শুরা: ১৩) আরবী পঞ্চদশ শতাব্দী। গাছে গাছে ফুল ফুটেছে। পাখিদের কণ্ঠে সুমধুর সুরের বন্যা ছড়াচ্ছে বসন্তের সমারোহ চারদিকে। ঐ জান্নাত থেকে ভেসে আসা মৃদু

প্রসঙ্গঃ শবে বরাত: আক্বীদা, আমল ও সংশ্লিষ্ট আলোচনা


শবে বরাত কি? শবে বরাত হচ্ছে ইসলামের বিশেষ রাত্রিসমূহের মধ্যে একটি রাত্র। যা শা’বানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত্রিতে হয়ে থাকে। শবে বরাত-এর অর্থ হচ্ছে ‘মুক্তির রাত’ বা ‘নাজাতের রাত।’   শবে বরাত সম্পর্কে কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ বর্ণনা ‘শব’ ফার্সী

ইসলামিক ভিডিও!


ইসলামিক ভিডিও!

পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে জিন-ইনসানতো রোযা রাখেই এমনকি পশু-পাখি ও সমুদ্রের মাছও রোযা রাখে


শা’বান মাস মুসলমানগণের নিকট অত্যধিক সম্মানিত ও বরকতপূর্ণ মাস। হাদীছ শরীফ-এর কিতাবসমূহে শা’বান মাসের অনেক ফযীলত বর্ণনা করা হয়েছে। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “শা’বান হলো

মতভেদের অজুহাতে মি’রাজ শরীফ-এর নিয়ামত থেকে বঞ্চিত করা নয়া শয়তানী খাছলত


পবিত্র রজব মাসের অন্যতম মহান রাত্রি পবিত্র মি’রাজ শরীফ-এর মুবারক রাত সম্পর্কে অনেক ধর্মব্যবসায়ী আবোল-তাবোল লিখেছে, বলেছে। তাদের একটাই উদ্দেশ্য যাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ উক্ত মহান রাত্রির ফাযায়িল ফযীলত অনুধাবন করে যেন এর নিয়ামতের হিস্যা লাভ করে জান্নাতী না হয়। কারণ বান্দারা

শবে বরাত-এর রাতে ইবাদত-বন্দেগী, দোয়া-মুনাজাতকারীর প্রতি সাত জন হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাত প্রকার সুসংবাদের ঘোষণা


‘উকনা’ নামক কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র শবে বরাতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট এসে বললেন, হে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আজকের এই শবে বরাত-এর রাত্রিতে

অযূর ফরজ এবং অযূ ভাঙ্গার কারন সমূহ


অযূর  ফরজ ৪টি। ১ ।সমস্ত মুখমন্ডল  ধৌত করা । ২। উভয় হাত কনুইসহ ধৌত করা। ৩। উভয় পা গোড়ালীসহ ধৌত করা। ৪।মাথার চারভাগের একভাগ মাসেহ করা। অযূ ভঙ্গের কারণ ৭টি। ১। পায়খানা-পেশাবের রাস্তা দিয়ে কোন কিছু বের হওয়া। ২। মুখ ভরে

আজ পবিত্র শা’বান মাসের চাঁদ তালাশ করতে হবে। কেননা, শা’বান মাসেই রয়েছে বরকতময় ভাগ্য রজনী বা পবিত্র শবে বরাত।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই আমি লাইলাতুম মুবারাকাহ বা বরকতময় রজনীতে (শবে বরাতে) কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিশ্চয়ই আমিই ভয় প্রদর্শনকারী। উক্ত রাত্রিতে আমার পক্ষ থেকে সমস্ত প্রজ্ঞাময় কাজগুলো ফায়ছালা করা হয়। আর নিশ্চয়ই

মুবারক হো মি’রাজ শরীফ


মুবারক হো মি’রাজ শরীফ মুসলমান মানেই মি’রাজ শরীফ সম্পর্কে ছহীহ আক্বীদা পোষণ করতে হবে। সম্যক ইলম হাছিল করতে হবে। যথাযথ শান-শওকত এবং জওক- শওকের সাথে মি’রাজ শরীফ পালন করতে হবে। পাশাপাশি কেবল সরকারি ছুটি দিলেই হবেনা বরং আন্তর্জাতিকভাবেই মি’রাজ শরীফ পালনের

রোহিঙ্গারা নিজভূমে পরবাসী কেন?


রোহিঙ্গারা নিজভূমে পরবাসী কেন? মিয়ানমারের প্রতি মুসলিম বিশ্বের তীব্র চাপ তৈরি করা উচিত দরকার রোহিঙ্গা বিশ্ব মুসলমানের প্রতি সহমর্মিতার হাত একান্তভাবে বাড়িয়ে দেয়া সব প্রশংসা মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি